বাম দলগুলির যৌথ বিবৃতি –মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বরখাস্ত করতে হবে

ওয়েবডেস্ক
এই তথ্যগুলি বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলোর বারবার তোলা উদ্বেগকেই নিশ্চিত করে এবং এসআইআর ও ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীভূত বলে যে দাবি করা হচ্ছিল, তার অন্তঃসারশূন্যতা উন্মোচিত করে দেয়।

পাঁচটি বামপন্থী দলের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতি:
মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বরখাস্ত করতে হবে
এসআইআর (SIR) বন্ধ করো, অন্যায়ভাবে বাদ পড়া সকলের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দাও
ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করো
তিনজন নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে দুজনের উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বরের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনটি বর্তমান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম পরিচালনার ধরন সম্পর্কে কিছু মৌলিক প্রশ্ন তুলেছে।
এই প্রশ্নগুলি শুধুমাত্র ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী এবং তার নিরপেক্ষতা ও অখণ্ডতা নিয়েও গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এগুলি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দপ্তরের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগপত্র, যার ফলে এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
তিনজন নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে দু’জন অন্তত ১৪টি ক্ষেত্রে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করা, নাম বাদ দেওয়া ও পুনর্বহাল এবং এসআইআর পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত সিদ্ধান্তের বিষয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের সম্মতি ছাড়াই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে—এ নিয়েও তাঁরা গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এই তথ্যগুলি বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলোর বারবার তোলা উদ্বেগকেই নিশ্চিত করে এবং এসআইআর ও ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীভূত বলে যে দাবি করা হচ্ছিল, তার অন্তঃসারশূন্যতা উন্মোচিত করে দেয়। দুই কমিশনার বিশেষভাবে ভোটার ডেটাবেসের ক্রমবর্ধমান কেন্দ্রীয়করণ এবং রাজ্য ও নির্বাচনী এলাকা স্তরের সাংবিধানিক আধিকারিকদের সুযোগ-সুবিধায় বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি চিহ্নিত করেছেন। এর পরিণতি কেবল প্রশাসনিক নয়। উদাহরণস্বরূপ, গোয়ায় সফটওয়্যারের বিধিনিষেধের কারণে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকরা (ERO) যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ৯৭ জন ভোটারের সিদ্ধান্ত নথিভুক্ত করতে পারেননি বলে জানা গেছে।
তিনজন নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে দুজনের উত্থাপিত বিষয়গুলি নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বরের ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনটি বর্তমান মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম পরিচালনার ধরন সম্পর্কে কিছু মৌলিক প্রশ্ন তুলেছে।
এই প্রশ্নগুলি শুধুমাত্র ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী এবং তার নিরপেক্ষতা ও অখণ্ডতা নিয়েও গুরুতর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এগুলি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দপ্তরের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগপত্র, যার ফলে এই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
তিনজন নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে দু’জন অন্তত ১৪টি ক্ষেত্রে ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করা, নাম বাদ দেওয়া ও পুনর্বহাল এবং এসআইআর পরিচালনার সঙ্গে সম্পর্কিত সিদ্ধান্তের বিষয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছেন। তাঁদের সম্মতি ছাড়াই বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে—এ নিয়েও তাঁরা গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এই তথ্যগুলি বিরোধী দল ও নাগরিক সমাজ সংগঠনগুলোর বারবার তোলা উদ্বেগকেই নিশ্চিত করে এবং এসআইআর ও ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছ এবং বিকেন্দ্রীভূত বলে যে দাবি করা হচ্ছিল, তার অন্তঃসারশূন্যতা উন্মোচিত করে দেয়। দুই কমিশনার বিশেষভাবে ভোটার ডেটাবেসের ক্রমবর্ধমান কেন্দ্রীয়করণ এবং রাজ্য ও নির্বাচনী এলাকা স্তরের সাংবিধানিক আধিকারিকদের সুযোগ-সুবিধায় বিধিনিষেধ আরোপের বিষয়টি চিহ্নিত করেছেন। এর পরিণতি কেবল প্রশাসনিক নয়। উদাহরণস্বরূপ, গোয়ায় সফটওয়্যারের বিধিনিষেধের কারণে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকরা (ERO) যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত ৯৭ জন ভোটারের সিদ্ধান্ত নথিভুক্ত করতে পারেননি বলে জানা গেছে।
অতএব, এই সমস্যাটি এসআইআর-এর পরিধি ছাড়িয়ে অনেক দূর বিস্তৃত। এটি নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা, গণতান্ত্রিক কার্যকারিতা এবং সার্বজনীন প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের মৌলিক গণতান্ত্রিক নীতির সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত। যে কোনও ব্যবস্থা যা ভোটাধিকারকে অস্বচ্ছ এবং কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভরশীল করে তোলে, তা নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর জনসাধারণের আস্থাকে ক্ষুণ্ণ করে।
নির্বাচন কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বাধীনতা আগে কখনো এতটা তলানিতে পৌঁছায়নি। প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নিয়ে কারচুপি এবং এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট করার জন্য সিইসি জ্ঞানেশ কুমারকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।
তাই বামপন্থী দলগুলির দাবি:
-
জ্ঞানেশ কুমারকে অবিলম্বে পদ থেকে অপসারণ করতে হবে।
-
এসআইআর প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ভোটার তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে বাদ পড়া সকলের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।
-
নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার করতে হবে।
-
বর্তমান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ পদ্ধতি বাতিল করে সুপ্রিম কোর্টের প্রস্তাবিত বাছাই কমিটির (প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং ভারতের প্রধান বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত) ভিত্তিতে নতুন ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
বামপন্থী দলগুলি সারা দেশের তাদের শাখা সংগঠনগুলিকে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সপ্তাহব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের আহ্বান জানাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২৬ সেপ্টেম্বর শহীদ-ই-আজম ভগত সিংহের জন্মবার্ষিকী এবং ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকী; তাঁরা উভয়েই আজীবন গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য লড়াই করে গেছেন।
আমরা সমস্ত অ-বিজেপি, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ সংগঠন এবং সচেতন নাগরিকদের এই আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
এম এ বেবি
সাধারণ সম্পাদক, সিপিআই(এম)
ডি রাজা
সাধারণ সম্পাদক, সিপিআই
দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
সাধারণ সম্পাদক, সিপিআই(এমএল)-লিবারেশন
জি দেবরাজন
সাধারণ সম্পাদক, এআইএফবি
মনোজ ভট্টাচার্য
সাধারণ সম্পাদক, আরএসপি
................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
The following is the joint statement issued by the five Left Parties:
CEC Must be Sacked
Halt SIR, Restore Voting Rights of Wrongfully Excluded
Restore Credibility of ECI
The September 23 reports in the Indian Express on the issues flagged by two of the three Election Commissioners raise certain fundamental questions about the manner in which the Election Commission has been functioning under the incumbent Chief Election Commissioner, Gyanesh Kumar.
These are not limited to the Special Intensive Revision (SIR) of electoral rolls alone. They raise grave concerns also about the functioning and integrity of the Election Commission of India. They are an indictment of the office of the CEC, which stands compromised.
Two of the three Election Commissioners have, on at least 14 occasions, recorded objections to decisions concerning voter registration, deletion and restoration of names, and the conduct of SIR. They have also raised serious concerns about decisions being taken without their consent.
The disclosures confirm concerns repeatedly raised by opposition parties and civil society organisations and expose the hollowness of claims that the SIR and electoral-roll management are transparent and decentralised. The two Commissioners have specifically flagged the gradual centralisation of the voter database and restrictions on the access of statutory officials at the state and constituency levels. The consequences are not merely administrative. In Goa, for instance, software restrictions reportedly prevented Electoral Registration Officers from recording their decisions finding 97 voters eligible.
The issue, therefore, goes far beyond SIR. It concerns the transparency and democratic functioning of the ECI and the protection of the fundamental democratic principle of universal adult franchise. Any system that makes the right to vote dependent on opaque, centrally controlled processes undermines public confidence in the electoral system.
Never before has the credibility and independence of the ECI been so low. CEC Gyanesh Kumar must be held accountable for manipulating the system and eroding people’s confidence in the institution.
The Left parties therefore demand:
- Gyanesh Kumar must be removed from office.
- Halt the SIR process. Restore the voting rights of all those who have been wrongfully excluded from the electoral rolls.
- Restore the independent and democratic functioning of the ECI.
- Replace the present system of appointment of Election Commissioners with a mechanism based on the Supreme Court’s proposed selection committee of the Prime Minister, Leader of the Opposition and Chief Justice of India.
The Left parties call upon their units throughout the country to organise week long protest from 26th September to 2nd October, where 26th September is the birth anniversary of Shaheed-e-Azam Bhagat Singh and 2nd October is the birth anniversary of Mahatma Gandhi, both of whom consistently fought for democracy and secularism.
We appeal to all non-BJP, secular, democratic opposition parties, civil society organisations and concerned citizens to join the movement.
M A Baby D Raja Dipankar Bhattacharya
General Secretary General Secretary General Secretary
CPI(M) CPI CPI(ML)-Liberation
G Devarajan Manoj Bhattacharya
General Secretary General Secretary
AIFB RSP
প্রকাশ: ২৪-সেপ্টেম্বর-২০২৬
শেষ এডিট:: 24-Sep-26 16:06 | by 4
Permalink: https://cpimwestbengal.org/joint-statement-by-left-parties-–-cec-must-be-sacked
Categories: Press Release
Tags: sir, cec, gyanesh kumar
বিভাগ / Categories
- Booklets - পুস্তিকা (5)
- Campaigns & Struggle - প্রচার ও আন্দোলন (179)
- Corporation Election - পৌরসভা নির্বাচন (6)
- Current Affairs - সাম্প্রতিক ঘটনাবলী (160)
- External Links - প্রাসঙ্গিক লিংক (4)
- Fact & Figures - তথ্য ও পরিসংখ্যান (86)
- Highlight - হাইলাইট (100)
- International - আন্তর্জাতিক (3)
- Party Documents - পার্টি পুস্তিকা (3)
- People-State - জনগণ-রাজ্য (6)
- Press Release - প্রেস বিজ্ঞপ্তি (155)
- Programme - কার্যক্রম (1)
- Truth Beneath - তথ্য (19)
- Uncategorized - অশ্রেণীভুক্ত (339)
সাম্প্রতিক পোস্ট / Latest Posts
THE DARK SIDE OF THE MOON
- অভিষেক হালদার
ফরম্যাট সি২ (রেজিনগর উপনির্বাচন ২০২৬)
- ওয়েবডেস্ক




