‘বাগ্মী চিন্তানায়ক’, বিষাক্ত মতবাদ (দ্বিতীয় পর্ব)

চন্দন দাস
সেই চিঠিতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের জন্য অনন্তকুমারকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছিলেন,‘‘ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি একজন মহান ব্যক্তি এবং অসাধারণ খ্যাতিসম্পন্ন বিদ্বান হলেও তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং ধারণার সঙ্গে আমাদের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

তৃণমূলের ন্যক্কারজনক শাসনের বিরুদ্ধে প্রবল জনমতকে ব্যবহার করে বিজেপি রাজ্যে প্রথমবার সরকার গঠন করেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষনা করেছেন,‘শ্যামাপ্রসাদের পথে বাংলা চলবে।’ ২০শে জুনকে ‘পশ্চিমবঙ্গ দিবস’ হিসাবে ঘোষনা করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। যে রাজ্যে ক্ষুদিরাম, সূর্য সেনের জন্মদিনে ছুটি নেই, সেই রাজ্যের ক্যালেন্ডারে শ্যামাপ্রসাদের জন্মদিনে ছুটি দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিধানসভার আয়োজনে এমন একটা ভাব দেখানো হয়েছে যে, ২০শে জুন যেন পশ্চিমবঙ্গের স্বাধীনতা দিবস। জায়নবাদীদের ‘ইহুদি হোমল্যান্ড’ ইজরায়েলের মতো পশ্চিমবঙ্গকে বর্ণনা করা হচ্ছে ‘হিন্দু বাঙালির হোমল্যান্ড’ হিসাবে!
অথচ ১৯৪৭-এর ২০শে জুনেও শ্যামাপ্রসাদের বিশেষ কোনও ভূমিকা নেই। থাকার কথাও নয়। কারন তাঁর হিন্দু মহাসভা মারাত্মক খারাপ ফলাফল করেছিল ১৯৪৬-এর নির্বাচনে। মাত্র ১টি আসনে জিতেছিল তারা। জিতেছিলেন শুধু শ্যামপ্রসাদ। বাংলা ভাগের সিদ্ধান্ত তার অনেক আগেই হয়ে গেছিল। আইনসভায় বাংলাভাগের জন্য তিনটি ভোটাভুটি ছিল আনুষ্ঠানিকতা। সে ইতিবৃত্ত ইতিমধ্যেই নানা লেখায় স্পষ্ট হয়েছে।
তবু রাজ্যের সরকারি উদ্যোগে গড়ে তোলা বাতাবরণই শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে নিয়ে আলোচনার প্রয়োজনিয়তা তৈরি করেছে। বল্লভভাই প্যাটেলের বিরাট মূর্তি বানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। শুভেন্দু অধিকারীও সেই আদলে হুগলীর জীরাটে শ্যামাপ্রসাদের ১২৫ফুটের মূর্তি প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হয়েছেন। মজার বিষয় হলো, গান্ধী হত্যার পর আরএসএস-কে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তে সই করেছিলেন প্যাটেলই। আর শ্যামাপ্রসাদ কংগ্রেসের বিরোধিতার সময় ‘প্যাটেল অ্যান্ড কোং’-এর বিরুদ্ধে বারবার লিখেছেন— মূলত কংগ্রেসে সুভাষ চন্দ্র বসুকে কোণঠাসা করার বিষয়ে আলোচনা করার সময়। এমনকি কংগ্রেসের ওই নেতৃত্বের সেই সময়কার ভূমিকাকে ‘নিম্নমানের ফ্যাসিবাদের’ কায়দা বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। কী লিখেছেন তিনি? ১৯৩৯-এর ২রা ফেব্রুয়ারি শ্যামাপ্রসাদ লিখছেন,‘‘ট্রেনে আছি। সুভাষ বোসের নির্বাচন নিয়ে গান্ধীর বিবৃতিটি খুঁটিয়ে পড়লাম। এর সুর এবং বিষয়বস্তু আমাকে কতটা হতাশ করেছে, তা আমি লুকিয়ে রাখতে পারছি না।...সবকিছুর পর সুভাষ তো তখনও সভাপতি ছিলেন, এবং কংগ্রেসের একটি বড় অংশ যদি চেয়েই থাকে যে তিনি আবার নির্বাচনে দাঁড়ান, তবে তার মধ্যে এত গুরুতর বা অন্যায় কিছু তো ছিল না। আর সুভাষের ইশ্তেহারটি ছিল প্যাটেল অ্যান্ড কোং-এর বিরুদ্ধে একটি জবাব মাত্র, যার বিরুদ্ধে গান্ধীর মুখে একটি শব্দও নেই। এটি কোনও গণতন্ত্র নয়, বরং এক নিম্নমানের ফ্যাসিবাদের রূপ!’’ এই তিনিই বিধান চন্দ্র রায়ের কাছে সুভাষের দ্বিতীয়বার কংগ্রেস সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর বিষন্ন হয়েছিলেন। সুভাষ চন্দ্র যখন প্রার্থী হলেন দ্বিতীয়বার, সেই সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেছেন। আর কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচনের পর হিন্দু মহাসভার সঙ্গে জোট করে বোর্ড গঠনের জন্য শ্যামাপ্রসাদের উড়িয়ে দিয়ে মুসলিম লীগের সঙ্গে মিলে বোর্ড গঠন করায় সুভাষ চন্দ্রের উপর খুবই রেগে গেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ।
শ্যামাপ্রসাদ এবং কমিউনিস্টরা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সোভিয়েত সুহৃদ সোসাইটির সভায় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কমিউনিস্টরা। তিনি এসেছেন, সভাপতিত্ব করেছেন। ’৪৩-এর মন্বন্তরের সময় মহিলা আন্দোলনের নেতৃত্বের ডাকে তিনি তাঁদের সভায় গেছেন। রিলিফ কমিটি গড়ায় সহায়তা করেছেন। আবার নাৎসিরা যখন হারছে, নিজের ডায়েরির পাতায় ‘রাশিয়া’র ভূমিকার প্রশংসা করে দু’ লাইন লিখেও ফেলছেন তিনি। কিন্তু তিনি কমিউনিস্টদের তাঁর লক্ষ্যের পথে বাধা হিসাবেই দেখেছেন। কমিউনিস্টরাও তাঁর ভূমিকার বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান বারবার স্পষ্ট করেছে।
একটি ঘটনা উল্লেখ করবো। ২০০১-এর ৬ই জুলাই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান ছিল কলকাতায়। নেতাজী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কেন্দ্রীয় সরকারের সেই অনুষ্ঠান আয়োজনে যাবতীয় সহায়তা করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। সেদিনই মমতা ব্যানার্জির বাড়িতে গিয়ে তিনি মালপোয়া খেয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন রাজ্যের তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। তিনি যাননি।
অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি দপ্তরের তৎকালীন মন্ত্রী অনন্তকুমারকে চিঠি লিখে নিজের অনুপস্থিতির কারণ জানিয়ে দিয়েছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই চিঠি অনুষ্ঠানের পরের দিন মহাকরণে সাংবাদিকদের দেওয়া হয়েছিল। দেওয়ার কারণ ছিল। সেদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং একটি রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রীর নিন্দা করেছিলেন। কেন্দ্রীয় সরকারের আর এক মন্ত্রীও সেই সভায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর প্রবল সমালোচনা করেন। তিনি মমতা ব্যানার্জি। তাই মহাকরণে অনন্তকুমারকে লেখা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর চিঠিটি অনুষ্ঠানের পরের দিন ৭ই জুলাই সাংবাদিকদের দেওয়া হয়েছিল। সেই চিঠিতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের জন্য অনন্তকুমারকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছিলেন,‘‘ডা: শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি একজন মহান ব্যক্তি এবং অসাধারণ খ্যাতিসম্পন্ন বিদ্বান হলেও তাঁর রাজনৈতিক দর্শন এবং ধারণার সঙ্গে আমাদের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। উদ্যাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ’ নিয়ে কোনও বিতর্কে যেতে আমি ইচ্ছুক নই। অনুষ্ঠানের সাফল্য কামনা করে আমি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকার জন্য আপনার সম্মতি চেয়ে নিচ্ছি।’’
সেই অনুষ্ঠানে অটলবিহারী বাজপেয়ী বলেছিলেন,‘‘মানুষের মৃত্যুর পরে এ’ রকম কথা বলা উচিত নয়। তাছাড়া মহাপুরুষদের সবসময় সন্মান করা উচিত। শিশুদের এই শিক্ষা দেওয়া উচিত।’’ মমতা ব্যানার্জি প্রধানমন্ত্রীর বন্দনা করে বলেছিলেন, ‘‘শ্যামাপ্রসাদ অটলজীর মতোই অটল ছিলেন।’’ তারপর তিনি বলে ওঠেন,‘‘বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে অত্যন্ত কুরুচিকর ও নোংরা ভাষায় আক্রমণ করেছেন। কার্ল মার্কস আর লেনিনকে এরা ভালো বললেও ঘরের মানুষকে এরা অপমান করে।’’
মহাকরণে সাংবাদিকরা ৭ই জুলাই এই বিষয়ে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নানা প্রশ্ন করেন। তার উত্তরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘অতীতের জনসঙ্ঘ, যা বর্তমানের বিজেপি সারা দেশের মানুষের কাছেই এক চরম বিপদ। এই কথাগুলি আমার বোধ বুদ্ধি বিশ্বাসে অটল। তবুও আমি বিশ্বাস করি তা বলা ওই অনুষ্ঠানে সমীচীন হবে না বলেই আমি অনুপস্থিত থাকার সিদ্ধান্ত করেছিলাম।’’
সেদিন বুদ্ধদেব ভট্টচার্য আরও বলেন,‘‘একজন মানুষের মৃত্যুর পরে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা আর শতবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া এক নয়। ইন্ডোর স্টেডিয়ামের অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য শুধু একজন সুপন্ডিত, বাগ্মী চিন্তানায়কের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন নয়। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত অবস্থানও আলোচ্য বিষয়। হিন্দুত্বের ধ্বজাধারী মৌলবাদীরা সারা দেশে যে চরম বিপদ ঘনিয়ে তুলেছে, দুর্ভাগ্যজনক হলেও তারা ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির উত্তরসূরি। বিজেপি, আরএসএস, বজরঙ দল, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ যে ধর্মান্ধ হিংস্রতার বাতাবরণ তৈরি করেছে তার বীজ বপন করেছিল জনসঙ্ঘ।’’
বাজপেয়ীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সেদিন আরও বলেছিলেন, ‘‘না, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মৃত্যুর পরেও সব মানুষ মহান হন না। বড় মাপের মানুষ হলেও, তাঁর মতবাদই যদি বিকৃত হয়—সেই বিষাক্ত মতবাদ থেকে আগামী প্রজন্মকে, শিশুদের সচেতন করার দায়িত্ব আমাদের, যাতে তারা প্রকৃত ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়। হিন্দুত্বের আড়ালে তালিবানদের মতো অমানুষ যাতে তারা না হয়। বিকৃত মতবাদ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে হবে।’’
মমতা ব্যানার্জির ‘মার্কস, লেনিন’ সংক্রান্ত অভিযোগ সম্পর্কে সেদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেন,‘‘দেশকে, দেশের মানুষকে ভালোবাসি। রবীন্দ্রনাথকে শ্রদ্ধা করি, নজরুলকে, ডিরোজিওকেও। সমাজ, সমাজবিজ্ঞান বুঝতে চাই বলে মার্কস ও লেনিনের কাছে যাই। বিজ্ঞানের কোনও জাতীয় সীমানা নেই।’’
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির জন্মশতবার্ষিকীর ওই অনুষ্ঠানে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর অনুপস্থিতি এবং বক্তব্য নিয়ে নানা ধরণের প্রচার হতে থাকে। অনেক বড় বড় সংবাদমালিকই আরএসএস’র প্রতি দুর্বল ছিলেন। যা পরবর্তীকালে প্রকাশিত হয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে সিপিআই(এম)-র মুখপত্র গণশক্তিতে বেশ কয়েকজনের প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। তাঁদের অন্যতম হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়।
হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় লিখেছিলেন,‘‘স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকেই জানানো হয়েছে যে, বহু গুণান্বিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও কীর্তিতে সমাদরণীয় বেশ কিছু থাকা সত্ত্বেও বিনায়ক দামোদর সাভারকার আর ‘গুরু’ গোলওয়ালকার-এর উত্তরসূরি বলে বন্দিত আর সেদিন মাত্র ‘আরএসএস’-এর প্রতিষ্ঠাতা হেডগেওয়ার-এর ‘অবতার’ স্বরূপ বলে বর্ণিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সর্বভারতীয় ভূমিকা আর বিশেষ করে আজকের পরিস্থিতিতে তার প্রতিফলন বিষয়ে প্রখর সমালোচনা আমাদের অবশ্য কর্তব্য, কিন্তু আনুষ্ঠানিক এই আয়োজনে অশোভন ও অবাঞ্চিত। সংস্কৃতিবোধ মজ্জাগত বলেই বুদ্ধদেব কেন্দ্রীয় সরকার আয়োজিত সভায় যায়নি।’’
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জিকে প্রাপ্য সন্মান জানাতে ভোলেননি কমিউনিস্টরা। কোনও একমাত্রিক সমালোচনা করেননি। বিনয়ের সঙ্গে জানিয়েছিলেন— সন্মান জানিয়েও তাঁর নীতি, পথ সাম্প্রদায়িক ছিল, যা দেশের পক্ষে বিপজ্জনক।
প্রতিবেদনটি দুটি পর্বে প্রকাশিত প্রথম পর্বের লিঙ্ক
প্রকাশ: ০৬-জুলাই-২০২৬
শেষ এডিট:: 05-Jul-26 01:34 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/eloquent-thinker-toxic-ideology2
Categories: Fact & Figures
Tags:
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (170)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (154)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (82)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
পুঁজিবাদী উন্নয়নের ভ্রান্ত প্রতিশ্রুতি
- প্রভাত পট্টনায়ক
‘বাগ্মী চিন্তানায়ক’, বিষাক্ত মতবাদ (প্রথম পর্ব)
- চন্দন দাস
এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় সংক্রান্ত
- ওয়েবডেস্ক
জননিরাপত্তা নাকি আতঙ্কের শাসন?
- শমীক লাহিড়ী
পলিটব্যুরো বিবৃতি
- ওয়েবডেস্ক




