‘বাগ্মী চিন্তানায়ক’, বিষাক্ত মতবাদ (প্রথম পর্ব)

চন্দন দাস
হিন্দু ভোট মহাসভার পক্ষে আনতে, নিজেকে হিন্দুদের কন্ঠস্বর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে শ্যামাপ্রসাদ বিস্তর চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে আরএসএস-এর আজকের কৌশলের মতো গ্রামে গ্রামে মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে বলেছেন। লিখছেন,‘‘একটা সিভিল ওয়ার ছাড়া হিন্দু মুসলমান সমস্যার সমাধান হবে না।

‘‘আমার ঝোঁক ছিল মূলত শিক্ষাপ্রশাসনের দিকে এবং একজন রাজনীতিবিদের শোরগোল এবং ধূলিমলিন ক্যারিয়ার আমাকে কখনোই আকর্ষণ করেনি। আমি মনে করেছিলাম যে দেশের সেবা করার সর্বোত্তম উপায় হতে পারে শিক্ষার পথ অবলম্বন করা। দ্বিতীয়ত, আমি এমন কোনও সক্রিয় রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলাম না, যার মঞ্চকে আমি আইনসভার বাইরে জনমত গঠনের কাজে ব্যবহার করতে পারতাম।’’
১৯৪৪-এর ২রা জানুয়ারি নিজের ডায়েরিতে এই বাক্যকটি লিখেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি।
‘রাজনীতিবিদদের শোরগোল এবং ধুলিমলিন’ জীবন তাঁর পছন্দ ছিল না। উপরন্তু রাজনীতিকে তাঁর মনে হয়েছিল ‘ক্যারিয়ার।’ যাবতীয় ‘ক্যারিয়ার’-এর মোহকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া সূর্য সেন, ভগৎ সিং, প্রীতিলতা, আসফাউল্লাহদের উপলব্ধি করেননি শ্যামাপ্রসাদ। এর একটি কারন আছে।
অর্থাৎ শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন প্রথমত একজন শিক্ষাবিদ। এই ক্ষেত্রে তাঁর বাবা, আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের বদান্যতার কথাও তিনি স্বীকার করে গেছেন। বাংলায় লেখা ডায়েরিতে বাবার প্রসঙ্গে ১৯৪৭-এর ১৬ই জানুয়ারি শ্যামাপ্রসাদ লিখছেন,‘‘...সেই বছরই(১৯২৪, আশুতোষ মুখোপাধ্যায় এই বছর প্রয়াত হন) আমাকে ডা: হরেন মুখুজ্জের জায়াগায় ফেলো করেন—ফ্যাকাল্টি অব আর্টস থেকে। তখন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ শিখছি—তাঁর কাছে শিক্ষানবিশী চলছে।’’ বাবা আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর শ্যামপ্রসাদ হয়েছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। দ্বিতীয়ত, তিনি আইনসভার এমন একজন জাতীয়তাবাদী সদস্য ছিলেন, যাঁর আইনসভার বাইরে গণআন্দোলন গড়ে তোলার সামর্থ্য ছিল না।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির রাজনৈতিক জীবনের অপর বৈশিষ্ট্য হলো তিনি কংগ্রেস-বিরোধী। তাঁর প্রধান অভিযোগ ছিল, কংগ্রেস হিন্দুদের প্রতিষ্ঠান হলেও তারা হিন্দুদের স্বার্থ দেখে না। মধুপুরে বসে ১৯৪৬-এর ৩রা জানুয়ারি ডায়েরির পাতায় তিনি লিখছেন,‘‘কংগ্রেস তাদের (হিন্দুদের) প্রধান রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। কংগ্রেস ভারতের জনসাধারণের মনে স্বাধীনতার যে চেতনা জাগিয়েছে তার মূল্য কম নয় তা জানি। কিন্তু কিছুকাল ধরে মুসলমানদের মধ্যে যে নতুন রাষ্ট্রীয় চেতনা জেগেছে, যা দেখা দিয়েছে পাকিস্তান রূপ নিয়ে, তার বিরুদ্ধে হিন্দুকে রক্ষা করার কোন শক্তি দান করতে পারেনি। হিন্দু মহাসভার এইখানে সব চেয়ে বড় দান।’’ কী চাইতেন শ্যামাপ্রসাদ? তাঁর লেখা অনুসারে,‘‘ভারত স্বাধীন হোক, এ তো আমাদের কাম্য। কিন্তু ইংরেজের গোলামী ছেড়ে আমরা পাকিস্তানীর গোলামী করতে প্রস্তুত নই। ভারতে বা ভারতের কোন প্রান্তে ইসলামের পতাকা উড়তে থাকবে এ আমরা স্বীকার করতে চাই না।’’ একদিক থেকে সাভারকার এবং জিন্নাহ’র দ্বিজাতি তত্বের ঘোরতর সমর্থক শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি।
অথচ মুক্তিকামী মানুষের সম্প্রীতি এবং সংগ্রামের সাক্ষী হয়েছেন তিনি। স্বীকার করেছেন ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের অবিস্মরণীয় ভূমিকার কথা। ১৯৪৬-এর নভেম্বরে কলকাতার রাজপথে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহীদ হন হরিশ মুখার্জি স্ট্রীটের বাসিন্দা যুবক রামেশ্বর ব্যানার্জি। সেই নৃশংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো মানুষের মিছিল সম্পর্কে শ্যামাপ্রসাদই লিখেছেন,‘‘সেদিন তো চারদিকে হরতাল—হিন্দু মুসলমান সব একজোট। তার আগের দিন প্রশেসনের মধ্যেই হাজার হাজার মুসলমান চলছিল। তার আগের দিনে যারা ইংরেজের গুলি খেয়েছিল তাদের মধ্যে মুসলমানও ছিল। সে এক অপূর্ব দৃশ্য।’’
কী আশ্চর্য বৈপরিত্য তাঁর অভিজ্ঞতা এবং ভাবনায়!
‘শ্যামাপ্রসাদের পথ’
‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির পথ’ ধরে বাংলা চলবে, রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হয়ে শুভেন্দু অধিকারী এই ঘোষনা করেছেন। কিন্তু ‘শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির পথ’ কী?
১৯৪২-এর ১৪ই জুলাই ভারত ছাড়ো আন্দোলনের ডাক দেয় কংগ্রেস। শ্যামপ্রসাদ মুখার্জি ২৬শে জুলাই চিঠি লেখেন তৎকালীন রাজ্যপাল জন হার্বার্টকে। দীর্ঘ সেই চিঠির এক জায়গায় ভারত ছাড়ো আন্দোলনের আহ্বান সম্পর্কে তিনি লেখেন,‘‘... প্রশ্ন হলো, বাংলায় এই আন্দোলনকে কীভাবে মোকাবিলা করা যায়? প্রদেশের শাসনকার্য এমনভাবে পরিচালনা করা উচিত যাতে কংগ্রেসের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এই আন্দোলন এ প্রদেশে শিকড় গাড়তে না পারে। আমাদের পক্ষে, বিশেষ করে দায়িত্বশীল মন্ত্রীদের পক্ষে, জনগণকে এটা বলা সম্ভব হওয়া উচিত যে, যে স্বাধীনতার জন্য কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করেছে, তা ইতিমধ্যেই জনগণের প্রতিনিধিদের হস্তগত হয়েছে। জরুরি অবস্থার কারণে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি সীমিত হতে পারে। ভারতীয়দের ব্রিটিশদের ওপর আস্থা রাখতে হবে—ব্রিটেনের স্বার্থে নয়, কিংবা ব্রিটিশরা কোনো সুবিধা পাবে বলে নয়, বরং এই প্রদেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা এবং স্বাধীনতা বজায় রাখার স্বার্থে। গভর্নর হিসেবে আপনি প্রদেশের সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে কাজ করবেন এবং সম্পূর্ণরূপে আপনার মন্ত্রীদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিচালিত হবেন।’’
কী ধরনের দেশপ্রেমিক শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন, এই চিঠিতে তা স্পষ্ট। তার কংগ্রেস-বিরোধীতার অন্যতম কারন ছিল আশঙ্কা। তাঁর ধারনা ছিল এই আন্দোলনের ফলে রাজ্যে কংগ্রেস তার দীর্ণ দশা কাটিয়ে জনমানসে, বিশেষত হিন্দুদের মধ্যে প্রভাব বাড়িয়ে নেবে। বাস্তবে অনেকটা তাই হয়েছিল। বোঝা গেছিল ১৯৪৬-এর নির্বাচনে।
শ্যামাপ্রসাদের মনে হয়েছিল কংগ্রেস ছিল হিন্দুদের প্রধান রাজনৈতিক সংগঠন। তাঁর এই ধারনা গড়ে ওঠার কারন ছিল। একটিই উদাহরণ দেওয়া যাক। ১৯৪০-এ, কলকাতার বাঙালি ব্রাহ্মণ সভার সদস্যদের স্মারকলিপিতে লেখা হচ্ছে,‘‘কংগ্রেস তার পুরানো ধ্যান-ধারণা থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তার বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঘটেছে।...তারা আমদানি করা আধুনিক আইরিশ ইতিহাস, ইতালি ও অস্ট্রিয়ার বিপ্লব, ফরাসি প্রজাতন্ত্রবাদ ও সোভিয়েত শাসন নিয়ে পড়াশোনা করে।...এটা করতে গিয়ে তারা ব্রাহ্মণ্যবাদী পুরোহিততন্ত্র ও জমিদারির মতো ভূস্বামীদের প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠনগুলিকে বাতিল করতে চায়...সামাজিক সংস্কারের নামে তারা হিন্দুত্ববাদের মূলে আঘাত করছে।’’ অভিযোগের তীর ছিল মূলত সুভাষ চন্দ্র বসু এবং শরৎ বসুর দিকে।
ত্রিপুরী কংগ্রেসের পরে সুভাষ বসুকে কোণঠাসা করছিল কংগ্রেস। পরে সুভাষ বসু ছদ্মবেশে দেশ ছাড়েন। আর সেই সময়েই রাজ্যে মাথা তুলছে হিন্দু মহাসভা। এবং মহাসভাতেই নিজেকে প্রতিষ্ঠা করার পথ খুঁজে নিচ্ছেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। ১৯৩৯-এ তিনি বিনায়ক দামোদর সাভারকারের সংস্পর্শে আসেন। তাঁর সঙ্গে অবিভক্ত বাংলার বেশ কয়েকটি জায়গায় ভ্রমণ করেন শ্যামাপ্রসাদ, সভা হয়। কিন্তু হিন্দু মহাসভার কাজে তাঁকে বিশেষ বাগড়া দিয়েছেন সাভারকারের ভক্তরাই। ১৯৪৬-এর ১০ই জানুয়ারি শ্যামাপ্রসাদ লিখছেন,‘‘পুনা, বম্বেতে সাভারকারকে সম্পূর্ণ অনুমোদন করেন না এমন আছেন অনেকে। তাঁরা হিন্দুসভাপন্থী, কিন্তু উগ্র সাভারকারী(সাভারকারাইট) নয়। আবার একদল আছেন আছে যারা সাভারকারিজ্ম সৃষ্টি করছে। সাভারকার নিজে বড় বাইরে যান না। ইলেকশন্ নিয়ে কিছু করতে রাজীও হলেন না।’’
অর্থাৎ ‘সাভারকারপন্থী’দের ‘সাভারকারিজ্ম’-এ বিরক্ত শ্যামপ্রসাদ। সাভারকারের ভূমিকাও তাঁকে সন্তুষ্ট করেনি। এবং সেই সময়ে তাঁর লেখায় হিন্দু মহাসভার ভগ্ন দশাই ফুটে ওঠে।
বাইনারির ধাক্কায় বেসামাল
শ্যামাপ্রসাদের প্রধান রাজনৈতিক ভাষ্য ছিল কংগ্রেস হিন্দু-স্বার্থ দেখে না। সেই তিনিই ১৯৪৬-এর নির্বাচনের আগে পরে টের পেলেন যে ধান্দাবাজ জমিদার আর ব্যবসায়ীরা এতদিন হিন্দু মহাসভাকে নানাভাবে সাহায্য করছিল, তারাই কীভাবে কংগ্রেসকে সমর্থন করে।
হিন্দু ভোট মহাসভার পক্ষে আনতে, নিজেকে হিন্দুদের কন্ঠস্বর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে শ্যামাপ্রসাদ বিস্তর চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনী প্রচারে আরএসএস-এর আজকের কৌশলের মতো গ্রামে গ্রামে মন্দির প্রতিষ্ঠা করতে বলেছেন। লিখছেন,‘‘একটা সিভিল ওয়ার ছাড়া হিন্দু মুসলমান সমস্যার সমাধান হবে না। সিভিল ওয়ার আমরা চাই না—কিন্তু যদি অপর পক্ষ তৈরী হয়ে ওঠে আর আমরা প্রস্তুত না থাকি, তাহলে আমরাই ঠকব শেষ পর্যন্ত। কংগ্রেস হিন্দু মুসলমানের সমস্যার কোন মীমাংসা করতে পারেনি, পারবেও না।’’
সুভাষ বসু কংগ্রেসে কোণঠাসা হওয়ার পর, বিশেষত দেশ ছাড়ার পর কংগ্রেসে অভিজাত, জমিদার, মনেপ্রাণে হিন্দু প্রাধান্যকামীদের সোনায় সোহাগা পরিবেশ তৈরি হলো। ফল কী হলো? ১৯৩৫-’৩৬-এ কংগ্রেস আইনসভার ৯০টি আসনের মধ্যে ৫২টি জিতেছিল। ১৯৪৫-’৪৬-এ কংগ্রেস জিতলো ৮৬টি আসন। ১৯৩৫-’৩৬-এ উচ্চ শ্রেণির হিন্দু প্রধান ৪৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস জিতেছিল ৩৯টি আসন। ১৯৪৫-’৪৬-এ তা বেড়ে হলো ৪৭। জমির মালিকদের জন্য নির্দ্ধারিত ৫টি আসনের মধ্যে ১৯৩৫-’৩৬-এ কংগ্রেস একটিও পায়নি। ১৯৪৫-’৪৬-এ তার ৪টি আসনে জিতলো কংগ্রেস। হিন্দু মহাসভা তথা শ্যামপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গে ঘনিষ্টতা বজায় রাখা বেশ কয়েকজন শেষ মুহূর্তে কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে জিতলেন। ১৯৪৬-এর ১০ই জানুয়ারি বিমর্ষ, বিধ্বস্ত শ্যামাপ্রসাদ সংবাদপত্রর ভূমিকার তীব্র সমালোচনার পর লিখলেন,‘‘আমাদের মধ্যেও ভাঙন ধরতে লাগল। ভিন্ন ভিন্ন প্রদেশে বন্যার সামনে যেমন ঘর-দুয়ার ভেসে যায়, সেই রকম কংগ্রেসের বিরোধী যাঁরা দাঁড়িয়েছিল তাঁরা সরে যেতে লাগলো। কতক লোক স্বার্থের খাতিরে হিন্দু সভার নাম নিয়ে দাঁড়িয়েছিল, তারা সরে পড়া বুদ্ধিমানের পরিচয় বলে মনে করল। হিন্দুসভাপন্থী কিছু লোকও সরে দাঁড়াল...।’’
শ্যামাপ্রসাদ দেখলেন, সেই যুগের বাইনারিতে লাভবান হলো কংগ্রেস আর লীগ। নির্বাচনী সভাগুলিতে দেদার সাম্প্রদায়িক ভাষনের পরেও তিনি এবং তার দল মাত্র ১টি আসনে জিততে পারলেন। আর উত্তাল চল্লিশের যাবতীয় গণ আন্দোলনের সামনের সারিতে লাগাতার লড়ে যাওয়া কমিউনিস্টরা পেল ৩টি আসন। বাইনারিতে ক্ষতি হয়েছিল কমিউনিস্টদেরও। গণ আন্দোলনের সামনের সারিতে থাকা, অনেক বেশি আসন আশা করা সিপিআই নেতৃত্ব দেখলেন, শ্রমিক-প্রধান আসনেও তাঁরা হারছেন। হারলেন বঙ্কিম মুখার্জি, সোমনাথ লাহিড়ীর মতো ব্যক্তিত্ব। তবে একটি কথা এই অবসরে না বলা অন্যায় হবে। ১৯৪৬-এর সেই নির্বাচনে কংগ্রেস কর্মীরা বিরোধী দলের নেতা, কর্মীদের ভোটের দিন মারধর করেছিল, বুথ দখল করেছিল। তবে তাদের জয়ের সেটিই প্রধান কারন ছিল না। সাম্প্রদায়িক মানসিকতায় দীর্ণ সমাজের ক্ষমতাবান ব্যক্তি, সংবাদপত্রর প্রচারে প্ররোচিত হিন্দুরা এবং অ-সাম্প্রদায়িক একাংশের মুসলমানরা কংগ্রেসকেই তাদের প্রতিনিধি মনে করেছিল। কখনও কখনও এমন হয়।
প্রতিবেদনটি দুটি পর্বে প্রকাশিত দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্ক
প্রকাশ: ০৬-জুলাই-২০২৬
শেষ এডিট:: 05-Jul-26 01:34 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/eloquent-thinker-toxic-ideology-1
Categories: Fact & Figures
Tags:
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (171)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (155)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (82)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
মানুষের উপরেই ভরসা রাখার পথনির্দেশ
- প্রদোষকুমার বাগচী
পুঁজিবাদী উন্নয়নের ভ্রান্ত প্রতিশ্রুতি
- প্রভাত পট্টনায়ক
‘বাগ্মী চিন্তানায়ক’, বিষাক্ত মতবাদ (প্রথম পর্ব)
- চন্দন দাস
এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায় সংক্রান্ত
- ওয়েবডেস্ক




