নভেম্বরকে স্মরণ ও এই সময়ের সাম্রাজ্যবাদ

নীলোৎপল বসু
পুঁজির কেন্দ্রীভবন যত বাড়ে, ঠিক ততটাই বেকারত্ব এবং বৈষম্যের চরম বৃদ্ধি দেখা যায়। এটাই বিভেদের জন্ম দেয় এবং বিদ্বেষপূর্ণ ‘অপর’-এর ধারনা সৃষ্টি তারই অনিবার্য পরিণতি। বর্তমানে ক্ষমতাসীনদের পৃষ্ঠপোষকতা করা এই কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক আঁতাত যে মধ্য মেয়াদকালীনও টিকে থাকতে পারবে না, তা এখন স্পষ্ট। কারণ, এর ফলে ভারতের বর্তমান গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানে অনুমোদিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বীকৃত পদ্ধতিগুলোকেও বিকৃত করা হচ্ছে।

নিউ ইয়র্ক শহরের মেয়র নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের মুহূর্ত যত ঘনিয়ে আসছিল, এবং যখন এটা স্পষ্ট হয়ে উঠছিল যে জোহরান মামদানি, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক জগতে একজন একেবারে 'বহিরাগত', অথচ অন্য সব প্রার্থীর চেয়ে তিনিই অনেক এগিয়ে আছেন, ঠিক তখনই ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই তাঁর নিজস্ব ঢঙে কী ঘটতে চলেছে তা নিশ্চিত করে দিলেন। ট্রুথ সোশ্যাল-এ তাঁর পোস্টে, তিনি সোজাসাপটাভাবে বললেন — “যদি কমিউনিস্ট প্রার্থী জোহরান মামদানি নিউ ইয়র্ক শহরের মেয়র নির্বাচনে জেতেন, তবে আমার প্রিয় প্রথম বাড়িটিকে (নিউ ইয়র্ক) আমি ফেডারেল তহবিল, ন্যূনতম প্রয়োজনীয় অর্থটুকু ছাড়া, অন্য কোনো অর্থ দেবো না। কারণ একজন কমিউনিস্টের অধীনে এই একদা মহান শহরের সাফল্য তো দূরের কথা, এমনকি টিকে থাকারও সম্ভাবনা ও সুযোগ শূন্য হয়ে যাবে। একজন কমিউনিস্টের নেতৃত্বে এই জয় কেবল খারাপের দিকেই যেতে পারে, এবং আমি রাষ্ট্রপতি হিসাবে এই শহরের জন্য টাকা নষ্ট করতে চাই না। আমার কর্তব্য হল দেশকে পরিচালনা করা, এবং আমার দৃঢ় বিশ্বাস যে মামদানি যদি জেতেন তবে নিউ ইয়র্ক শহর সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ওদের নীতিগুলি হাজার হাজার বছর ধরে পরীক্ষিত হয়েছে এবং একবারের জন্যও তারা সফল হয়নি। আমি বরং একজন ডেমোক্র্যাটকে দেখতে চাই, যার সাফল্যের রেকর্ড রয়েছে।”
আসন্ন পরাজয়ের হতাশার বহিঃপ্রকাশ এর চেয়ে বেশি আর কিছু হতে পারত না। পরাজয়, তা যত ক্ষণস্থায়ীই হোক না কেন, এটা স্পষ্ট যে তা ট্রাম্পের বর্ণময় কল্পনাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছিল। তাঁর ভাবনা ও ধারণাকে, এই ঘটনা অবশ্যই বিঘ্ন ঘটিয়েছে এবং সেটা সম্ভবত কিছুটা থমকেও গেছে। তাঁর এই পূর্বানুভূতি ভোটের ফলাফলের সম্ভাব্য দিক নিয়ে ছিল না, বরং নির্বাচনী ফলাফলের প্রবণতা নিয়েই ছিল।
সম্ভবত ট্রাম্পের অনিশ্চয়তার একমাত্র উপাদান ছিল মামদানির বিজয়ের ব্যাপ্তি। এটা স্পষ্ট যে তাঁর ভয়াবহতম মুহূর্তেও তিনি হয়তো কল্পনা করতে পারেননি যে মামদানি প্রদত্ত ভোটের অর্ধেকের বেশি - নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ৫০.৪ শতাংশ ভোট পাবেন।
তবুও, ট্রাম্প এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রের উপর তাঁর সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক প্রভাব থাকা সত্ত্বেও, এই জয়ের পরিণতি বুঝতে পারছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাধ্যমে যে রিপাবলিকান দল পুনরুজ্জীবিত চরম দক্ষিণপন্থী রাজনীতির নেতৃত্ব দিচ্ছিল – যা শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, গোটা পুঁজিবাদী বিশ্বেই প্রভাব বিস্তার করেছিল - সেই দলটি শুধুমাত্র ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ক্ষমতা হারানোর দ্বারপ্রান্তে ছিল না, বরং একজন সম্পূর্ণ বহিরাগতের অর্থাৎ যিনি প্রচলিত রাজনীতির অংশ নন, তেমনই একজনের কাছেই ক্ষমতা হারানোর হওয়ার মুখে পড়েছিল। মামদানি হলেন প্রকৃত অর্থে একজন বহিরাগত, যিনি মাত্র এক শতাংশ জনপ্রিয় সমর্থন নিয়ে গত একশ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে টিকে থাকা দ্বিমেরুর ব্যবস্থাকে দুর্বল করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সামগ্রিকভাবে পুঁজিবাদ মানুষের সামনে তুলে ধরা চিরাচরিত মিথ্যা বিকল্পগুলির বাইরে অন্য কোনো পথ খুঁজছিল।
সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক সরকারগুলির বিপর্যয়ের পর যা ঘটেছিল, তা ট্রাম্পের এই অনুভূতিকে আরও জোরদার করেছিল। ট্রাম্প এবং অন্যান্য 'নেতিবাচক চিন্তাধারার' লোকেদের কাছে এটি ছিল চূড়ান্ত বিজয়ের মুহূর্ত। তাদের ধারণা ছিল, 'পুঁজিবাদই ইতিহাসের সমাপ্তি' এবং এখন গ্রহের অর্থনীতি ও রাজনীতির উপর সম্পূর্ণ আধিপত্য বিস্তারের জন্য এটা একমাত্র এবং একমুখী পথ।
লগ্নি পুঁজি চালিত পুঁজিবাদী ব্যবস্থা
পশ্চাদপদ জার-শাসিত রাশিয়ার প্রেক্ষাপটে, মার্কস তাঁর 'কমিউনিস্ট ইশতেহারে' পুঁজিবাদের যে নিয়মগুলি নির্ধারণ করেছিলেন, লেনিন সেগুলিকে উন্মোচন এবং সেগুলির সমাধান করার মাধ্যমেই মূল তাত্ত্বিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছিলেন ও তার মোকাবিলা করেছিলেন। মার্কসের এই দাবি ছিল, পুঁজি তার প্রধান হাতিয়ার হিসাবে অর্থকে (finance) বিকশিত করতে বাধ্য, তা পরবর্তীকালে সাম্রাজ্যবাদের উত্থান বোঝার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
পুঁজিবাদের কেন্দ্রীকরণ এবং ঘনীভবনই যে পুঁজিবাদের গতিশীলতার মূল চাবিকাঠি ছিল, এটা মার্কসের ধারণারই অংশ। সেই কারণে, তাঁর ধারণাগত কাঠামোর সূচনা হয়েছিল ভবিষ্যদ্বাণীমূলক এই দাবি দিয়ে - ‘সমগ্র ইউরোপ আজ কমিউনিজমের ভুত দেখছে।’ এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য যে সেই ভয়েরই প্রতিধ্বনি ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যেও শোনা গেল।
আসল কথা হলো - পুঁজি এবং শ্রমের মধ্যে লড়াই। ইতিহাসের যে কোনো নির্দিষ্ট মুহূর্তে পুঁজিকে যত শক্তিশালীই মনে হোক না কেন, এটি শ্রমকে প্রতিস্থাপন করতে পারে না, তাকে পরাস্ত করা তো দূরের কথা। এভাবে, পুঁজিবাদই 'তার কবরের খননকারীদের উত্থান ঘটায়’। শোষণ এবং মুনাফার অনুসন্ধান শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে, সাম্রাজ্যবাদ এবং আন্তর্জাতিক লগ্নি পুঁজির মূল উৎস হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও, তাকেও সমানভাবে অসহায় বলে মনে হচ্ছে।
প্রায় চল্লিশ বছর আগে সোভিয়েত পতনের পরেও, সেই প্রধান প্রবণতাটি আজও পুরোদমে সক্রিয়। মাঝে মনে হচ্ছিল, প্রচারযন্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আদর্শগত নিয়ন্ত্রণ কঠোর হবে, কিন্তু মূল পরিস্থিতি একই আছে। তাই, ট্রাম্প এবং আধুনিক আন্তর্জাতিক লগ্নি পুঁজির সূতিকাগার ওয়াল স্ট্রিটকেও মামদানির বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাওয়া দেখতে হয়েছে। মামদানির প্রচারের মূল বিষয়গুলি ছিল – ভাড়া বৃদ্ধি বন্ধ করা, সরাসরি শহরের কর্পোরেশনের হস্তক্ষেপ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা, সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সরবরাহ করা এবং সেই সাথে করের অর্থ পুনর্বন্টনের মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনধারণের খরচ কমাতে সাহায্য করা। মামদানি এবং তাঁর গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক ইশতেহার, লগ্নি পুঁজির তৈরি করা সমসাময়িক মূল সমস্যাগুলি সমাধানের দিশা দেখিয়েছে - যেমন ক্রমবর্ধমান বৈষম্য, আকাশছোঁয়া বেকারত্ব ইত্যাদি। স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট না হলেও, সমাজতান্ত্রিক বিকল্পের অন্তর্নিহিত ইঙ্গিত এর মাঝেই আছে । আর এই কারণেই ‘মামদানি কমিউনিস্ট’ - এই অভিযোগ ট্রাম্প নিজেই করেছেন।
কে জানত যে ২০২৫ সালের সমসাময়িক পুঁজিবাদের প্রেক্ষাপটে মার্কস আবার জীবন্ত হয়ে উঠবেন এবং সাম্রাজ্যবাদের বিকল্প নিয়ে লেনিনের সমালোচনা ও তাঁর প্রস্তাবগুলিও সঠিক প্রমাণিত হবে! এই কারণেই অ্যান্ড্রু কুমো এবং এরিক অ্যাডামসের মতো অসম্মানিত বা অ-গ্রহণযোগ্য প্রার্থীদের প্রচারাভিযান, এলন মাস্কের মতো ব্যক্তিরা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঢালা সত্ত্বেও, ব্যর্থ হয়েছে।
প্যালেস্তাইন, সাম্রাজ্যবাদ-জায়নবাদী জোটের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য প্রতিরোধ
গাজায় প্যালেস্তাইনদের উপর চালানো ভয়াবহ গণহত্যা প্রত্যক্ষ করেছে সমগ্র বিশ্ব, যা ফ্যাসিবাদের হলোকাস্টের এক মারাত্মক পুনরাবৃত্তি। এটা স্পষ্ট যে, প্যালেস্তাইনের ওপর চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণের জন্য জাতিগত ভাবে তাদের নির্মূল এবং ধ্বংস করার এক অভিযান চালাচ্ছে ইজরায়েল। সাম্রাজ্যবাদের সাহায্য ছাড়া জায়নবাদ এবং তাদের ভিত্তিহীন দাবিগুলোকে ‘ন্যায্যতা’ দেওয়া সম্ভব ছিল না। যদিও প্যালেস্তাইন দখলের পক্ষে নানা ভিত্তিহীন যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু আসলে এটা হচ্ছে আধিপত্য বিস্তারের এক চূড়ান্ত খেলা। লেনিন আজ আবারও প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলেন – ‘সাম্রাজ্যবাদ এবং যুদ্ধ হল যমজ ভাই’, তারা একে অপরের টিকে থাকার এবং ইতিহাসের গতিপথকে চালিত করার জন্য পরস্পরকে শক্তিশালী করে।
তবে আবারও, যা কখনও কখনও অসম্ভব বলে মনে হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত জনগণই জয়ী হল। প্যালেস্তাইন প্রতিরোধের লড়াইয়ের প্রতি ব্যাপক সংহতি শেষ পর্যন্ত আগ্রাসী শক্তিকে অন্তত কিছু সময়ের জন্য হলেও পিছিয়ে দিতে পেরেছে। মার্কস এবং লেনিনের ভবিষ্যদ্বাণী এবং তার ঐতিহাসিক সারমর্মকে আরও একবার প্রমাণ করল গাজার ঘটনা।
আন্তর্জাতিক লগ্নি পুঁজির সহায়তায় পুঁজির যে কেন্দ্রীভবন এবং ঘনীভবন ঘটেছে, তা সম্ভবত আগে কখনও এত বেশি ছিল না। এটা অনিবার্যভাবে অসম উন্নয়নের জন্ম দিতে বাধ্য। অঞ্চল, জনসংখ্যা, লিঙ্গ, পরিচয়সত্তা - এই সব কিছুই মুনাফা সর্বোচ্চ করার এই যাত্রার শিকার হচ্ছে এবং এর পরিণতি ভোগ করছে।
অতএব, এটা কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়, যে সংহতি আন্দোলন গণতন্ত্রের সমর্থকদের ব্যাপক অংশকে আকৃষ্ট করেছিল, সেটা অবশ্য বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অভিবাসীরাই প্রাথমিকভাবে শুরু করেছিল। গাজায় ইজরায়েল এবং সাম্রাজ্যবাদের ভয়াবহ অপরাধ সম্পর্কে আমেরিকার সাধারণ জনগণের ভাবনা যে বদলে যাচ্ছে, তার সবচেয়ে সুস্পষ্ট প্রমান হলো প্যালেস্তাইনবাসীদের পক্ষে মামদানির জোরালো দাবির প্রতি সমর্থন। নিউ ইয়র্কের ইহুদি মানুষ যারা শহরের জনসংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ, তারাও মামদানির পিছনে সমবেত হয়েছিল। প্রসঙ্গত তেল আভিভ ছাড়া অন্য কোনো শহরে এত সংখ্যক ইহুদি মানুষ নেই। ইহুদি ধর্ম এবং জায়নবাদের মধ্যে পার্থক্য মামদানি স্পষ্ট ভাবেই প্রচার করেছিলেন এবং নেতানিয়াহুকে একজন অপরাধী হিসাবে নির্দিষ্ট ভাবে চিহ্নিত করেছিলেন!
আজকের ভারতবর্ষ
আজ ভারতে অতি দক্ষিণপন্থার উত্থানও পুঁজিবাদ এবং সাম্রাজ্যবাদের চালিকাশক্তির যোগসাজশেরই প্রমাণ। এখন এটা আগের চেয়েও স্পষ্ট, দুটি মূল উপাদানই এক আগ্রাসী লগ্নিপুঁজি নির্ভর কাঠামোকে ভিত্তি করে চলছে, যা শেষ পর্যন্ত নির্লজ্জ স্বজনপোষণ বা কোটারিবাদ অর্থাৎ অবাধ লুটের রাজত্বে পরিণত হয়।
কিন্তু, পুঁজির কেন্দ্রীভবন যত বাড়ে, ঠিক ততটাই বেকারত্ব এবং বৈষম্যের চরম বৃদ্ধি দেখা যায়। এটাই বিভেদের জন্ম দেয় এবং বিদ্বেষপূর্ণ ‘অপর’-এর ধারনা সৃষ্টি তারই অনিবার্য পরিণতি। বর্তমানে ক্ষমতাসীনদের পৃষ্ঠপোষকতা করা এই কর্পোরেট-সাম্প্রদায়িক আঁতাত যে মধ্য মেয়াদকালীনও টিকে থাকতে পারবে না, তা এখন স্পষ্ট। কারণ, এর ফলে ভারতের বর্তমান গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধানে অনুমোদিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বীকৃত পদ্ধতিগুলোকেও বিকৃত করা হচ্ছে। এটি একদিকে পরিচয়-ভিত্তিক মেরুকরণকে তীব্র করছে এবং অন্যদিকে একটি সুষ্ঠু সংসদীয় গণতন্ত্রকে দখল করে ১৫০ কোটি বিভিন্ন ধরনের মানুষকে প্রলুব্ধ করার জন্য নয়া ফ্যাসিবাদী রাস্তায় চলছে।
বিকল্প পথ
সুতরাং, এখনই সময়। একটি সুস্পষ্ট বিকল্প অবশ্যই থাকতে হবে। গণতন্ত্রকে যারা মেনে চলেন, তাদের সকলের পাশাপাশি শ্রমজীবী মানুষের সকল অংশকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের প্রক্রিয়াকে অবশ্যই একটি স্পষ্ট বিকল্প গঠনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ করতে হবে, যা কেবল সংবিধানে বর্ণিত রাজনৈতিক ও সামাজিক গণতন্ত্রকে রক্ষা করবে না, বরং তার চেয়েও এগিয়ে যাবে। এই বিকল্পকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা দিতে হবে, যুব অংশ যারা জনসংখ্যার নিরিখে সর্বোচ্চ, তাদের এবং লিঙ্গ ও পরিচয় সত্তার ভিত্তিতে সকলের জন্য সমতা ও সুযোগের নিশ্চয়তা দিতে হবে।
তার পথ একটাই। তাই ভবিষ্যৎ সমাজতন্ত্রই।
প্রকাশ: ০৭-নভেম্বর-২০২৫
শেষ এডিট:: 07-Nov-25 11:40 | by 3
Permalink: https://cpimwestbengal.org/remembering-november-and-the-imperialism-of-our-time
Categories: Campaigns & Struggle
Tags: anticonstitutionnel, donaldtrump, nilotpal basu, november revolution, unemployment
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (4)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (150)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (133)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (78)
- Highlight - হাইলাইট (97)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (18)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
সমবায় প্রসঙ্গে
- ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন
“ এসো নির্মূল করি , স্বৈরাচারের ক্ষমতাকে ”
- সৌম্যদীপ রাহা
বাংলার বিকল্প পরিবেশ ভাবনা ও উন্নয়নের অভিমুখ
- সৌরভ চক্রবর্ত্তী
পশ্চিমবাংলার ক্রীড়ানীতি ও বিপল্প প্রস্তাব
- সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়
তথ্য প্রযুক্তি এ আই আমাদের রাজ্যে সম্ভাবনা
- নন্দিনী মুখার্জি
প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি
- ওয়েবডেস্ক
.jpg)




