হিন্দুত্ববাদী অর্থনীতিতে হিন্দুদের কী লাভ? (প্রথম পর্ব)

Samik Lahiri
মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ মূলত ভারতের টেলিকম, রিটেল (খুচরো ব্যবসা) এবং তেল শোধনাগার ক্ষেত্রকে সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

বাজারে গেলে পকেটে টান পড়ে, রান্নার গ্যাসের দাম শুনলে ছ্যাঁকা লাগে, আর শিক্ষিত ছেলেটাকে চাকরির জন্য চাতক পাখির মতো অপেক্ষা করতে হয় — আজকের ভারতের কোটি কোটি মধ্যবিত্ত,নিম্নবিত্ত ও গরিব মানুষের এটাই প্রতিদিনের চেনা বাস্তব। অথচ অদ্ভুত বিষয় হলো, সাধারণ মানুষের সঞ্চয় দিন দিন শূন্য হচ্ছে, আর তাদের চোখের সামনেই দেশের দু-তিনজন শিল্পপতির সম্পদ রকেটের গতিতে বাড়ছে। আপাতদৃষ্টিতে এই শাসনব্যবস্থায় ‘আত্মনির্ভরতা’, ‘বিকাশ’ আর ‘জাতীয় গৌরবের’ জাঁকজমকপূর্ণ বিজ্ঞাপনের মোড়ক রয়েছে। কিন্তু সেই চটকদার স্লোগানের আড়ালে আসলে এমন এক সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক খেলা চলছে, যা দেশের সিংহভাগ সাধারণ মানুষকে ক্রমাগত কোণঠাসা করে দিচ্ছে এবং দেশের জল-জঙ্গল-জমি আর বিপুল সম্পদ তুলে দিচ্ছে মাত্র মুষ্টিমেয় কয়েকজন কর্পোরেট ধনকুবেরের হাতে। সমসাময়িক পরিভাষায় এই বিশেষ মডেলটিকেই অনেকে ধর্মীয় রাজনীতির আড়ালে থাকা লুটেরা পুঁজিবাদের রাজত্ব বলে চিহ্নিত করছেন।

হিন্দুত্ববাদী অর্থনীতি, যা সমসাময়িক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আলোচনায় প্রায়শই লুটেরা পুঁজিবাদ (Crony Capitalism) এবং নব্য-উদারবাদের (Neo-liberalism) এক বিশেষ রূপ হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই অর্থনৈতিক নীতি গত এক বা দেড় দশকে ভারতের অর্থনৈতিক কাঠামোকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। আপাতদৃষ্টিতে এই অর্থনৈতিক দর্শনে ‘আত্মনির্ভরতা’, ‘বিকাশ’ এবং ‘উগ্র জাতীয়তাবাদী গৌরব’-এর স্লোগান দেওয়া হলেও, এর ভেতরের বাস্তব চিত্রটি কিন্তু অন্যরকম। বিভিন্ন পরিসংখ্যান এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই মডেলটি মূলত দেশের সিংহভাগ গরিব ও মধ্যবিত্ত মানুষকে কোণঠাসা করে দিয়েছে এবং মুষ্টিমেয় কয়েকজন কর্পোরেট পুঁজিপতির হাতে দেশের বিপুল সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছে।

স্লোগান বনাম বাস্তবতা

যে কোনো দেশের অর্থনীতির মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত সমবণ্টন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন। কিন্তু বিগত এক দশকে ভারতে হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দর্শনের সমান্তরালে যে বিশেষ অর্থনৈতিক মডেল গড়ে উঠেছে, তা মূলত ‘জাতীয়তাবাদী আবেগ এবং পুঁজিপতিদের স্বার্থের এক যুগলবন্দী’। একদিকে রাম মন্দির, উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং সাংস্কৃতিক পুনরুত্থানের আবেগে সাধারণ মানুষকে আচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে; অন্যদিকে পর্দার আড়ালে দেশের সম্পদ ও নীতিসমূহকে এমনভাবে চালনা করা হচ্ছে যাতে কেবল তুমুল ধনী কয়েকটি নির্দিষ্ট কর্পোরেট গোষ্ঠী লাভবান হয়। এর প্রত্যক্ষ শিকার হচ্ছেন দেশের কৃষক, শ্রমিক, নিম্নবিত্ত এবং বেতনভোগী মধ্যবিত্ত সমাজ।

সম্পদের চরম অসম বণ্টন

হিন্দুত্ববাদী অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো সম্পদের অপরিসীম বৈষম্য। আন্তর্জাতিক সংস্থা অক্সফাম (Oxfam) এবং থমাস পিকেটির ‘ওয়ার্ল্ড ইনইকুয়ালিটি ল্যাব’ (World Inequality Lab)-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলো ভারতের এই ভয়াবহ চিত্রটি তুলে ধরেছে।

২০২৩-২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতের শীর্ষ ১ শতাংশ ধনীর হাতে দেশের মোট সম্পদের ৪০ শতাংশেরও বেশি সম্পদ পুঞ্জীভূত রয়েছে। এটি ব্রিটিশ আমলের বৈষম্যের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। অথচ দেশের অর্থনীতির মাপকাঠিতে পিছিয়ে পড়া বা নিচের দিকে থাকা ৫০ শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে দেশের মোট সম্পদের মাত্র ৬ শতাংশ বা তারও কম।

২০১৪ সালে ভারতে যেখানে বিলিওনিয়ারের (১০০ কোটি মার্কিন ডলার) সংখ্যা ছিল ১০৯ জন, বর্তমানে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৩০৮ জন হয়েছে। কোভিডের সময়ে ভারতের এই বিলিওনিয়ারদের মোট সম্পদ ২৩.১৪ লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫৩.১৬ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছায়। এই সময়েই যখন দেশের কোটি কোটি মানুষ কাজ ও আয় হারিয়েছেন, তখন Oxfam-এর রিপোর্ট অনুযায়ী তাদের সম্পদ প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩,৬০০ কোটি টাকা করে বেড়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে যখন কোটি কোটি মানুষ কাজ ও আয় হারিয়েছিলেন, তখন Oxfam-এর তথ্য অনুযায়ী, মুকেশ আম্বানির সম্পদ বৃদ্ধির হার ছিল দিনে প্রায় ২,০০০ কোটির টাকারও বেশি। আর গৌতম আদানির সম্পদ ২০২১ সালে প্রায় loomberg Billionaires Index উদ্ধৃত করে Oxfam উল্লেখ করে যে, আনুমানিক ৩ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বৃদ্ধি হয়েছিল। দৈনিক গড় সম্পদ বৃদ্ধির হিসাব করলে প্রায় ৮০০–১,০০০ কোটি টাকা ছিল। এইসব পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, এই অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি (Growth) যা হচ্ছে, তা কোনো নীচের তলার মানুষের কাছে এমনকি চুঁইয়ে পড়ে (Trickle-down) সামান্য অংশও নিচের তলার মানুষের কাছে আসছে না। সম্পদ ওপরের স্তরেই আটকে থাকছে এবং সাধারণ মানুষের পকেট থেকেই তা লুট হচ্ছে।

লুটেরা পুঁজিবাদ ও মুষ্টিমেয়র রাজত্ব

হিন্দুত্ববাদী অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হলো রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে গড়ে ওঠা একচেটিয়া পুঁজিবাদ। অর্থনীতিবিদদের মতে হাতে গোনা কয়েকটি শিল্প গোষ্ঠী (Conglomerate Capitalism) দেশের অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে। অর্থনীতিতে ‘কংগ্লোমারেট’ বলতে এমন একটি বিশাল কর্পোরেট সংস্থাকে বোঝায়, যারা নানা ধরনের ব্যবসা একসঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করে। যখন কোনো দেশের অর্থনীতিতে এই ধরনের দু-তিনটি বিশাল বহুমুখী কর্পোরেট গোষ্ঠী পুরো বাজার ও রাষ্ট্রীয় নীতিকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তখন সেই ব্যবস্থাকে বলা হয় ‘কংগ্লোমারেট ক্যাপিটালিজম’ – যেমন আম্বানি বা আদানি শিল্পগোষ্ঠী আমাদের দেশে করছে।

ভারতের বিমানবন্দর, বন্দর, কয়লা খনি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, গ্রিন এনার্জি এবং টেলিকম খাতের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ এখন মাত্র দুটি বা তিনটি বড় কর্পোরেট হাউসের বিশেষত আদানি ও আম্বানি গ্রুপের হাতে। গৌতম আদানির নেতৃত্বাধীন আদানি গ্রুপ গত এক দশকে ভারতের বন্দর, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ এবং এনার্জি খাতের সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

ক) ভারতের বিমানবন্দরগুলি বেসরকারীকরণের পর আদানি গ্রুপ রাতারাতি দেশের বৃহত্তম বেসরকারি বিমানবন্দর পরিচালনাকারী সংস্থায় পরিণত হয়েছে। ভারতের মোট বিমানবন্দর যাত্রী পরিবহনের প্রায় ২৩ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশ এবং বিমানবাহিত পণ্য পরিবহনের (Air Cargo) প্রায় ৩৩ শতাংশ আদানি এয়ারপোর্টস-এর নিয়ন্ত্রণে। মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এর মতো দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দরসহ আহমেদাবাদ, লখনউ, জয়পুর, গুয়াহাটি, তিরুবনন্তপুরম এবং ম্যাঙ্গালোর বিমানবন্দরের ১০০ শতাংশ পরিচালনা ও উন্নয়নের দায়িত্ব এদের হাতে।

খ) ভারতের সমুদ্র বাণিজ্যের প্রবেশদ্বারগুলো এখন মূলত আদানি পোর্টস (APSEZ)-এর নিয়ন্ত্রণে। ভারতের মোট বাণিজ্যিক বন্দর ক্ষমতার (Port Capacity) প্রায় ২৪-২৫ শতাংশ আদানি গ্রুপের দখলে। ভারতের বৃহত্তম বেসরকারি বন্দর গুজরাটের ‘মুন্দ্রা’, ওড়িশার ধামরা, অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষ্ণপত্তনম, তামিলনাড়ুর কট্টুপল্লী, কেরালার ভিজিনজাম আন্তর্জাতিক গভীর সমুদ্র বন্দরসহ মোট ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এই গ্রুপ একাই নিয়ন্ত্রণ করে।

গ) বেসরকারি ক্ষেত্রের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা হলো আদানি পাওয়ার, যার উৎপাদন ক্ষমতা  ১৫,২৫০ মেগাওয়াট (MW)। ভারতের কয়লা আমদানির একটি বিশাল অংশ এই গ্রুপের হাত দিয়ে হয়। এছাড়া ছত্তিশগড় এবং ওড়িশার বেশ কিছু বড় সরকারি কয়লা খনির ‘মাইন ডেভেলপার অ্যান্ড অপারেটর’ (MDO) হিসেবে আদানি গ্রুপ খনি উত্তোলনের কাজ সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

ঘ) আদানি গ্রিন এনার্জি (AGEL) ভারতের অন্যতম বৃহত্তম নবীকরণযোগ্য শক্তি উৎপাদনকারী সংস্থা। রাজস্থানের খাটু-তে তারা ২০,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিশ্বের বৃহত্তম পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি পার্ক তৈরি করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে তাদের লক্ষ্য ৪৫,০০০ মেগাওয়াট গ্রিন এনার্জি উৎপাদন করা।

মুকেশ আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ মূলত ভারতের টেলিকম, রিটেল (খুচরো ব্যবসা) এবং তেল শোধনাগার ক্ষেত্রকে সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

ক) ২০১৬ সালে জিও (Jio)-র আত্মপ্রকাশের পর ভারতের টেলিকম ক্ষেত্রের চেহারাটাই বদলে গেছে। তীব্র প্রতিযোগিতায় ভোডাফোন-আইডিয়া প্রায় ধুঁকছে এবং এয়ারটেল দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ভারতের টেলিকম বাজারের প্রায় ৪৫ শতাংশ গ্রাহক এককভাবে জিও-র দখলে। দেশের ৪জি এবং ৫জি ডেটা ট্রাফিকের সিংহভাগই জিও-র নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল। ইন্টারনেট ও ডিজিটাল পরিষেবার ক্ষেত্রে বিশাল আধিপত্য বিস্তার করেছে এই শিল্পগোষ্ঠী। আর সরকার গত ২ দশক ধরে সরকারি টেলিকম কোম্পানি বিএসএনএল-কে প্রায় মেরে ফেলেছে শুধুমাত্র আম্বানির ব্যবসা যাতে বিনা প্রতিযোগিতায় বাজার দখল করতে পারে তার জন্য।

খ) গুজরাটের জামনগরে অবস্থিত রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারটি বিশ্বের বৃহত্তম একক-স্থানে অবস্থিত শোধনাগার যার ক্ষমতা উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ১.২৪ মিলিয়ন ব্যারেল (প্রায় ১৯.৭১ কোটি লিটার)। ভারতের পেট্রোকেমিক্যালস বাজারের সিংহভাগ এবং পলিমার ও পলিয়েস্টার উৎপাদনের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করে রিলায়েন্স।

গ) টেলিকমের পাশাপাশি আম্বানি গ্রুপ ভারতের সংগঠিত খুচরো বাজারেও এক নম্বর শক্তি। ‘রিলায়েন্স রিটেল’ছাতার তলায় ভারতের বৃহত্তম খুচরো বিক্রেতা চেইন হলো রিলায়েন্স ফ্রেশ, ডিজিটাল, ট্রেন্ডস ইত্যাদি। দেশজুড়ে এদের ১৮,০০০-এরও বেশি স্টোর রয়েছে এবং দেশের সংগঠিত খুচরো বাজারের একটি বিরাট অংশ এদের নিয়ন্ত্রণে।

৩. ভবিষ্যতের সবচেয়ে লাভজনক ক্ষেত্র অর্থাৎ গ্রিন হাইড্রোজেন ও ক্লিন এনার্জি-র বাজারেও এই দুটি গ্রুপই ভারতের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের পকেটে ভরছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই ক্ষেত্রে আদানি এবং রিলায়েন্স যৌথভাবে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৯.৬ লক্ষ কোটি টাকা) বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। সেক্ষেত্রে দেশের গ্রিন হাইড্রোজেন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার সিংহভাগই এই দুটি কোম্পানির কারখানা থেকে আসবে।

৪. মিডিয়া ও বিনোদন (Media & Entertainment) ভারতের তথ্যের উৎস বা মিডিয়া জগৎ-ও এই দুই ধনকুবের গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। রিলায়েন্সের হাতে রয়েছে ‘নেটওয়ার্ক ১৮’ এবং সম্প্রতি ডিজনি-স্টারের সাথে তাদের মেগা-মার্জারের পর ভারতের টিভি ও ওটিটি (OTT) বাজারের প্রায় ৪০-৫০ শতাংশ তাদের দখলে। অন্যদিকে, আদানি গ্রুপ ‘এনডিটিভি’এবং ‘বিডব্লিউ কিউ’ অধিগ্রহণ করে সংবাদ মাধ্যমে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেছে।

অর্থনীতিবিদরা একেই ‘ডুওপলি’ (Duopoly) বা দুই গোষ্ঠীর একচেটিয়াবাদ বলছেন। যখন একটি দেশের বিমানবন্দর দিয়ে কারা যাতায়াত করবে, কোন বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি হবে, বাড়িতে কোন বিদ্যুতের আলো জ্বলবে, ফোনে কোন নেটওয়ার্ক চলবে, টিভি বা মোবাইলে মানুষ কী খবর দেখবে এবং রান্নাঘরে কোন ব্র্যান্ডের তেল-আটা ব্যবহার হবে — এই সমস্ত কিছু ঘুরেফিরে মাত্র দুটি কর্পোরেট বোর্ডের সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে, তখন দেশের সাধারণ মানুষের স্বাধীনতা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বেঁচে থাকার রসদ মারাত্মকভাবে বিপন্ন হয়ে পড়বে। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে যে, ভারতের সম্পদ আজ কীভাবে মুষ্টিমেয় কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়েছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি ৩ টি পর্বে প্রকাশিত হবে
(দেশহিতৈষী পত্রিকায় প্রতিবেদনটি প্রকাশিত)


প্রকাশের তারিখ: ২০-জুন-২০২৬

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org