একালের শিক্ষা (পঞ্চম পর্ব)

প্রতীম দে
২০১৩ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচন তুলে দেওয়ার প্রস্তাবিত নির্দেশিকা জারি করেন ব্রাত্য বসু্। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে শহীদ হন সুদীপ্ত গুপ্ত। পরবর্তীতে ছাত্র সংসদগুলিকে গায়ের জোরে বহিরাগত গুন্ডাদের সাহায্যে দখল করার চেষ্টা করতে থাকে তৃণমূল। দখল করা ছাত্র সংসদগুলো হয়ে ওঠে তৃণমূল পোষিত ক্রিমিনালদের সমাজবিরোধী কার্যকলাপের পীঠস্থান।

পঞ্চম পর্ব
কোন ক্যাম্পাস দখল
ছাত্র রাজনীতি। ভারত তথা বিশ্ব রাজনীতিতে বহু নেতা উঠে এসেছেন এই ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে। আমাদের রাজ্যের একাধিক রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব রয়েছেন যারা ছাত্র রাজনীতির ফসল। ৭০ দশকের বাংলার সাক্ষী থেকেছে উত্তাল ছাত্র আন্দোলনের। সুভাষ চক্রবর্তী, শ্যামল চক্রবর্তী (সুভাষ – শ্যামল জুটি) রাজ্যের বুকে নতুন করে লিখেছিল ছাত্র রাজনীতির ইতিহাস। দেখিয়েছিল ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে এবং রাজপথে কি ভাবে লড়াই করতে হয় শিক্ষার দাবি নিয়ে। সেই লড়াই এখনও প্রবাহমান।
তৃণমূলের ক্যাম্পাস দখল
কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি একটা অংশ। প্রতিবছর এরাজ্য নিয়ম করে হতো ছাত্র সংসদ নির্বাচন। বামফ্রন্ট সরকারের সময় সেই সব নির্বাচনে সব কলেজে এসএফআই জয়ী হয়েছে তা নয়, ছাত্র পরিষদও জয়ী হয়েছে, পরবর্তীকালে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। কিন্তু এই রাজ্য কখনও সাক্ষী থাকেনি ছাত্র রাজনীতিকে কেন্দ্র করে কলেজের অভ্যন্তরে রক্তপাতের।
শুরুটা হয়েছিল ২০১০ সালে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় হাওড়ার আন্দুল কলেজ। ওই কলেজেই ছাত্র সংসদ নির্বাচনের সময় মনোনয়ন দিতে গিয়ে শহীদ হন এসএফআই নেতা স্বপন কোলে। সেই দিনটিও ছিল ১৬ ডিসেম্বর। ২০১১ সালের নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহল জুড়ে যখন মাওবাদী তৃণমূলের হাতে একের পর এক বামপন্থী কর্মীরা শহীদ হচ্ছেন তাতে বাদ যায়নি ছাত্ররাও। শহীদ হন এসএফআই কর্মী তিলক টুডু, অভিজিৎ মাহাতরা। ওদের চোখে ছিল সমাজ বদলের স্বপ্ন। শিক্ষার অধিকারের জন্য লড়াইয়ের সৈনিক ছিলেন তারা।
ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল কংগ্রেসের নজর পড়ে সেই ছাত্র সংসদের দিকে। ২০১৩ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচন তুলে দেওয়ার প্রস্তাবিত নির্দেশিকা জারি করেন ব্রাত্য বসু্। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে শহীদ হন সুদীপ্ত গুপ্ত। পরবর্তীতে ছাত্র সংসদগুলিকে গায়ের জোরে বহিরাগত গুন্ডাদের সাহায্যে দখল করার চেষ্টা করতে থাকে তৃণমূল। দখল করা ছাত্র সংসদগুলো হয়ে ওঠে তৃণমূল পোষিত ক্রিমিনালদের সমাজবিরোধী কার্যকলাপের পীঠস্থান। কলেজে ভর্তির সময় কাটমানি খেয়ে সেই টাকায় ক্যাম্পাসে অশালীন সংস্কৃতির দেদার আমদানি শুরু হয়। থ্রেট কালচার থেকে শুরু করে রেপ কালচারের চাষ শুরু হয়ে যায়। ছাত্র সমাজের নিরাপত্তা রক্ষার ছাত্র সংসদ পরিণত হয় ছাত্র সমাজের নিরাপত্তাহীনতার আখড়ায়।
ক্যাম্পাসের গণতান্ত্রিক চেতনা নষ্ট করে কর্পোরেটের খেয়ালখুশিমতো মুল্যবোধে ছাত্র মনন পর্যবসিত করার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা সক্ষম হয় ক্যাম্পাসে। যায় অনুষঙ্গেই জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ প্রয়োগের ভিত্তিভূমি প্রস্তুত হয়। সস্তার শ্রমিক এবং রোবোট তৈরির উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়। একইসাথে তৃণমূলের লুটেরা রাজনীতির লক্ষ্যে পর্যাপ্ত ক্রিমিনালদের ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস এবং তার অবৈধ ছাত্র সংসদগুলি।
কিন্তু এর মধ্যে দাঁড়িয়ে যাদবপুর, প্রেসিডেন্সির মতো বিশ্ববিদ্যালয় গুলোয় দেখিয়েছে শাসকের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই। তাই বার বার আক্রমণের মুখেও তাদের পড়তে হয়েছে। তৃণমূল বিজেপি উভয় যাদবপুরকে আক্রমণ করেছে। কখনও বলেছে নেশার কেন্দ্র বা কখনও বলেছে দেশ বিরোধীদের আঁখড়া। কিন্তু এতো কিছু করেও প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনকে তারা থামাতে পারেনি।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাধিকার, হামলা
২০১১ সালের পর রাজ্যের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল গুলো দখল করতে শুরু করে রাজ্যের শাসক দল। প্রথম দখল করা হয় স্কুল পরিচালন সমিতি গুলো। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল পরিচালন সমিতির নির্বাচন। বামফ্রন্ট সরকারের সময় নির্বাচনের মাধ্যমে তৈরি হতো স্কুল পরিচালন সমিতি। শাসক বিরোধী উভয়ের দখলেই থাকতো সেই পরিচালন সমিতি গুলো। নির্বাচিত ওই পরিচালন সমিতি স্কুলের অভিভাবক এবং বাকিদের কাছে একপ্রকার বাধ্য থাকতো স্কুলের পরিকাঠামো গত উন্নয়ন সহ বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর কলেজ এবং স্কুল পরিচালন সমিতির নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কাউন্সিলর, বিধায়ক, পঞ্চায়েত সদস্যদের সরাসরি মাথায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে পরিচালন সমিতির। যার জেরে নষ্ট হয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক পরিবেশ। একই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের। সেখানের নির্বাচনও তুলে দেওয়া হয়েছে।
ফলাফল আরাবুল ইসলামের মতো লোকেরা কলেজ পরিচালন সমিতির মাথায়, অধ্যাপিকাকে জলের জগ ছুঁড়ে খরবে এসেছিলেন। রায়গজ্ঞ কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের হাতে আক্রান্ত হব কলেজে অধ্যক্ষ। এই সব ঘটনাকে ছোট ঘটনা বলে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।
উপাচার্য নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোকে নিজেদের হাতের মুঠোয় রাখতে চেয়েছে সরকার। রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার বিল আনা হয়েছে বিধানসভায়। অর্থাৎ সম্পূর্ণ ভাবে দলতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা উচ্চ শিক্ষাক্ষেত্রে। তবে সম্প্রতি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য শান্তা দত্ত দে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীকার রক্ষা করেছেন।
যেই পথে তৃণমূল চলছে কেন্দ্রে বিজেপিও একই পথে চলছে
২২ জুলাই ২০২৩ মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আর নিবন্ধক। তাঁদের ঘিরে একদল লাঠি, ঘুঁষি চালিয়ে যাচ্ছে। এমনই ভয়াবহ দৃশ্য দেখল গোরখপুরের দীনদয়াল উপাধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়। এটা একটা ঘটনা। এই ধরনের অনেক ঘটনা ঘটছে সব কিছু সামনে আসছে না।
বিভিন্ন কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় যেখানে বামপন্থী প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলন শক্তিশালী সেখানে সব থেকে বেশি আক্রমণ বিজেপি আরএসএসের। দেশ বিরোধী তকমা দেওয়া হয়েছে সেখানকার পড়ুয়াদের। রাতের অন্ধকারে হয়েছে আক্রমণ। রক্তাক্ত হয়েছেন পড়ুয়ারা। শিক্ষাক্ষেত্রের অভ্যন্তরের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে গলা টিপি মারা ছক করেছে বিজেপি। তার হাতিয়ার নয়া জাতীব শিক্ষা নীতি।
ক্যাম্পাসে নিরাপদ নয়
ছেলে মেয়েরা স্কুল কলেজে গেলে বাবা মা-দের মনে এখন একটা চিন্তা ঘুরে বেড়ায়। সেটা হচ্ছে নিরাপদে বাড়ি ফিরবে তো মেয়েটা? ছেলেটার কিছু হবে না তো কলেজে? তৃণমূল জমানায় কলেজে ছাত্র সংঘর্ষের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। অনেকে মার খেয়েছে আহত হয়েছে। কিন্তু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্ষণের ঘটনার সাক্ষী থাকেনি এই রাজ্য। কামদুনি, পার্কস্ট্রিট, কাকদ্বীপ, হাঁসখালির মতো একাধিক ধর্ষণের ঘটনা এই রাজ্যে ঘটেছে। কোনটাতেই দোষীদের কঠোর শাস্তির ঘটনা ঘটেনি। উল্টে মুখ্যমন্ত্রী ছোট ঘটনার মতো তত্ত্ব সামনে এনেছেন। কিন্তু এই সব কিছুকে নাড়িয়ে দিয়েছে আরজি করের ঘটনা। তারপর কসবা ল’কলেজ এবং দূর্গাপুরের ঘটনা।
৯ আগস্ট ২০২৪ রাতে আরজি কর হাসপাতালে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে কর্তব্যরত একজন পিজিটিকে। গোটা রাজ্য উত্তাল হয়ে ওঠে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে তারা সবাই শাসক দলের ঘনিষ্ট। কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে প্রমাণ লোপাট করার। গ্রেপ্তার হন টালা থানার ওসি। এই ঘটনা শুধুমাত্র কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিরাপত্তার দিক নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। তদন্তে উঠে এসেছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যেই দুর্নীতি চলছে সেই বিষয়টিও। সামনে এসেছে স্বাস্থ্য শিক্ষা নিয়ে সিন্ডিকেটের বিষয়।
এই ঘটনার পর পরই এক বছরের মাথায় সামনে আসে কসবা ল’কলেজে ধর্ষণের ঘটনা। সেখানে নাম জড়ায় টিএমসিপি নেতা তথা কলেজের অস্থায়ী কর্মী মনোজিৎ মিশ্রের।
গত ২৫ জুন বুধবার রাতে বিজন সেতুর সামনে সাউথ কলকাতা ল’কলেজে গণধর্ষণের শিকার হয় এক পড়ুয়া। তার অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র ওই কলেজের টিএমসিপি ইউনিটের প্রাক্তন সভাপতি, বর্তমানে কলেজের অস্থায়ী কর্মী। অভিযোগ সে এবং দুজন ছাত্র এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
নির্যাতীতার বয়ান অনুযায়ী রাতে তাকে মনোজিৎ এবং বাকি দুই অভিযুক্ত ইউনিয়ন রুমে যৌন হেনস্তা করে। তারপর তাকে গার্ড রুমে নিয়ে গিয়ে কুপ্রস্তাব দেয়। নির্যাতীতাতে তাতে রাজি না হলে তখন তিনজন তাকে গণধর্ষণ করে এবং গোটা বিষয়টা ভিডিও করে। হুমকি দেয় কোথাও জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। ঘটনার পর নির্যাতীতা কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
উল্লেখ্য রাজ্যের কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় গুলোয় বন্ধ ছাত্র সংসদ নির্বাচন। ছাত্র সংসদ নেই কিন্তু ছাত্র সংসদ গুলোকে দখল করে সেই গুলোকে ব্যবহার করে একের পর এক অনৈতিক কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠছে শাসক দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে। কলকাতার বিভিন্ন কলেজে ভর্তি হওয়ার সময় টাকা নেওয়া বা অন্য কোন অনৈতিক কাজ সব কিছুতে অভিযুক্ত তৃণমুল ছাত্র পরিষদ। রাজ্য সরকার প্রতিবছর বলে আসছে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হবে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন দিন তারা ঘোষণা করতে পারছে না। ছাত্র ছাত্রীদের যেই অধিকার একটা গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ পাওয়ার সেখান থেকে তার বঞ্চিত থাকছে। আর এই সুযোগে কলেজ ক্যাম্পাস গুলোকে গুন্ডাদের আঁখড়ায় পরিনত করছে তৃণমূল। কসবার এই ঘটনার পর আদালতের নির্দেশে বন্ধ করা হয়েছে সব বেআইনি ছাত্র সংসদের ঘর গুলো।
শিক্ষাক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক অধিকার নেই
নয়া শিক্ষানীতির কোথাও গণতন্ত্র শব্দটির উল্লেখ নেই। স্বাধীনতার সময় থেকেই আমাদের দেশ সংসদীয় গণতন্ত্রের রাস্তা ধরেই এগিয়েছে।
শিক্ষাক্ষেত্র যদি গণতান্ত্রিক এবং মুক্ত চিন্তার কেন্দ্র না হয় তাহলে শিক্ষা থাকে অসম্পূর্ণ। শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং সমাজের সমগ্র অংশের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই শিক্ষা পরিপূর্ণতা লাভকরে। শিক্ষা পাঠক্রম এবং পরিকাঠামোয় যদি গণতন্ত্রের ধারণাকে পরিপুষ্টভাবে লালন-পালন করা না যায় তাহলে কোন দেশের শিক্ষাই এগোতে পারে না। উচ্চশিক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-ছাত্রছাত্রীদের নির্বাচিত প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে অংশগ্রহণ থাকা অত্যন্ত জরুরী শিক্ষার বিকাশের জন্যই। ফ্যাসিবাদের চিন্তা ভাবনাকে পাথেয় করে বিজেপির এই শিক্ষা নীতি। শিক্ষা ব্যবসায়ীরাও কখনই চায় না শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষার্থীদের মত প্রকাশের অধিকার থাকুক। তাহলে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষার্থীরা মুনাফাকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির মালিকগোষ্ঠীর শিক্ষার নামে অবাধ লুঠের প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সরব হওয়ার সুযোগ পাবে। তাই গণতন্ত্রের ধারণাকে সযত্নে এড়িয়ে গেছে বিজেপি সরকারের শিক্ষানীতি। এরাজ্যে যাকে ঘুরিয়ে মান্যতা দিয়েছে মমতা ব্যানার্জির সরকার।
আগামীকাল ষষ্ঠ পর্ব
প্রথম পর্বের লিঙ্ক
দ্বিতীয় পর্বের লিঙ্ক
তৃতীয় পর্বের লিঙ্ক
চতুর্থ পর্বের লিঙ্ক
প্রকাশ: ২৩-অক্টোবর-২০২৫
শেষ এডিট:: 27-Oct-25 14:16 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/the-flaws-of-modern-education-5
Categories: Fact & Figures
Tags: campaign, democraticright, studentsstruggle, students, school curriculum, sudipta gupta, swapan kole, student council election
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (147)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (130)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
বাংলার বিকল্প পরিবেশ ভাবনা ও উন্নয়নের অভিমুখ
- সৌরভ চক্রবর্ত্তী
পশ্চিমবাংলার ক্রীড়ানীতি ও বিপল্প প্রস্তাব
- সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়
তথ্য প্রযুক্তি এ আই আমাদের রাজ্যে সম্ভাবনা
- নন্দিনী মুখার্জি
প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
- ওয়েবডেস্ক





