এমএনরেগাঃ একটি বিশ্লেষণ (পর্ব ২)

কাজের পরিবেশ তুলনামূলক নিরাপদ, নারী-পুরুষ সমান মজুরি পান। অনেক মহিলাই সরকারী কাজকে এক মর্যাদার বিষয় বলে মনে করেন।

জঁ দ্রেজ
রাহুল আর
জঁ দ্রেজ, এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গাণিতিক অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং নয়াদিল্লির ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স, দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিক্সে শিক্ষকতা করেছেন। বর্তমানে রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর এবং দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিক্সে সম্মানীয় অধ্যাপক হিসাবে দায়িত্বরত। উন্নয়নমূলক অর্থনীতি এবং জনস্বার্থনীতি বিষয়ে তার নির্দিষ্ট অবদান রয়েছে, বিশেষ করে ভারতের প্রসঙ্গে। তার গবেষণার মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ উন্নয়ন, সামাজিক বৈষম্য, প্রাথমিক শিক্ষা, শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্যপরিষেবা এবং খাদ্য নিরাপত্তা। ‘হাঙ্গার অ্যান্ড পাবলিক অ্যাকশন (অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৮৯) এবং অ্যান আনসার্টেন গ্লোরি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইটস কনট্রাডিকশনস (পেঙ্গুইন, ২০১৩)’ বইগুলিতে তিনি অমর্ত্য সেনের সহ লেখক। ‘পাবলিক রিপোর্ট অন বেসিক এডুকেশন ইন ইন্ডিয়া’তেও তিনি লেখকদের অন্যতম একজন, যা ‘প্রোব রিপোর্ট’ নামেও পরিচিত।
রাহুল আর, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার ছাত্র।
মূল প্রবন্ধটি আইডিয়াজ ফর ইন্ডিয়া প্ল্যাটফর্মে ৩১ জুলাই ২০২৫ [1] প্রকাশিত হয়েছে।
মনরেগা ও মৌলিক দারিদ্র্য
উল্লিখিত তথ্যসমূহ থেকে বোঝা যায় আর্থিক দিক থেকে বেশ কিছুটা পিছিয়ে থাকা কয়েকটি রাজ্য (যেমন ছত্তিশগড়) সহ উন্নত রাজ্যেও (যেমন তামিলনাড়ু) মনরেগা-তে মাথাপিছু কর্মসংস্থান বেশি। আবার একইসাথে কিছু দুস্থ রাজ্য (যেমন বিহার) এবং কিছু স্বচ্ছল রাজ্যে (যেমন গুজরাট) খুবই কম কর্মসংস্থান হয়েছে।
কখনও কখনও যুক্তি দেওয়া হয় যে ঐ সকল রাজ্যগুলিতে ‘রিভার্স টার্গেটিং’[2] একটি প্রধান সমস্যা। এর অর্থ হল মনরেগা তহবিল থেকে সচ্ছল রাজ্যগুলিতে সামঞ্জস্যহীনরূপে ব্যয় নির্ধারিত হয়। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক সম্প্রতি এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে। আশা করা যায় ঐ কমিটি উন্নত রাজ্যগুলিতে মনরেগা ব্যয়ের সীমাবদ্ধতাকে নির্ধারণের জন্য সুপারিশ করবে। যদিও তথ্য অধিকার আইনের অধীনে বারংবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও ঐ কমিটির কোনো প্রতিবেদনই জনসাধারণের জানার সুযোগ নেই। কয়েকটি গনমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, ঐ কমিটির সুপারিশ কিছুটা হলেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রককে নিজেদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনায় বাধ্য করেছে[i]।
প্রকৃত সত্য হল- রাজ্যভিত্তিক ‘রিভার্স টার্গেটিং’-এর কোনও তথ্যপ্রমাণই নেই। ২০২৩-২৪ পর্বকে রেফারেন্স ইয়ার হিসাবে ধরে প্রদত্ত চিত্র-৩ অনুযায়ী গ্রামাঞ্চলে প্রতি মাসে মাথাপিছু ব্যয় ও মনরেগা-তে মাথাপিছু কর্মসংস্থানের মধ্যে কোনও তাৎপর্যপূর্ণ সম্পর্কই নেই[ii]। ২০০৯-১০ ও ২০১১-১২ পর্বেও এই একই চিত্র দেখা যায়।
চিত্র - ৩, জনপ্রতি গড় এমপিসিই(M.P.C.E[3]) এবং মনরেগা কর্মসংস্থান (গ্রামীণ, ২০২৩-২৪)
দ্রষ্টব্য: উপরের চিত্রে একটি রাজ্য (মিজোরাম) বাদ রয়েছে, কারণ ২০২৩-২৪ সালে ঐ রাজ্যের গ্রামবাসীদের জন্য মনরেগাতে কর্মসংস্থান ৩৫ দিনের বেশি ছিল। সূত্র: MNREGA-MIS, রিপোর্ট R7.1.2, জন-দিবসের জন্য, ভারত সরকার (২০২০) দ্বারা জনসংখ্যার অনুমানিত পরিসংখ্যান, জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর থেকে প্রকাশিত।
একটি পরিষ্কার তথ্য উঠে আসে। রাজ্যগুলিতে মনরেগাতে কাজ তুলনামূলক দেশীয় পরিপ্রেক্ষিতের তুলনায় অনেক বেশি নির্দিষ্ট লক্ষ্যের অভিমুখে নিবিষ্ট- অর্থাৎ বেশিরভাগ শ্রমিকই গরিব পরিবারের সদস্য। এ বিষয়টি একাধিক গবেষণাতেও প্রকাশ পেয়ছে (উদাহরণস্বরূপ, Liu and Barrett (2013) দেখুন)।
চিত্র ৩-এ বিষয়টিকেই তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৩-২৪ সালকে রেফারেন্স বছর হিসাবে ধরে এই চার্টে আমরা গ্রামীণ এলাকায় প্রতি মাসে মাথাপিছু ব্যয়ের (MPCE) NSS দ্বারা ঘোষিত অনুমানের পরিসংখ্যানের সঙ্গে MNREGA’তে মাথাপিছু কর্মসংস্থানের চিত্রটিকে তুলে ধরেছি। ঐ চিত্রে সংশ্লিষ্ট বছরে দারিদ্র্যের পরিসংখ্যান প্রসঙ্গে নির্ধারিত অনুমানের উল্লেখ নেই। এ দুটির মধ্যে কোনও উল্লেখযোগ্য সম্পর্কও নেই। ২০০৯-১০ এবং ২০১১-১২ সালে গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্যের পরিসংখ্যান সম্পর্কে কিছু নির্ধারিত অনুমানে হিসাব পাওয়া গেলেও মাথাপিছু মনরেগা কর্মসংস্থানের হিসাবের সঙ্গে তাদের বিশেষ কোনও সম্পর্ক নেই।
একথা অবশ্যই সত্য যে বিহার, ঝাড়খণ্ডের মতো আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে থাকা রাজ্যগুলি মনরেগা বাবদ বাজেট বরাদ্দ ও শ্রমদিবস পেলে আরও ভালো হতো, কিন্তু সেসব অর্জন করার জন্য রাজ্যের সক্ষমতা নাকি রাজনৈতিক সদিচ্ছা কোনটি যে আসলে মূল বাধা সে কথা বোঝা সত্যিই সমস্যার। উন্নত রাজ্যে ঐ খাতের বাজেট বরাদ্দ সীমিত করে দিলে, প্রধান নীতিগত বিষয় হিসাবে ‘চাহিদাভিত্তিক কাজ’-এর ধারনাটিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঋতুভিত্তিক প্রবণতা
বছরের বিভিন্ন সময়ে (অর্থাৎ একেক ঋতুতে) মনরেগা-র চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়টি প্রধানত কৃষিতে ‘অফ-সিজন’ বা অসময়ের দিকে চেয়ে কেন্দ্রীভূত থাকে। ২০২৩-২৪ পর্বের অবস্থাটি চিত্র-৪-এ দেখা যাবে। ঐ পর্বে কর্মসংস্থান’এর অবস্থা শীর্ষ এপ্রিল-মে-জুন মাসে ছিল। ভারতের বৃহত্তর অংশেই এ সময় আসলে শুষ্ক আবহাওয়া, গ্রীষ্মকাল- যখন কৃষিজমিতে কাজের সুযোগ কম। ঐ তিন মাসে মনরেগা-তে মোট কর্মদিবসের ৪০%-এরও বেশি তৈরি হয়।
চিত্র ৪. মনরেগা কর্মসংস্থানের মাসভিত্তিক কর্মসংস্থান, ২০২৩-২৪

সূত্র: MNREGA-MIS, রিপোর্ট R5.4
একটি আশ্চর্যের বিষয় হল জুলাই ২০২৩ নাগাদ অর্থাৎ যখন ভারতের বেশিরভাগ অঞ্চলেই বর্ষাকাল চলছে তখন মনরেগা-তে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কাজ হয়েছে। সম্ভবত গ্রীষ্মকালীন কোন কাজ পরে ভুলবশত বর্ষাকালে চিহ্নিত হয়েছিল[iii]। বছরের বাকি সময়ে প্রতি মাসে গড়ে ২০ কোটি কর্মদিবসের মতোই কাজ হয়েছে।
উপরের ছবিটি ২০২৩-২৪ সালের। তবে প্রতিবছরই সারাদেশে মনরেগা-তে কর্মসংস্থানের ঋতুভিত্তিক কাজের বণ্টন প্রায় একইরকম থাকে। রাজ্যভেদে কৃষিকাজের স্থানীয় সময়সূচীর জন্য কিছু পার্থক্য দাখা যায়।
মহিলাদের অংশগ্রহণ
মনরেগা প্রথম থেকেই গ্রামীণ কর্মক্ষম মহিলাদের ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করেছে। এর কারণ নানাবিধ:
- তারা সহজেই নিজেরা আয় করার সুযোগ পান,
- কাজ বাড়ির নিকটস্থ এলাকাতেই মেলে,
- কাজের পরিবেশ তুলনামূলক নিরাপদ, নারী-পুরুষ সমান মজুরি পান,
- অনেক মহিলাই সরকারী কাজকে এক মর্যাদার বিষয় বলে মনে করেন।
আইনে বলা হয়েছে এ প্রকল্পের সুযোগ যারা পাবেন তাদের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ হতে হবে মহিলা। বেশিরভাগ রাজ্যই কোনও বিশেষ উদ্যোগ ছাড়াই সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে গেছে।
প্রকল্প রুপায়নের শুরুর পর্বে ২০০৮-০৯ সালে জাতীয় স্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ৫০% ছাড়িয়েছিল (চিত্র-৫)।
পরবর্তীকালে সেই পরিসংখ্যান ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে, ২০২৩-২৪ সালে প্রায় ৬০% হয়েছে। ইতিবাচক শোনালেও বাস্তব এই যে প্রকৃত মজুরি কম বা দীর্ঘ সময় ধরে একই রয়ে গেলে (যেমন এখন রয়েছে) শ্রমের বাজারে অপেক্ষাকৃত কম সুযোগপ্রাপ্তরা (যেমন মহিলা ও প্রবীণ) বেশি বেশি করে অংশগ্রহণ করেন।
চিত্র - ৫, মনরেগা কর্মদিবসে নারীর অংশগ্রহণ (%) জন-দিবসে

সূত্র: ভারত সরকার (২০১৩) দ্বারা পেশ করা তথ্য, শীট-৮, ২০১১-১২ অবধি। ২০১২-১৩ পরবর্তী সময়ের জন্য ভারত সরকার (২০২৫)র তথ্যকে ভিত্তি করা হয়েছে।
কর্মসংস্থানের মাত্রার সাথে সাথে, বিভিন্ন রাজ্যের মধ্যে মনরেগা-তে কর্মসংস্থানে মহিলাদের অংশ ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয় - চিত্র ৬ দেখুন (যথাক্রমে ২০১১-১২ এবং ২০২৩-২৪ এর জন্য দুটি মানচিত্র)। বেশ কয়েকটি রাজ্যে, প্রধানত উত্তর ভারতে, প্রোগ্রামটি শুরু হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর ধরে মহিলাদের অংশ নির্ধারিত ন্যূনতম এক-তৃতীয়াংশের নীচে ছিল। ২০১১-১২ সালে, বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং বেশ কয়েকটি উত্তর-পূর্ব রাজ্যে এই ন্যূনতম মান এখনও পূরণ করা হয়নি। ২০২৩-২৪ সালের মধ্যে (প্রকৃতপক্ষে, তার আগে), জম্মু ও কাশ্মীর ছাড়া সমস্ত রাজ্যে MNREGA কাজে মহিলাদের অংশ এক-তৃতীয়াংশের উপরে বেড়ে গিয়েছিল[iv]।17 রাজ্যভেদে নারীদের অংশগ্রহণ বিস্তর পার্থক্য দেখায়। বিশেষত, উত্তর ভারতে বেশ কয়েক বছর নারীর অংশগ্রহণ এক-তৃতীয়াংশের নিচে ছিল, যেমন বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, জম্মু-কাশ্মীর। বর্তমানে (২০২৩-২৪), জম্মু-কাশ্মীর ছাড়া সব রাজ্যেই এই সীমা ছাড়িয়েছে।
চিত্র - ৬, ২০১১-১২ এবং ২০২৩-২৪ সালে মনরেগা জন-দিবসে নারীর অংশ (%)

সূত্র: ভারত সরকার (২০১৩), দ্বারা ঘোষিত ২০১১-১২ সালের জন্য শীট - ৮ এবং ২০২৩-২৪ সালের জন্য MNREGA-MIS, রিপোর্ট R5.5
প্রান্তিক গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ
সর্বশেষ (২০১১) জনগণনা অনুযায়ী তফসিলি জাতি (SC) ও উপজাতি (ST) দেশের মোট জনসংখ্যার যথাক্রমে ১৬.৬% ও ৮.৬%। অথচ মনরেগা-র মোট কর্মদিবসে তাদেরই অংশগ্রহণ সবসময় এবং দেশের জনসংখ্যায় নিজেদের আনুপাতিক উপস্থিতির চাইতেও বেশি। এ চিত্র ২০২৩-২৪ সালে দ্রুত হ্রাস পেইয়েছে, তাহলেও এখনও যা আছে তার হিসাব সম্মিলিতভাবে ৩৭% যা দেশের মোট জনসংখ্যার ২৫%-এর চেয়ে অনেকটাই বেশি।
চিত্র ৭, মনরেগা কর্মদিবসে তফসিলি জাতি এবং উপজাতির অংশ (%)

সূত্র: ভারত সরকার (২০১৩), ২০১১-১২ পর্যন্ত শীট ৯ এবং ১০। ২০১২-১৩ পরবর্তী সময়ের জন্য ভারত সরকার (২০২৫)-এর তরফে ঘোষিত তথ্যকে ব্যবহার করা হয়েছে।
২০০৬-০৭ থেকে ২০১০-১১ পর্যন্ত তফশিলি উপজাতিদের (ST) অংশগ্রহণ কমেছিল, তফশিলি জাতি (SC)-র অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পায়। এমনটি হওয়ার কারণ ঐ সময় ধাপে ধাপে সারা দেশ জুড়ে প্রকল্পটির সম্প্রসারন ঘটে। অনেক দুর্গম উপজাতি এলাকায় তার আগে থেকেই ঐ প্রকল্প চালু ছিল। তবে ২০১০-১১ থেকে ২০১১-১২ সময়কালে দুপক্ষের অংশগ্রহনই হঠাৎ করে কমে যায়।
এই প্রতিবেদনের লেখকেরা এমন ঘটনার কোনও সুস্পষ্ট কারণ খুঁজে পাননি। পরবর্তীতে তফশিলি উপজাতি (ST)-দের অংশগ্রহণ স্থিতিশীল থাকলেও তফশিলি জাতি (SC)-এর অংশগ্রহণ খানিকটা কমেছে।
সাধারন নিয়মে প্রকৃত মজুরি যখন বাজার মূল্যের তুলনায় নিচে থাকে তখন ঐ ধরনের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাওয়ার কথা। আর তাই এমন হ্রাসের প্রকৃত কারণ যাচাই করা প্রয়োজন।
বাংলায় অনুবাদঃ অঞ্জন মুখোপাধ্যায়, সৌভিক ঘোষ
বাংলা শিরোনামঃ রাজ্য ওয়েবডেস্কের নিজস্ব
সম্পূর্ণ প্রতিবেদন তিন পর্বে প্রকাশিত হবে
তথ্যসুত্র:-
Abreu, Dilip, et al. (2014), “Do Not Dilute NREGA [An Open Letter to the Prime Minister on NREGA by economists based in India and elsewhere in the world.]”, Economic and Political Weekly, 18 October. https://www.epw.in/journal/2014/42/letters/do-not-dilute-nrega.html
Angad, A (2024), ‘Govt panel recommends overhaul of MGNREGS, adjusting wages every 5 years’, Hindustan Times, 20 December. https://www.hindustantimes.com/india-news/govt-panel-recommends-overhaul-of-mgnregs-adjusting-wages-every-5-years-101734706894329.html
Bhaskar, Anjor, Sunil Gupta and Pankaj Yadav (2016), “Well Worth the Effort”, Economic and Political Weekly, 51(19). https://www.epw.in/journal/2016/19/special-articles/well-worth-effort.html
Bheemarasetti, Suguna, Anuradha De, Rajendran Narayanan, Parul Saboo and Laavanya Tamang (2025), “MGNREGA as a Technological Laboratory: Analysing Wage Payment Delays as a Result of Two Digital Interventions”, Indian Journal of Labour Economics, 68: 681-706. https://doi.org/10.1007/s41027-024-00539-9
Central Employment Guarantee Council (2010), ‘Report of the Working Group on Wages’. Dhorajiwala, S, J DrΦze and N Wagner (2019), ‘A Bridge to Nowhere’, The Hindu, 27 March. https://www.thehindu.com/opinion/lead/a-bridge-to-nowhere/article62110043.ece
DrΦze, J (2014), ‘Learning from NREGA’, The Hindu, 23 August. https://www.thehindu.com/opinion/op-ed/Learning-from-NREGA/article62117988.ece
DrΦze, J and N Nair (2023), ‘The Return of Mangoes’, Economic Times, 14 March. https://economictimes.indiatimes.com/opinion/et-commentary/mango-plantation-a-reminder-of-how-nrega-can-tremendously-contribute-to-rural-development/articleshow/98613894.cms?from=mdr
DrΦze, J and A Somanchi (forthcoming), ‘Alarm Bells for Job Guarantee’.
Government of India (2013), 'MIS Data from MGNREGA Website', a guest compilation of MGNREGA data in spreadsheet format. Accessed from rural.gov.in on 6 April 2025 and available on request. http://rural.gov.in/
Government of India (2015), ‘Response to Rajya Sabha Unstarred Question No. 2048 (“Implementation of NREGA”)’, Ministry of Rural Development, New Delhi. https://sansad.in/getFile/annex/234/Au2048.pdf?source=pqars
Government of India (2020), ‘Population Projections for India and States 2011-2036’, National Commission on Population, New Delhi. https://mohfw.gov.in/sites/default/files/Population%20Projection%20Report%202011-2036%20-%20upload_compressed_0.pdf
Government of India (2023), ‘Response to Rajya Sabha Starred Question No. 45 (6 December)’, Ministry of Rural Development, New Delhi. https://sansad.in/getFile/annex/262/AS45.pdf?source=pqars
Government of India (2024), ‘MGNREGA Annual Master Circular 2024-25’, Ministry of Rural Development, New Delhi. https://nregaplus.nic.in/netnrega/WriteReaddata/Circulars/AMC_2024-25-English.pdf
Government of India (2025), ‘Scheme at a Glance’, Dashboard (based on MGNREGA’s Management Information System), accessed January 2025. https://nreganarep.nic.in/netnrega/nrega_ataglance/At_a_glance.aspx
Khera, R (2025), Revadi ya Haq: Samajik Suraksha par Ek Nazariya, Rajkamal, Delhi.
Khera, Reetika and Nandini Nayak (2009), “Women Workers and Perceptions of the National Rural Employment Guarantee Act”, Economic and Political Weekly, 44(43). https://www.epw.in/journal/2009/43/special-articles/women-workers-and-perceptions-national-rural-employment-guarantee
Liu, Yanyan and Christopher B Barrett (2013), “Heterogeneous Pro-poor Targeting in the National Rural Employment Guarantee Scheme”, Economic and Political Weekly, 44(43). https://www.epw.in/journal/2013/10/special-articles/heterogeneous-pro-poor-targeting-national-rural-employment
Muralidharan, Karthik, Paul Niehaus and Sandip Sukhtankar (2023), “General Equilibrium Effects of (Improving) Public Employment Programs: Experimental Evidence from India”, Econometrica, 91(4): 1261-1295. https://onlinelibrary.wiley.com/doi/abs/10.3982/ECTA18181
Narayanan, Rajendran, Sakina Dhorajiwala and Rajesh Golani (2019), “Analysis of Payment Delays and Delay Compensation in MGNREGA”, Indian Journal of Economics, 62: 113-133. https://link.springer.com/article/10.1007/s41027-019-00164-x
National Statistics Office (2025), ‘Household Consumption Expenditure Survey 2023-24: Fact Sheet’, NSO, New Delhi. https://www.mospi.gov.in/sites/default/files/publication_reports/HCES%20FactSheet%202023-24.pdf
Ranaware, Krushna, Upasak Das, Ashwini Kulkarni and Sudha Narayanan (2015), “MGNREGA Works and Their Impacts”, Economic and Political Weekly, 50(13). https://www.epw.in/journal/2015/13/special-articles/mgnrega-works-and-their-impacts.html
Tamang, L (2025), ‘Why MGNREGA Wage Rates Should be Revised’, Indian Express, 11 April. https://indianexpress.com/article/explained/explained-economics/why-nrega-wage-rates-should-be-revised-9937389/
Yadav, A (2014), ‘Changes in MGNREGS May Cut Into Wages’, The Hindu, 22 September. https://www.thehindu.com/news/national/changes-to-mgnregs-may-cut-into-wages/article6432716.ece
i মনরেগা আইন গ্রামীণ এলাকার সকল প্রাপ্তবয়স্কদের চাহিদা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের আইনি গ্যারান্টি প্রদান করে, এই আইনানুসারে প্রতি পরিবারে বছরে ১০০ দিন পর্যন্ত কাজের সুযোগ। গ্রাম পর্যায়ে অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনার মাধ্যমে চিহ্নিত স্থানীয় জনসাধারণের কাজে কর্মসংস্থান প্রদান করা হয়।
ii অন্যকিছু বলা না থাকলে, এই প্রবন্ধের সমস্ত বার্ষিক পরিসংখ্যান, আর্থিক বছরগুলিকে নির্দেশ করে।
iii ২০০৬ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি ২০০টি জেলায় এবং ২০০৭ সালে আরও ১৩০টি জেলায় মনরেগা কার্যকর হয়। ২০০৮ সালের ১লা এপ্রিল এটি সমগ্র দেশে সম্প্রসারিত হয়।
iv উদাহরণস্বরূপ, Abreu et al. (2014) এবং Yadav (2014) দেখুন। সেখানে আলোচনা করা হয়েছে, ২০১৪-১৫ সালে মনরেগা-কে দুর্বল করার অন্যান্য প্রচেষ্টাও হয়েছিল, যার মধ্যে মনরেগা-র ব্যয়ের উপর কিছু রাজ্যে, নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা ছিল।
v ইলেকট্রনিক মাস্টার রোলগুলি কর্মসংস্থানের জন্য ‘ডিজিটাল কর্মক্ষেত্রের উপস্থিতি পত্রে’ কর্মীদের পূর্ব নিবন্ধনের শর্ত আরোপ করে। এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার আগে, কাজের জন্য আনুষ্ঠানিক দাবি করা একটি অধিকার ছিল, কিন্তু বাধ্যবাধকতা ছিল না, এবং কর্মীদের পূর্ব নিবন্ধন ছাড়াই কর্মক্ষেত্রে উপস্থিত হওয়ার অনুমতি ছিল।
vi ২০২৩-২৪ সালে, ভারতের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৯০ কোটি (ভারত সরকার, ২০২০, সারণী ৮ এবং ১৭), যেখানে কর্মী অংশগ্রহণের হার ৫৮% (পর্যায়ক্রমিক শ্রমশক্তি জরিপ, ২০২৩-২৪)। কর্মী অংশগ্রহণের উপর শর্তাধীন বছরে ৩০০ দিনের কর্মসংস্থান ধরে নিলে, মোট কর্মসংস্থান হবে প্রায় ১৫,৬৬০ কোটি জন-দিবস। একই বছরে, মনরেগাতে ৩০৯ কোটি জন-দিবস কর্মসংস্থান তৈরি করেছে যা মোট কর্মসংস্থানের ১.৯৭%।
vii আইনের অধীনে সরকার কর্তৃক (চাহিদা অনুযায়ী) সর্বনিম্ন ১০০ দিন সময়সীমা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে এটি সর্বোচ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়! তবে কিছু রাজ্য নির্দিষ্ট এলাকা বা সম্প্রদায়ের জন্য এই সর্বনিম্ন সময়সীমা ১২৫ বা ১৫০ দিন পর্যন্ত বাড়িয়েছে।
viii এই বিচ্যুতিগুলি রাজ্যগুলিতে কর্মসংস্থানের পুনর্বণ্টন, মোট মনরেগা খাতে ব্যয়ের মধ্যে উপাদান ও প্রশাসনিক ব্যয়ের অংশের পরিবর্তন, মজুরি প্রদানে পিছিয়ে থাকা ইত্যাদি দ্বারা ব্যাখ্যা করা যেতে পারে।
ix ২০০৫ সালে, আইনটি খসড়া করার পর, জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদ অনুমান করেছিল যে সর্বভারতীয় স্থাপনার প্রাথমিক বছরগুলিতে এই প্রকল্পে জিডিপির ১% ব্যয় করতে হতে পারে; কিছু সমালোচক যুক্তি দিয়েছিলেন যে এটি অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হবে।
x মধ্যবর্তী সময়ে, তেলেঙ্গানা অন্ধ্র প্রদেশ থেকে আলাদা হয়ে যায়।
xi ২০১১-১২ সালের জন্য, আমরা ২০১১ সালের আদমশুমারি থেকে জনসংখ্যার পরিসংখ্যান ব্যবহার করি। ২০২৩-২৪ সালের জন্য, আমরা জাতীয় জনসংখ্যা কমিশন (ভারত সরকার, ২০২০) থেকে প্রক্ষেপিত জনসংখ্যা ব্যবহার করেছি।
xii সঠিকভাবে বলতে গেলে, ২০১১-১২ সালে এই সংখ্যা বেড়ে ছয়টি রাজ্য হবে, কারণ তেলেঙ্গানা তখনও অবিভক্ত অন্ধ্র প্রদেশের অংশ ছিল।
xiii ২০২৩-২৪ সালে, পশ্চিমবঙ্গেও MNREGA স্থবির ছিল, কিন্তু এর কারণ ছিল কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক পশ্চিমবঙ্গের জন্য MNREGA তহবিল বন্ধ করে দেওয়া (নীচে নোট ২৩ দেখুন)। পূর্ববর্তী বছরগুলিতে, পশ্চিমবঙ্গে MNREGA কর্মসংস্থানের হার তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।
xiv উদাহরণস্বরূপ, অঙ্গদ (২০২৪) দেখুন। সেখানে উদ্ধৃত সুপারিশগুলির মধ্যে একটি নিম্নরূপ: “উচ্চ থেকে মধ্যম সম্পদ সূচকযুক্ত কিন্তু বর্তমানে উচ্চ ব্যবহারযোগ্য রাজ্যগুলিতে মনরেগা-র বিকল্পগুলি পরীক্ষা করার জন্য বিশেষ নীতিগত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হবে”।
xv একই বিষয় প্রযোজ্য যদি পর্যবেক্ষণগুলি (অর্থাৎ, রাজ্যগুলি) গ্রামীণ জনসংখ্যার নিরিখে বিচার করা হয়।
xvi কিছু রাজ্যে, মনরেগা-র কাজের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরে ‘মজুরি পরিশোধে বিলম্ব’-এটাকে আড়াল করার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই কাজটাকেই পরে দেখানো হয় - এরকম একটি প্রথা রয়েছে (অথবা অন্তত ব্যবহৃত তো হতই)।
xvii তথ্যানুযায়ী বলতে গেলে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর’ সেই সময় একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল।
xviii আরও বিস্তারিত জানার জন্য, কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান গ্যারান্টি কাউন্সিল (২০১০) দেখুন। এই রূপান্তরটি আসলে তিনটি স্বতন্ত্র ধাপে ঘটেছিল: ধারা ৬(১) সক্রিয়করণ, ১০০ টাকার নীতিমালা প্রবর্তন এবং সূচীকরণ। প্রথম দুটি ২০০৯ সালে, তৃতীয়টি ২০১০ সালে অথবা সম্ভবত ২০১১ সালে ঘটেছিল।
xix এই বার্ষিক গড় তথ্যগুলি ফাউন্ডেশন ফর অ্যাগ্রেরিয়ান স্টাডিজের যুগ্ম-পরিচালক অরিন্দম দাসের সহযোগীতায় সংগৃহীত হয়েছে।
xx অনেক রাজ্যে, মনরেগা মজুরি, ন্যূনতম কৃষি মজুরির চেয়েও কম রয়ে গেছে (তামাং ২০২৫ দ্রষ্টব্য)। মনরেগা কর্মীদের এর চেয়ে কম মজুরি দেওয়ার বৈধতা নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে (কেন্দ্রীয় কর্মসংস্থান গ্যারান্টি কাউন্সিল, ২০১০)।
xxi নারায়ণন, ধোরাজিওয়ালা এবং গোলানি (২০১৯), টেবিল ৪ এবং ৫ থেকে তথ্য সংগৃহীত করা হয়েছে।
xxii সাম্প্রতিক একটি উদাহরণ উল্লেখ করা যেতে পারে: - ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে, “[মজুরি-প্রদান] বিলম্বের গড় সময়কাল” সম্পর্কে একটি প্রশ্নের উত্তরে, মন্ত্রণালয় উত্তর দেয় যে ৯৯% FTO ১৫ দিনের মধ্যে তৈরি হয়, FTO প্রক্রিয়াকরণ বিলম্বের কোনও উল্লেখ দক্ষতার সাথে বাদ দেওয়া হয়েছে।
xxiii বিজেপি আসলে সেই সময় বিহারে ক্ষমতাসীন জোটের অংশ ছিল। পশ্চিমবঙ্গে, তৃণমূল কংগ্রেস (বহু বছর ধরে বিজেপির দৃশ্যতঃ প্রতিপক্ষ – মোটা হরফ অনুবাদকের মন্তব্য সংযোজিত) ২০২১-২২ সালে ক্ষমতায় ছিল। ২০২২ সালের মার্চ মাসে, কেন্দ্রীয় সরকার ‘কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশাবলী অমান্য করার’ অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের জন্য মনরেগা-র তহবিল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়ার অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নেয়। তহবিল জব্দ করা আজও অব্যাহত রয়েছে এবং অভিযোগগুলি এখনও জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি (যদিও পঞ্চায়েতে অনেক চুরি এবং বে-আইনী কার্য্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে – অনুবাদকের মন্তব্য সংযোজিত)। এমনকি সংসদে, গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রক কোনও বিবরণ দিতে পারেনি (ভারত সরকার, ২০২৩ দেখুন)।
xxiv আধার হল ভারতের অনন্য পরিচয় নম্বর, যা বায়োমেট্রিক্সের সাথে যুক্ত।
xxv এই আলোচনার জন্য একটি দরকারী নির্দেশিকা https://www.jobguarantee.org/ ওয়েবসাইটে একটি বিস্তৃত টীকাযুক্ত গ্রন্থপঞ্জি আকারে পাওয়া যাবে।
xxvi আরেকটি ব্ল্যাক হোল হল মনরেগা-র কাজের উৎপাদনশীল মূল্য। আমরা জানি যে কিছু ধরণের মনরেগা কাজ খুবই উৎপাদনশীল; Ranaware et al. (2015), Bhaskar et al. (2016), Drèze and Nair (2023) দেখুন। কিন্তু আমরা এটাও জানি যে অনেক ‘প্রতীকী’ কর্মক্ষেত্র রয়েছে যেখানে খুব কম উৎপাদনশীল কাজ হয়। মনরেগা-র কাজের সামগ্রিক উৎপাদনশীল মূল্য সম্পর্কে খুব কম তথ্য পাওয়া যায়।
xxvii আরও আলোচনার জন্য, ড্রেজ এবং সোমাঞ্চি (আসন্ন প্রকাশিতব্য) দেখুন।
xxviii MNREGA-এর উপর একাডেমিক আলোচনা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানার উপর কেন্দ্রীভূত গবেষণা দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়েছে, যেখানে এলোমেলোভাবে নিয়ন্ত্রিত পরীক্ষাগুলি ছাড়াও কিছু কার্যকর জরিপ (উদাহরণস্বরূপ, ইয়ং লাইভস স্টাডি) পরিচালিত হয়েছে (মুরালিধরন এবং অন্যান্যরা। 2023)। অন্যান্য অনেক রাজ্যের জন্য, খুব কমই উপাদান পাওয়া যায়।
[1] আইডিয়াস ফর ইন্ডিয়া হল অর্থনীতি ও জনস্বার্থ সম্পর্কিত একটি ওয়েব পোর্টাল যা ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়গুলির উপর প্রমাণ-ভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং ভাষ্য প্রকাশ করে। অর্থনীতিবিদ, অন্যান্য সমাজ বিজ্ঞানী এবং গবেষকদের জন্য এক মতামত প্রকাশের এক আদর্শগত ও নিরপেক্ষ মঞ্চ হিসাবে এই পোর্টাল কাজ করে যেখানে তারা নিজেদের গবেষণা ও অভিজ্ঞতার ব্যবহার করে মূল নীতিগত প্রশ্নগুলির উপর চর্চাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।
[2] রিভার্স টার্গেটিং বলতে সাধারণভবে দুটি প্রধান ধারণা বোঝানো যায়। প্রথমটি বিপণনের (Marketing) এমন এক কৌশল যেখানে নির্দিষ্ট ভৌগলিক অঞ্চলের বাইরে থাকা ব্যবহারকারীদেরই নিশানা করা হয়। দ্বিতীয়টি বায়োটেকনোলজি (Biotechnology) সংক্রান্ত এক পদ্ধতি, যা বিশেষ করে ভ্যাকসিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে রোগের কারণ হিসাবে জীবাণুর বাহ্যিক অংশকে (epitopes) শনাক্ত করার পরিবর্তে তাদের জিনোমিক ডেটা ব্যবহার করে সম্ভাব্য লক্ষ্য (targets) খুঁজে বের করা হয়। বিপণনে রিভার্স টার্গেটিং (Reverse Targeting in Marketing) : এ এক সার্চ ক্যাম্পেইন কৌশল যেখানে এমন নির্দিষ্ট ভৌগলিক অঞ্চলের কথা বলা হয় যার বাইরে থাকা সম্ভাব্য ক্রেতাদের নিশানা করা হয়। ধরা যাক একটি রেস্তোরাঁ আছে কলকাতায়। কেউ যদি রিভার্স টার্গেটিং ব্যবহার করেন, তাহলে সে বিজ্ঞাপনে এমন কাউকে নিশানা করা হবে যিনি কলকাতার বাইরে থাকেন কিন্তু কলকাতায় আসতে আগ্রহী হতে পারেন। অর্থাৎ ব্যবসার ভৌগলিক এলাকার বাইরে থাকা সম্ভাব্য গ্রাহকদের জন্য বিজ্ঞাপন প্রচারের কৌশল।
[3] MPCE (Monthly Per Capita Consumption Expenditure) এর অর্থ হল প্রতি মাসে মাথাপিছু রাহা-খরচ। ভারত সরকারের পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রক (MoSPI) দ্বারা পরিবারের জীবনযাত্রার স্তর এবং অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত এক সূচক।
[i] উদাহরণস্বরূপ, অঙ্গদ (২০২৪) দেখুন। সেখানে উদ্ধৃত সুপারিশগুলির মধ্যে একটি নিম্নরূপ: “উচ্চ থেকে মধ্যম সম্পদ সূচকযুক্ত কিন্তু বর্তমানে উচ্চ ব্যবহারযোগ্য রাজ্যগুলিতে মনরেগা-র বিকল্পগুলি পরীক্ষা করার জন্য বিশেষ নীতিগত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন হবে”।
[ii]একই বিষয় প্রযোজ্য যদি পর্যবেক্ষণগুলি (অর্থাৎ, রাজ্যগুলি) গ্রামীণ জনসংখ্যার নিরিখে বিচার করা হয়।
[iii] কিছু রাজ্যে, মনরেগা-র কাজের মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরে ‘মজুরি পরিশোধে বিলম্ব’-এটাকে আড়াল করার জন্য অনেক ক্ষেত্রেই কাজটাকেই পরে দেখানো হয় - এরকম একটি প্রথা রয়েছে (অথবা অন্তত ব্যবহৃত তো হতই)।
[iv] তথ্যানুযায়ী বলতে গেলে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর’ সেই সময় একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল।
প্রকাশ: ১৫-সেপ্টেম্বর-২০২৫
শেষ এডিট:: 15-Sep-25 13:46 | by 2
Permalink: https://cpimwestbengal.org/mgnrega-a-brief-note-part-ii
Categories: Fact & Figures
Tags: agrieconomy, economic discrimination, mgnregs, neoliberalism, mgnrega, digitaleconomy
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (157)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (142)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (79)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)





