আদানিদের জালিয়াতিঃ সত্য গোপন করা চলবে না

Author
পলিট ব্যুরো

তদন্তের কাজ সুনিশ্চিত করতে এবং প্রকৃত সত্য আড়াল করা আটকাতে সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হবে।

Adani Affair: No Cover-up

বৃহস্পতিবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৩

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) পলিট ব্যুরোর বিবৃতি

সম্পদ ও সম্পত্তির পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানোর জন্য আদানি গোষ্ঠী শেয়ার কেনাবেচায় কারচুপি চালিয়েছে। নিজেদের সংস্থার শেয়ারের দাম বাড়িয়ে নিতে নয়া জালিয়াতির তথ্যপ্রমাণ সামনে এসেছে। অর্গ্যানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড কোরাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট সেই সকল তথ্য প্রমাণ হাজির করেছে, তার উপরে ভিত্তি করেই দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এবং দ্য গার্জিয়ান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেই প্রতিবেদনে স্পষ্ট, সংস্থার অন্যতম কর্ণধার বিনোদ আদানির দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী একাধিক ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার কেনাবেচায় কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই কেনাবেচায় বারমুডার একটি সংস্থার পুঁজিকে বিনিয়োগ হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে।

ঐ প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা হয়েছে, আদানিদের ব্যবসায় এহেন বিদেশী বিনিয়োগ প্রসঙ্গে সেবি ২০১৪ সালেই অনুসন্ধান শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে অনুসন্ধানের কাজ শেষ না করেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শেয়ার কেনাবেচায় কারচুপি ও মূলধনী সম্পত্তি সংক্রান্ত এমন বিস্তৃত জালিয়াতির তথ্য প্রমাণ সামনে আসা স্বত্বেও আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কার্যনির্বাহী সংস্থাসমূহ কিংবা কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলি কার্যত কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে আদানিদের সখ্যতা ও ঘনিষ্ঠতার সুবাদেই যে এমনটা ঘটছে সেকথা ইতিমধ্যে বারংবার প্রমাণিত হয়েছে।

জালিয়াতির ঘটনায় সামনে আসা নতুন তথ্য-প্রমাণগুলির সম্পর্কে যথাযথ তদন্ত হওয়া একান্ত প্রয়োজন। তদন্তের কাজ সুনিশ্চিত করতে এবং প্রকৃত সত্য আড়াল করা আটকাতে সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হবে।


প্রকাশ: ৩১-আগস্ট-২০২৩

বৃহস্পতিবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৩

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র পলিট ব্যুরো বিবৃতি

সম্পদ ও সম্পত্তির পরিমাণ বাড়িয়ে দেখানোর জন্য আদানি গোষ্ঠী শেয়ার কেনাবেচায় কারচুপি চালিয়েছে। নিজেদের সংস্থার শেয়ারের দাম বাড়িয়ে নিতে নয়া জালিয়াতির তথ্যপ্রমাণ সামনে এসেছে। অর্গ্যানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড কোরাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট সেই সকল তথ্য প্রমাণ হাজির করেছে, তার উপরে ভিত্তি করেই দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমস এবং দ্য গার্জিয়ান প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেই প্রতিবেদনে স্পষ্ট, সংস্থার অন্যতম কর্ণধার বিনোদ আদানির দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী একাধিক ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার কেনাবেচায় কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এই কেনাবেচায় বারমুডার একটি সংস্থার পুঁজিকে বিনিয়োগ হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে।   

ঐ প্রতিবেদনেই উল্লেখ করা হয়েছে, আদানিদের ব্যবসায় এহেন বিদেশী বিনিয়োগ প্রসঙ্গে সেবি ২০১৪ সালেই অনুসন্ধান শুরু করেছিল। পরবর্তীকালে অনুসন্ধানের কাজ শেষ না করেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

শেয়ার কেনাবেচায় কারচুপি ও মূলধনী সম্পত্তি সংক্রান্ত এমন বিস্তৃত জালিয়াতির তথ্য প্রমাণ সামনে আসা স্বত্বেও আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কার্যনির্বাহী সংস্থাসমূহ কিংবা কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাগুলি কার্যত কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। দেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে আদানিদের সখ্যতা ও ঘনিষ্ঠতার সুবাদেই যে এমনটা ঘটছে সেকথা ইতিমধ্যে বারংবার প্রমাণিত হয়েছে।   

জালিয়াতির ঘটনায় সামনে আসা নতুন তথ্য-প্রমাণগুলির সম্পর্কে যথাযথ তদন্ত হওয়া একান্ত প্রয়োজন। তদন্তের কাজ সুনিশ্চিত করতে এবং প্রকৃত সত্য আড়াল করা আটকাতে সুপ্রিম কোর্টকে হস্তক্ষেপ করতে হবে।

আপনার মতামত

এই লেখাটি সম্বন্ধে আপনার কেমন লাগলো আপনার মতামত জানতে আমরা আগ্রহী।
আপনার মতামত টি, সম্পাদকীয় বিভাগের অনুমতিক্রমে, পূর্ণ রূপে অথবা সম্পাদিত আকারে, আপনার নাম সহ এখানে প্রকাশিত হতে পারে।

This Is CAPTCHA Image

শেষ এডিট:: 31-Aug-23 23:19 | by 2
Permalink: https://cpimwestbengal.org/adani-affair-no-cover-up
Categories: Press Release
Tags: adani affair, organised crime and corruption reporting project, sebi, shell companies
শেয়ার:
সেভ পিডিএফ:



লেখক/কিওয়ার্ড