শ্রমিকের অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা

Chandan Mukhopadhyay
অসংগঠিত শ্রমিকদের জীবন যন্ত্রণা উপশমে কি আছে আমাদের আইনে? সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছে,"দারিদ্র্য অধিকংশকে  ন্যূনতম মজুরি থেকে কমে কাজ করতে বাধ্যকরে, ধারা ২৩ এইধরণের জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধ করেএবং ধারা ২৪, ১৪বছর বয়স পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় শিশু শ্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে।

দরজায় পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন।গত ১৫বছর ধরে প্রতিদিন শ্রমজীবী মানুষের জীবন যখন কেন্দ্রের বিজেপি আর রাজ্যের তৃণমূলের হাতে দুর্বিষহ হয়ে উঠছে,তখন ওরা রুটি,রুজির লড়াই থেকে চোখ সরিয়ে ধর্ম -জাতপাতের লড়াই দিয়ে ভুলিয়া রাখতে চাইছে।  এই রাজ্যে নতুন কোনো শিল্প নেই ,তারপর ৭ হাজারের ওপর কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এই ১৫ বছরে কাটমানি আর তোলাবাজির চাপে। সব অংশের শ্রমিকদের জন্যে কি ভাবছে এই বিজেপি আর তৃণমূল ? কোনো উত্তর নেই। সংগঠিত শিল্প যেটুকু টিকে আছে সেখানে শ্রমিকদের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, নতুন নতুন আইন দিয়ে। মালিকদের মুনাফার স্বার্থে কেন্দ্র এবং রাজ্যের সরকার সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই আক্রমণের সর্বশেষ শ্রমকোড বিল।

২০২০ সালে প্রায় ‘বিরোধীহীন’ রাজ্যসভায় তিনটি শ্রমবিল জোর করে পাশ করিয়ে নেয় কেন্দ্র। অনেক আগেই ৪৪টি কেন্দ্রীয় শ্রম আইনের মধ্যে ১৫টিকে ‘বর্তমান সময়ে অপ্রাসঙ্গিক’বলে চিহ্নিত করে বাতিল করে দেয় । বাকি ২৯টি শ্রমআইনকে সংস্কার করে নিয়ে আসা হয় চার নতুন শ্রমকোডের আওতায়।পুরনো নিয়মে কোনও সংস্থায় ন্যূনতম ১০০ জন কর্মী থাকলেই, ওই সংস্থায় ‘স্ট্যান্ডিং অর্ডার’কার্যকর হত। এ বার নয়াবিধিতে ন্যূনতম কর্মীসংখ্যা বাড়িয়ে ৩০০ করা হয়েছে। সংস্থার ন্যূনতম কর্মীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মালিকপক্ষ কোনো  কারণ ছাড়াই কর্মীদের বরখাস্ত বা সাসপেন্ড করার সব সুযোগ পাবে । এই শ্রমকোডের  ফলে,স্থায়ী কর্মসংস্থানের বদলে চুক্তির ভিত্তিতে শ্রমিক নিয়োগের বাড়বাড়ন্ত হবে, কাজের সময় বিভিন্ন সংস্থায় বেড়ে যাবে  যা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার উপর ভয়ংকর প্রভাব ফেলবে।

মালিকদের স্বার্থ বেশি সুরক্ষিত হওয়ার কারণে শ্রমিকরা  শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হবে।এমনকি এই শ্রমকোডে কাজের পরিবেশ এবং সুরক্ষার নিয়ম শিথিল করে  শ্রমিকদের জন্য বিপদসংকুল কাজের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে কেন্দ্রের সরকার।এর বিরুদ্ধে যখন সারাভারত জুড়ে  অধিকাংশ শ্রমিক সংগঠন সর্বাত্মক ধর্মঘট ডাকে তখন বিজেপির সাথে হাত মিলিয়ে ধর্মঘট ভাঙতে  তৃণমূল সরকার দমনপীড়নের রাস্তা নেয়।

 এই অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রতিদিন কর্মহীন মানুষের লাইন অসংগঠিত শ্রমিক হিসাবে  লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, ভূমিহীন কৃষি শ্রমিক, ভাগচাষী, জেলে, পশুপালন, বিড়ি রোলিং, লেবেলিং  প্যাকিং, ভবন ও নির্মাণ শ্রমিক, চামড়া শ্রমিক, তাঁতি, কারিগর, লবণ শ্রমিক, ইটভাটা এবং পাথর খনির শ্রমিক, সেইসাথে করাত কল এবং তেল কলের শ্রমিক ,সংযুক্ত কৃষি শ্রমিক, বন্ডেড শ্রমিক, অভিবাসী শ্রমিক,  চুক্তিবদ্ধ এবং অস্থায়ী শ্রমিক।  ধাত্রী, গৃহকর্মী, জেলে ও মহিলা, নাপিত, সবজি ও ফল বিক্রেতা, সংবাদপত্র বিক্রেতা এবং  ময়লা পরিষ্কারকারী, মাথার উপর বোঝা বহনকারী, পশুচালিত যানবাহনের চালক,  লোডার এবং আনলোডার।এছাড়াও রয়েছে মুচি, হামাল, হস্তশিল্প কারিগর,  তাঁতি, মহিলা দর্জি, শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী স্ব-কর্মসংস্থানকারী ব্যক্তি, রিকশাচালক, অটোচালক, রেশম চাষের শ্রমিক, ছুতার, ট্যানারি শ্রমিক, পাওয়ার তাঁত শ্রমিক এবং শহুরে দরিদ্র।এদের জন্যে কি করেছে  এই কেন্দ্রে বিজেপি আর রাজ্যের তৃণমূল সরকার আজ সেই প্রশ্ন করতে হবে।

এই বিরাট অসংগঠিত শ্রমিকদের জীবন যন্ত্রণা উপশমে কি আছে আমাদের আইনে? সর্বোচ্চ আদালত রায় দিয়েছে,"দারিদ্র্য অধিকংশকে  ন্যূনতম মজুরি থেকে কমে কাজ করতে বাধ্যকরে, ধারা ২৩ এইধরণের জোরপূর্বক শ্রম নিষিদ্ধ করেএবং ধারা ২৪, ১৪বছর বয়স পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় শিশু শ্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রয়েছে।ধারা ৩৯(ক) অনুসারে,রাষ্ট্র বিশেষ করে তার নাগরিকদের, পুরুষ বা মহিলা,উভয়েরই জীবিকা নির্বাহের পর্যাপ্ত উপায়ের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তার নীতি নির্দেশ করবে।"  ভারতীয় সংবিধানের ৩৯(ঘ) অনুচ্ছেদে সমান কাজের জন্য সমান মজুরির বিধান রয়েছে, যার অর্থ হল লিঙ্গ নির্বিশেষে শ্রমিকদের সমান মজুরি দেওয়া উচিত। কিন্তু বাস্তবে আজও এর উল্টোচিত্রই দেখতে পাই। প্রথম ইউপিএ আমলে বামপন্থীদের চাপে অসংগঠিত ক্ষেত্রের  শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য "অসংগঠিত শ্রমিক সামাজিক সুরক্ষা আইন ২০০৮" প্রণয়ন করে।এই আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিধান হল অসংগঠিত শ্রমিকদের নিবন্ধন(registration)প্রক্রিয়া । ২০১৪ পর মোদী সরকার সাধারণ মানুষ,গরিবের জন্য ঝুড়িঝুড়ি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপি দল সরকারে আসার আগে যার  জন্যে গলা ফাটিয়েছিলেন, সরকারে এসে  সেটাই বেমালুম ভুলে গেলেন।সুপ্রিমকোর্টের স্বতঃপ্রণোদিত মামলা ২০২০-র জুন মাসে,  "প্রবলেমঅ্যান্ড মিসিরিজ অফ মাইগ্র্যান্ট লেবার"বইতে , সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে অসংগঠিত শ্রমিক/পরিযায়ী শ্রমিকদের নিবন্ধনের জন্য একটি পোর্টাল তৈরি করার নির্দেশ দেয়। এটি ৩১ জুলাই, ২০২১ এরআগে কাজ শুরু করারএবং নিবন্ধনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া "যত তাড়াতাড়ি সম্পন্নকরতে হবে, কিন্তু ৩১.১২.২০২১ এরপরে নয়" পদ্ধতিতে। ২৯শেজুন, ২০২১ , আদালত অসংগঠিত শ্রমিকদের ডাটাবেস তৈরির ক্ষেত্রে কঠোরভাবে বলেছে : "যখন অসংগঠিত শ্রমিকরা নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষা করছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণের জন্য অপেক্ষা করছে, তখন শ্রমও কর্মসংস্থান মন্ত্রকের উদাসীনতা এবং উদাসীন মনোভাব ক্ষমার অযোগ্য।"  কেন্দ্রের বিজেপি সরকার এবং এই রাজ্যে এর জন্যে  কোনো সরকারি উদ্যোগ নেই।

 এর সাথে মজুরি সংক্রান্ত বিষয়ে বিজেপি এবং তৃণমূল সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি একই রকম ।ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখাগেছে যে, বিজেপি শাসিত তিনটি রাজ্য গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশের শ্রমিকরা জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক কম দৈনিক মজুরি পাচ্ছেন। গুজরাটের কৃষি শ্রমিকরা দৈনিক মজুরি পান ২৪১.৯ টাকা,যেখানে  জাতীয় গড় ৩৪৫.৭ টাকা। মধ্যপ্রদেশে সর্বনিম্ন মজুরি ২২১.৯টাকা। ২০২৬ সালের  ভোটের কথা মাথায় রেখে জানুয়ারি থেকে পশ্চিমবঙ্গে সংশোধিত ন্যূনতম  সর্বোচ্চ মজুরি অনুযায়ী,  দৈনিক মজুরি ₹৩৭৫ নির্ধারিত হয়েছে, এরও কোনো নজরদারি নেই। কিন্তু বাম  শাসিত কেরালা শ্রমিকদের  দৈনিক মজুরি  - কৃষি শ্রমিকদের জন্য ৭৬৪.৩ টাকাএবং নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য ৮৫২.৫টাকা। গতবছর এপ্রিলের এক আদেশে কেরালা সরকার  যে, ২০২৫-২৬সালের রাজ্য বাজেটে তাদের মজুরি আরো ৫% বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে।

গ্রামীণ দরিদ্রদের জীবিকা এবং গ্রামীণঅর্থনীতির জন্য MGNREGA   মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ধ্বংস করার জন্য একদিকে বাজেটে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে গত ২ বছরে  সিস্টেমথেকে প্রায় ৮ কোটি জবকার্ড মুছে ফেলা হয়েছে।বিজেপি সরকারের আমলে MGNREGA-এর  কর্মদিবস কখনও ৫০ অতিক্রম করেনি। গতবছর, গড় কর্মদিবস ছিল মাত্র ৪৭ দিন। আর তৃণমূল দল সেই জব কার্ড নিয়ে দুর্নীতির শিখরে পৌঁছে যায়। তারফলে দুই সরকারের লড়াইয়ে এ রাজ্যে গরিব মানুষ এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত ।

নয়া উদারবাদী নীতির প্রভাবে সর্বত্র চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক নিয়োগ চলছে। অস্থায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বাড়ছে, ন্যূনতম বেতন কোথাও দেওয়া হচ্ছে না। আর তাই এই বাংলা ছেড়ে দলে দলে কর্মহীন মানুষের দল চলেছে কেরালা, তামিলনাড়ু সহ অন্যরাজ্যে।আজ যখন বিজেপি শাসিত রাজ্যে এই বাঙালি শ্রমিকরা লাঞ্ছিত,অত্যাচারিত হচ্ছে তখন বিজেপি আর তৃণমূল নীরব।চোরেদের বাঁচানোর জন্যে মমতা ব্যানার্জির হুংকার শোনা যায়,  কিন্তু এই সব রাজ্যের সরকারের ওপর চাপ তৈরী করতে এর ভগ্নাংশ দেখিনা কেন!

আজ  অসংগঠিত শ্রমিকরা সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা যেমন- পেনশন, গ্র্যাচুইটি, শ্রমিক ক্ষতিপূরণ, কর্মচারী রাষ্ট্রীয় বীমা থেকে বঞ্চিত, কর্মসংস্থান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইন যেমন- কারখানা আইন, ১৯৪৮, শিল্প বিরোধ আইন, ১৯৪৭, চুক্তি কর্মী আইন, ১৯৭০, মাতৃত্বকালীন সুবিধা আইন, ১৯৬১ এর সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং তারা মজুরি নিয়মিততা প্রদানকারী আইন যেমন- মজুরি প্রদান আইন, ১৯৩৬ এবং ন্যূনতম মজুরি আইন, ১৯৪৮ এর সুবিধা থেকেও বঞ্চিত।সেই নিয়ে কথা নেই কেন?

 

এরই সাথে  সরকারকে যেখানে বলা হয়ে থাকে ‘আদর্শ নিয়োগকর্তা’, সেখানে রাজ্য সরকার নিজেই সরকারি, বেসরকারি সর্বত্র নতুন শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে চুক্তিতে। পুলিস বিভাগেও স্থায়ী পুলিস কমছে। সিভিক পুলিসের নামে চুক্তির ভিত্তিতে নিযুক্ত পুলিসের সংখ্যা বাড়ছে।এমনকি ব্যাংক থেকে কেন্দ্র রাজ্য সরকারি ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ বাড়ছে। স্থায়ী শ্রমিক -কর্মচারীদের কাজ অস্থায়ী চুক্তিভিত্তিক শ্রমিক, কর্মচারী, শিক্ষকদের দিয়ে করানো হচ্ছে। আর তাই শিক্ষিত বেকার যুবশক্তি জীবনধারণের জন্যে দলে দলে অসংগঠিত ক্ষেত্র ও গিগ কর্মী হিসাবে কাজ করছে।

গিগ শ্রমিকদের অবস্থা ভয়াবহ। ২০১০ সালের দিকে ভারতে গিগ অর্থনীতি শুরু  উবার, ওলা , সুইগি এবং জোমাটোর মতো  পরিষেবাগুলির প্রবেশের মাধ্যমে।এরপর এই কবছরে প্রচুর কোম্পানি  বিভিন্ন অনলাইন পরিষেবা দিতে শুরু করেছে।গিগ কর্মীদের কাজের ক্ষেত্র প্রতিদিন বাড়ছে।কিন্তু শোষণ বাড়ছে আরো বেশি।

আমাদের দেশে ২০২০- সালে ভারত সরকার একটা সোশ্যাল সিকিউরিটি কোড পাস করে , এখানেই   গিগ কর্মীর সংজ্ঞা লিখতে গিয়ে," চ্যাপ্টার ১,সেকশন ২(৩৫) কোড "অন সোশ্যাল সিকিউরিটি ২০২০" তে বলা হয়, "একজন ব্যক্তি যিনি কাজ করেন বা কাজের ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করেন এবং প্রথাগত নিয়োগকর্তা-কর্মচারী সম্পর্কের বাইরে এই ধরনের কার্যকলাপ থেকে উপার্জন করেন "৷ কিন্তু সংগঠিত তো নয়ই অসংগঠিত শ্রমিক হিসাবেও স্বীকৃতি দেয়নি সরকার ,ফলে ন্যূনতম সরকারি  সুযোগগুলো থেকেওওরা বঞ্চিত । ভারত ৭৭ লক্ষ (৭.৭ মিলিয়ন) কর্মী গিগ অর্থনীতিতে নিযুক্ত ছিলেন।২০২৯-৩০ সালের মধ্যে গিগ কর্মীর সংখ্যা ২.৩৫ কোটি (২৩.৫ মিলিয়ন) কর্মীতে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।এদের কথা কে বলবে ?

আজ এই নির্বাচনে বাম প্রগিতিশীল ফ্রন্ট  ঘোষণা করছে , সরকারে এসে ৪টি শ্রমকোড বাতিল হবে এই রাজ্যে। সব ধরণের সরকারি ক্ষেত্রে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের স্থায়ী কাজের ব্যবস্থা করা হবে। সংগঠিত এবং অসংগঠিত শ্রমিকদের দ্রুত নাম নিবন্ধনের মধ্যে দিয়ে সরকারের  সব রকম সুযোগ সুবিধা পাবার ব্যবস্থা করবে।  শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ন্যূনতম ৭০০ টাকা, সমকাজে সমমজুরি, কর্মরত নারী শ্রমিক-কর্মচারিদের জন্য ক্রেশ, তৃতীয় লিঙ্গ ও Queer শ্রমিকদের সমকাজে সমমজুরি, সামাজিক সুরক্ষা এবং কর্মীর মর্যাদা।পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের আই কার্ডের ব্যবস্থা , যেখানে কাজ সেখানে রেশনের ব্যবস্থা এবং যেখানে কাজ সেখানেই সরকারি স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।গিগ কর্মীদের আইনি সব সুযোগের ব্যবস্থা করবে। সকল অংশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার দিয়ে,তাদের দাবিগুলো পূরণ করার মধ্যে দিয়েই এই বাম বিকল্প সরকার বাংলাকে আবার ভারতবর্ষে প্রথম স্থানে দাঁড় করাবে।
প্রকাশের তারিখ: ০৬-এপ্রিল-২০২৬

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org