পশ্চিমবঙ্গে কৃষি সংকট : একটি বিকল্প ভাবনা

ডঃ শান্তনু ঝা
সার, বীজ, বিদ্যুৎ, জলের মতো ইনপুটে কর্পোরেট একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে সরকারি সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করা। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের জন্য সম্পূর্ণ ঋণমুক্তি।

পশ্চিমবঙ্গে কৃষি সংকট: আজকের বাস্তবতা ও নিরসনের সম্ভাব্য পথ নির্ধারণ : একটি বিকল্প ভাবনা
পশ্চিমবঙ্গ ঐতিহ্যগতভাবে একটি কৃষিপ্রধান রাজ্য। কিন্তু বর্তমানে রাজ্যের কৃষি ক্ষেত্র গভীর সংকটে নিমজ্জিত। এই সংকট কেবলমাত্র প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা চাষীদের ব্যর্থতার ফল নয়, বরং এটি একটি কাঠামোগত ও নীতিগত সংকট, যা কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারগুলির ভূমিকা, কর্পোরেট-মুখী নীতি, এবং কৃষক-বিরোধী সিদ্ধান্তের ফলশ্রুতি।অধুনা,প্রধানমন্ত্রী আরও বেশি করে রপ্তানিমুখী ফসল চাষে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। অর্থাৎ দেশের খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্ব কমিয়ে আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধির নীতি গ্রহণের ঈঙ্গিত দিয়েছেন। আমেরিকার মতো দেশ বিপুল ভর্তুকি দিয়ে যে খাদ্য শস্য উৎপাদন করে তা আমাদের মতো দেশগুলিতে রপ্তানি করতে চায়।ভারতবর্ষের মতো দেশে যে বিপুল কৃষি আবহাওয়া বৈচিত্র অথবা পশ্চিমবঙ্গের মতো বিস্তৃত নদীমাতৃক অঞ্চলে শিল্পের কাঁচামাল বা অন্যান্য রপ্তানিযোগ্য ফসল উৎপাদন করে সরবরাহের ক্ষেত্র তৈরির বিপজ্জনক অভিজ্ঞতা ঔপনিবেশিক ভারতবর্ষে হয়েছে,রয়েছে পি.এল-৪৮০র মাধ্যমে খাদ্য আমদানির অভিজ্ঞতা। আদপে,প্রধানমন্ত্রীর মুখে সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থ রক্ষার কথাই আমরা শুনছি।তিনি দেশের খাদ্য স্বয়ম্ভরতার প্রশ্নটি বাতিল করতে চাইছেন।
কিষান মজদুর কমিশন এর ‘এজেন্ডা ২০২৪’ রিপোর্টটি এই সংকটের গভীরে গিয়ে তার স্বরূপকে চিহ্নিত করেছে।
১. পশ্চিমবঙ্গে কৃষি সংকট: একটি সারসংক্ষেপ
পশ্চিমবঙ্গের কৃষি যে সংকটে আবর্তিত হচ্ছে তা ভারতবর্ষের কৃষি সংকটেরই আঞ্চলিক রূপ।এ বিষয়ে চর্চা করতে হলে নিম্নে উল্লিখিত বিষয় গুলি বিবেচনায় রাখতে হবে।
ক) কর্পোরেটকরণ ও সরকারি নীতির ভূমিকা
· সরকারি বিনিয়োগ হ্রাস: কৃষিতে সরকারি বিনিয়োগ মাত্র ১৫%। ৮২% বিনিয়োগ আসে কৃষক পরিবার থেকেই। এতে কৃষকের ঋণের বোঝা বাড়ছে।
· কর্পোরেটের দখলদারি: কৃষি ইনপুট (সার, বীজ, কীটনাশক), ক্রেডিট, বিদ্যুৎ, গবেষণা, প্রক্রিয়াকরণ—সবক্ষেত্রে বৃহৎ পুঁজির অনুপ্রবেশ ঘটছে। আইসিএআর-এর মতো প্রতিষ্ঠান বায়ার, অ্যামাজনের মতো বহুজাতিক সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।
· ডিজিটাইজেশন ও ডেটা দখল: কৃষি ডিজিটাইজেশনের নামে কৃষকের জমি ও ফসল সংক্রান্ত তথ্য কর্পোরেট হাতে চলে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে কৃষককে তাদেরই ইনপুটের দাসে পরিণত করবে।
খ) ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চনা ও সরকারি অবহেলা
ফসলের ন্যয্য মূল্য নির্ধারণে স্বামীনাথন কমিশনের নির্দেশিকাই আমাদের হাতিয়ার। এই নির্দেশিকার প্রয়োগ করতে হলে দুটি বিষয় আলোচনায় আসা প্রয়োজন।স্থান ও মরশুম ভেদে সব ফসলের প্রতিটি বছরের উৎপাদন খরচের প্রকৃত হিসাব এবং তার তথ্য জনসমক্ষে প্রকাশ এবং ফার্ম গেট প্রাইস বা হার্ভেস্ট প্রাইসের সারা বছরের তথ্য।ভারত সরকার মান্ডি প্রাইস হিসেবে যা প্রকাশ করেন তা আসলে পাইকারি ও খুচরো দামের চিত্র। কিন্তু সে দাম কি চাষী পান?বেশির ভাগ চাষী তো মূল্য নির্ধারনের এই মাধ্যমিক বাজারে পৌঁছোতেই পারেন না।হিসেবে দেখা গেছে,কম বেশি ১২% এর মতো চাষী সেখানে পৌঁছোনোর ক্ষমতা রাখেন। ছোট চাষী বড় জোর তাঁর ফসল নিয়ে প্রাথমিক বাজার গুলোতেই ঘুরে বেড়ান।অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাঠই হ'ল তার প্রাথমিক বাজার।
· ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (MSP) ব্যবস্থার অপূর্ণতা: ধান, আলু, পাট ইত্যাদি ফসলের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গের কৃষকরা প্রতিবছর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।এবছরে,আলু চাষীদের একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনা কৃষকের দুর্বিষহ অবস্থাকে বে -আব্রু করে দিয়েছে।
ধানের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অভিজ্ঞতা কি?
মোটা ধান এবং গ্রেড 'এ' ধানের ন্যুনতমসহায়ক মূল্যে তফাৎ কুইন্টাল প্রতি মাত্র ২০ টাকা। অথচ বাজারে মোটা চাল ও সরু চালের দামে পার্থক্য অনেক বেশি-কুইন্টাল প্রতি প্রায় ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা। বাজারে,বিশেষতঃ বড় পুঁজি নিয়ন্ত্রিত বাজারে,নানা নামে চালের গ্রেডিং হয়। শুধু পালিশের ফারাকে মেশিন মালিকরা মুনাফাটা তুলে নেয়। অথচ সহায়ক মূল্যে কেজি প্রতি ফারাক মাত্র ২০ পয়সা!মোটা ধানের ফলন আর সরু চালের সেবনে লুঠের ছবিটা পরিষ্কার হয়। কমিশন ফর এগ্রিকালচারাল কস্ট এন্ড প্রাইস ই এই লুঠে সরকারের সহায়ক ভূমিকা নেয়।
· সরকারি সংগ্রহে গড়িমসি: ফসলের সময় সরকারি সংগ্রহকেন্দ্রগুলিতে অস্বচ্ছতা ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে কৃষকদের ফসল বিক্রি করতে হয় মজুতদার ও বেনিয়াদের কাছে, অনেক কম দামে।
.কৃষিভিত্তিক শিল্পের সংকট: পাটশিল্পের দুরবস্থা এবং আলু-ফল-সবজির প্রক্রিয়াকরণের সুযোগ সীমিত হওয়ায় কৃষকরা বাজারদর নির্ধারণে অসহায়।
গ) ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের ওপর সংকটের বিশেষ প্রভাব
· পশ্চিমবঙ্গের কৃষিতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীই সংখ্যাগরিষ্ঠ। এঁরা জমির মালিকানা হারাচ্ছেন, বা tenant farmer হিসাবে অদৃশ্য হয়ে রয়েছেন।
·কিষাণ মজদুর কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূমিহীন কৃষিশ্রমিক ও দলিত-আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। মহিলা কৃষকেরা অধিকহারে অদৃশ্য ও অমর্যাদাশীল শ্রম দিচ্ছেন।
ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীর ওপর উৎপাদিত পণ্যের বিপণনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চুক্তি চাষের দিকে এগোনোর জন্য চাপ তৈরি করা হচ্ছে।এবিষয়ে আলোচনা করতে হলে পশ্চিম বাংলার প্রাণী পালক ও মাছ চাষিদের অভিজ্ঞতা নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। এই চাষীদের অধিকাংশই প্রান্তিক পরিবারের। প্রাণী পালন ও মাছ চাষে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার ঘটেছে মাত্র ৫ শতাংশ খামারিদের মধ্যে। স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও এই সব দক্ষ খামারিদের জীবিকার জন্য ব্যবসায়িক ভিত্তিতে চাষে, সরকারি নির্দিষ্ট পরিকল্পনায় ঘাটতি রয়েছে।
এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে, বহুজাতিক সংস্থা ওই সব উৎসাহী খামারি পরিবারের শ্রমকে ব্যবহার করে নানান ধরনের ব্যবসায়িক ফিকির তৈরি করেছে।
চুক্তি চাষ, এর একটি বিশেষ উদাহরণ। যেখানে, চাষের ইনপুট, প্রযুক্তি, আপদকালীন সমস্যা সমাধান সহ, বাজারের নিশ্চিত ব্যবস্থা করছে বহুজাতিক সংস্থাই। চুক্তিবদ্ধ খামারি সেখানে পারিবারিক শ্রম, অভিজ্ঞতা ও নিজের জমি-ঘর ব্যবহার করে তুলনামুলক কম দামে চুক্তি প্রথায় উৎপাদিও দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বহুজাতিকদের কাছে তুলে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। মুরগি, ছাগল এবং মাছ চাষে পশ্চিমবাংলায় এই ব্যবস্থা গত ১০ বছরে ব্যাপকহারে বেড়েছে।
সরকারি গো-দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের সমবায়ে দেওয়া দুধের দামের চেয়ে কম দামে রাজ্যের বেশিরভাগ চাষিরা বেসরকারি গো-দুগ্ধ ব্যবসায়ীদের কাছে দুধ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ, বেসরকারি গো-দুগ্ধ ব্যবসায়ীরা রাজ্যের বেশিরভাগ জায়গায়, যেখানে সরকারি গো-দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের সমবায়ে দুধ বিক্রি করার পরিকাঠামো তৈরি নেই, সেখানে একেবারে চাষিদের পাড়ায় পৌঁছে গিয়ে দুধ সংগ্রহ করে আনছে। দাম কম পেলেও চাষিরা কিছু অর্থ উপার্জনের আশায় এই ব্যবস্থায় যুক্ত হয়ে পড়ছে।
অর্থাৎ, রাজ্য তথা দেশের সম্ভাবনাময় খামারিদের জীবনের মানোন্নয়নে এবং সামগ্রিক দেশীয় সম্পদ বৃদ্ধিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অভাবে বহুজাতিক সংস্থাগুলি এদেশের শ্রম ও সম্পদ কে ব্যবহার করে মুনাফা করছে। গত ২০২৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এই ধরনের প্রায় ১২ টি বহুজাতিক সংস্থাকে এদেশের খামারিদের নিয়ে ব্যবসা করার জন্য সরকারি পরিকাঠামো ব্যবহারের করার অনুমতি দিয়ে চুক্তি (মৌ) স্বাক্ষর করছে। কোন কোন ক্ষেত্রে সরকার অধীনস্থ সংস্থাকে দিয়ে সরকারি মদতে, আধিকারিক ও কর্মচারী সমেত সরকারি পরিকাঠামোকে সম্পূর্ণ ব্যবহার করে খামারি চুক্তি চাষে অভ্যস্ত করে তোলা হচ্ছে।
· জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় পশ্চিমবঙ্গের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করছে, কিন্তু বীমা বা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা কার্যকরী চেহারায় সর্বত্র থাকছে না।
ঘ) রাজনৈতিক-প্রশাসনিক অব্যবস্থা
· রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে সমন্বয়হীনতা।
· কৃষিঋণ মাফ, বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ইত্যাদি প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়নে ঘাটতি।
· স্থানীয় স্তরে দুর্নীতি: কৃষি সুবিধা প্রকৃত কৃষকের কাছে না পৌঁছে দালাল-প্রশাসন-নেতাদের জোটের হাতে আটকে যাচ্ছে।
২. দাবিসমূহ:
ক) জমি ও ভূমিসংস্কার
· সর্বত্র জরিপ করে খতিয়ান প্রণয়ন ও ভূমিহীন, প্রান্তিক চাষী ও tenant farmers-এর নামে জমি বণ্টন।
· মহিলা কৃষকদের জমির মালিকানা ও উত্তরাধিকার সুনিশ্চিত করা।
খ) ন্যায্য মূল্য ও সরকারি সংগ্রহ
· MSP-কে আইনগত অধিকার হিসাবে ঘোষণা ও C2+50% সূত্রে দাম নিশ্চিতকরণ।
· রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে সরকারি সংগ্রহকেন্দ্র চালু ও তা স্বচ্ছভাবে পরিচালনা।
· কৃষকদের সমবায় গড়ে তুলে বাজারজাতকরণে সহায়তা।
গ) কৃষি ইনপুট ও ঋণে সরকারি নিয়ন্ত্রণ
· সার, বীজ, বিদ্যুৎ, জলের মতো ইনপুটে কর্পোরেট একচেটিয়া আধিপত্য ভেঙে সরকারি সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করা।
· ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের জন্য সম্পূর্ণ ঋণমুক্তি।
· এম.এন.রেগাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে শ্রম ভর্তুকি জোরদার করা: অর্থাৎ, যেসব কৃষক শ্রমসাধ্য ও টেকসই পদ্ধতি (জৈব চাষ, সমন্বিত কৃষি) গ্রহণ করবেন, তাদের জন্য ৫০ দিনের শ্রম ভর্তুকি (মজুরি হিসাবে) প্রদান। এটি MGNREGA-র সঙ্গে যুক্ত করে মোট ২০০ দিনের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব।
ঘ) জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি ও গবেষণা
· কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়,প্রাণী সম্পদ বিশ্ববিদ্যালয় সহ উচ্চশিক্ষা কেন্দ্র ও গবেষণাগারগুলি এবং Krishi Vigyan Kendra-গুলি কর্পোরেট প্রভাবমুক্ত রাখা।
· জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় উপযোগী বীজ, জলসংরক্ষণ, ফসল বৈচিত্র্যকে উৎসাহিত করা।
· ফসল বীমাকে কৃষকবান্ধব ও দ্রুত ক্ষতিপূরণমুখী করা।
ঙ) সামাজিক সুরক্ষা
· বয়স্ক ভাতা, স্বাস্থ্যবিমা, শিশুদের যত্নের ব্যবস্থা।
· দলিত-আদিবাসী-মহিলা কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সংরক্ষণ ও সুযোগ।
· MGNREGA-র দিনসংখ্যা ২০০-তে উন্নীতকরণ।
৩. লড়াই-আন্দোলনের সূচীমুখ: কৌশলগত পরিকল্পনা রচনা করে,কৃষক- শ্রমিক ঐক্য গড়ে তুলে নীতি পরিবর্তনের লড়াই পরিচালনা করাই এসময়ের চাহিদা।
আগামীকাল প্রকাশিত হবেঃ কাজ নিয়োগ ও নিরাপত্তা- লেখক অয়নাংশু সরকার
প্রকাশ: ০৩-এপ্রিল-২০২৬
শেষ এডিট:: 03-Apr-26 10:31 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/agricultural-crisis-in-west-bengal-an-alternative-thought
Categories: Fact & Figures
Tags: agricultureinwb, corporates, left alternative
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (159)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (144)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (79)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
এসআইআর রায়: গণতন্ত্রের ওপর এক চরম আঘাত
- ওয়েবডেস্ক
মার্কসবাদের আলোয় সংস্কৃতি (তৃতীয় পর্ব)
- চন্দন মুখোপাধ্যায়
মার্কসবাদের আলোয় সংস্কৃতি (দ্বিতীয় পর্ব)
- চন্দন মুখোপাধ্যায়
কেন্দ্রীয় কমিটির বিবৃতি
- ওয়েবডেস্ক
মার্কসবাদের আলোয় সংস্কৃতি (পর্ব ১)
- চন্দন মুখোপাধ্যায়
ধুমকেতু’র গল্প
- শমীক লাহিড়ী





