আরএসএস বলে কিছু নেই! (৫ম পর্ব)

Amrita Singha
সঙ্ঘের উপস্থিতি একদিনে গড়ে ওঠেনি। দেশভাগের আগে, এই এলাকায় উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনসংখ্যা ছিল। দেশভাগের পরের বছরগুলোতে, পাঞ্জাবী হিন্দু শরণার্থীদের আগমন এবং একটি ক্রমবর্ধমান দলিত কলোনির পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি, এবং ছোট ছোট প্রেস ও প্রকাশনা সংস্থা গড়ে ওঠার সাথে সাথে এর জনসংখ্যার গঠন বদলে যায়। 

একটি জবাবদিহি-বিহীন সংগঠনের গোপন কাঠামোর মানচিত্র (৫ম পর্ব)

‘দ্য ক্যারাভান’ ওয়েবজিনে ১ জুলাই, ২০২৫ সংখ্যায় প্রকাশিত

অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে, ঝান্ডেওয়ালা ছিল একটি ঘন জঙ্গলে ঢাকা এলাকা যেখানে প্রচুর বন্যপ্রাণী বাস করত। আশেপাশের এলাকা থেকে যারা এখানে প্রায়ই আসতেন তাদের মধ্যে ছিলেন চাঁদনী চকের একজন বিশিষ্ট কাপড়ের ব্যবসায়ী ‘বদ্রী ভগত দাস’। একদিন, জঙ্গলে বসে ধ্যান করার সময়, দাসের দিব্যদর্শন হয়, যেখানে তিনি দেখতে পান একটি প্রাচীন মন্দির একটি ঝরনার পাশের গুহার নিচে চাপা পড়ে আছে। পরে, স্বপ্নে তিনি একই এলাকায় একটি মন্দির দেখেন এবং তা খুঁজে বের করার অনুপ্রেরণা পান। এই দিব্যদর্শনের উপর ভিত্তি করে তিনি খনন শুরু করেন এবং একটি দেবীর মূর্তি খুঁজে পান, যা খননের সময় ভেঙে যায়। তিনি একটি নতুন মূর্তি স্থাপন করেন এবং তার চারপাশে একটি মন্দির নির্মাণ করেন, যার উপরে একটি বড় পতাকা উড়িয়ে দেওয়া হয়। এই পতাকা, বা ঝান্ডা, মন্দির এবং এলাকার নামকরণের কারণ হয়ে ওঠে।  এই ইতিহাস বদ্রী ভগত ঝান্ডেওয়ালান মন্দির সোসাইটির ওয়েবসাইটে লেখা আছে, যারা মন্দিরটি পরিচালনা করে। বি.বি.জে.টি.এস, ‘কেশব কুঞ্জ’ যেখানে অবস্থিত সেই জমিটি লিজ নিয়েছিল। এর বর্তমান নেতৃত্বের প্রোফাইল থেকে বোঝা যায় সঙ্ঘ পরিবার মন্দিরের কাজকর্মে কতটা গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন চম্পত রাই - বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সহ-সভাপতি এবং ‘শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র’-এর সাধারণ সম্পাদক, যে ট্রাস্টটি অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ তদারকি করেছিল; বজরং লাল বাগরা - ভিএইচপির মহাসচিব; এবং কুল ভূষণ আহুজা - সঙ্ঘের দিল্লি প্রান্তের প্রাক্তন প্রধান, যিনি আহুজা সন্স শাল চেইনের মালিক এবং ডিমনিটাইজেশনের পর ১৭ কোটি টাকা পুরোনো নোট জমা দেওয়ার জন্য তদন্তে পড়েছিলেন। (আহুজা অবশ্য বলেছিলেন যে তদন্তে তার বিরুদ্ধে কিছু পাওয়া যায়নি)। ট্রাস্টের সভাপতি নবীন কাপুর, প্রতিষ্ঠাতা দাস পরিবার থেকে, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী দ্বারা একটি আর.এস.এস-সম্পর্কিত একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত হয়েছেন। 

ঝান্ডেওয়ালান মন্দির থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ১০৮ ফুট উঁচু শ্রী সঙ্কট মোচন ধাম। করোল বাগ বা দিল্লি মেট্রোর ঝান্ডেওয়ালান স্টেশন দিয়ে যারা যান তাদের জন্য এই মন্দিরটি মিস করা অসম্ভব। দিল্লি নিয়ে তৈরি সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই বিশাল কমলা হনুমান মূর্তিটি এলাকার আকাশকে দখল করে আছে, যার উপরের অংশটি কিছুটা বাঁকানো নিচের চৌরাস্তার দিকে মুখ করে। 

হনুমান মন্দিরের পেছনের কিংবদন্তিটি ঝান্ডেওয়ালার উৎপত্তি গল্পের মতোই - এবং অযোধ্যার রাম মন্দিরের মতোই - একটি হিন্দু দেবতা কারও স্বপ্নে আসার সাথে সম্পর্কিত। গল্প অনুযায়ী, সেবাগির নামের একজন সন্ন্যাসী তখনকার একটি সাধারণ শিব মন্দিরের জায়গায় ধ্যান করছিলেন, যখন হনুমান তাকে তার প্রতিমূর্তিতে একটি বিশাল মূর্তি নির্মাণের নির্দেশ দেন। নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৯৪ সালে এবং শেষ হতে ১৩ বছর লাগে। 

হনুমান মন্দির পরিচালনা করে যে ট্রাস্ট, তার সভাপতি ওম প্রকাশ গিরি আমাকে বলেছিলেন যে, যদিও মূর্তিটি নতুন, মন্দিরটি দুশো বছরের পুরনো। তিনি আমাকে একটি ম্যাগাজিন দিয়েছিলেন যা ট্রাস্ট এই বছর আমার গবেষণায় সাহায্য করার জন্য প্রকাশ করেছে। এতে বিজেপি সাংসদ বান্সুরি স্বরাজ ও মনোজ তিওয়ারি এবং এস.কে.এস.এস ও ভিএইচপির সভাপতি অলোক কুমারের সমর্থনমূলক বক্তব্য ছিল। গিরি বলেছিলেন যে তিনি আর.এস.এস-এর সদস্য এবং ‘কেশব কুঞ্জ’ শাখায় যেতেন, কিন্তু জোর দিয়ে বলেছিলেন যে, যদিও ঝান্ডেওয়ালা মন্দির সঙ্ঘের, হনুমান মন্দিরটি ‘স্বাধীন’। 

একসাথে, এই দুটি মন্দির এবং কেশব কুঞ্জ কমপ্লেক্স ধর্মীয় ও রাজনৈতিক লক্ষ্যের সমন্বয়ে এই এলাকায় সঙ্ঘের দীর্ঘস্থায়ী একত্রীকরণের বস্তুগত প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। করোল বাগে, অন্য জায়গার মতোই, আর.এস.এস মন্দির ট্রাস্টগুলিকে প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার কেন্দ্রে রূপান্তরিত করতে পেরেছে, যা জমির উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে আইনি তদন্ত এড়াতে সক্ষম। ২০১৭ সালে, দিল্লি হাইকোর্ট হনুমান মন্দিরের জমি রেকর্ড তদন্তের নির্দেশ দেয়, পাবলিক জমি দখল এবং আর্থিক তথ্য প্রকাশ না করার জন্য এটিকে সমালোচনা করে। দিল্লি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি এবং পৌর কর্পোরেশন আদালতকে জানিয়েছিল যে মন্দির বা ট্রাস্ট কোনওটিই তাদের সম্পত্তি কর দেয়নি। “ফুটপাথে অবৈধ দখলে দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করলে কি ঈশ্বরের কাছে পৌঁছাবে”? বেঞ্চ জিজ্ঞাসা করেছিল। 

‘এখানে সবকিছুই সঙ্ঘের’, রাঠোড় আমাকে কেশব কুঞ্জের কথা বলতে গিয়ে বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন যে সঙ্ঘ ঝান্ডেওয়ালা মন্দির চত্বরের ভিতরে একটি বিল্ডিংও ব্যবহার করে। সচদেব একমত ছিলেন যে ঝান্ডেওয়ালা মন্দির সঙ্ঘের, ‘কারণ সেখানে যারা কাজ করে তারা সবাই আর.এস. এস কর্মী”। পাণ্ডে বলেছিলেন, “মন্দির আমাদের অধীনে এবং আমরা মন্দিরের অধীনে”। ভিএইচপির দিল্লি ইউনিটের নিবন্ধিত ঠিকানা মন্দিরের দ্বিতীয় তলা। 

আর.এস.এস এবং বি.বি.জে.টি.এস’-এর মধ্যে সম্পর্ক ঝান্ডেওয়ালার সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই সম্প্রসারণ বেশ কয়েকটি হয়রানির অভিযোগের সাথে যুক্ত। এলাকার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা আমাকে বলেছিলেন কিভাবে তারা তাদের সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এমনকি ঝান্ডেওয়ালা এলাকা ও তার আশেপাশের অনেক ছোট মন্দিরও, তারা বলেছিলেন, বি.বি.জে.টি.এস’-এর অধীনে নেওয়া হয়েছে বা হবে। এটি স্থানীয় অর্থনীতিকেও প্রভাবিত করেছে। জিতেন্দ্র, যার পরিবার প্রায় ত্রিশ বছর ধরে মন্দিরের কাছে পূজার সরঞ্জামের দোকান চালাচ্ছে, আমাকে বলেছিলেন যে প্রতিবেশী অনেক বাড়ি বছরের পর বছর ধরে খালি হয়ে গেছে। তিনি বলেছিলেন যে দোকানদাররা আগে মন্দিরে নিজের থেকেই উপহার/দান দিত, কিন্তু এখন মন্দির শুধু ভক্তদের কাছ থেকে টাকা নিতে আগ্রহী। আহুজা এমনভাবে ঘুঁটি সাজিয়ে নিশ্চিত করেছিলেন যাতে দোকানদারদের ট্রাস্টের সম্পত্তি দখলকারী হিসেবে বর্ণনা করা যায়। বি.বি.জে.টি.এস বিভিন্ন বাসিন্দার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা দায়ের করেছে।

আমি জিতেন্দ্রকে জিজ্ঞেস করলাম, এলাকায় আরএসএসের দখদারিত্ব সম্পর্কে তার কী মনে হয়। তিনি বললেন, “যারা আমাদের পেটে লাথি মারে, তাদের সম্পর্কে আমরা অন্য কী অনুভব করব”? এখন তার আয় খুবই কম। যখন আমি জিজ্ঞেস করলাম, এই এলাকার মানুষ কি সবসময় আরএসএসকে সমর্থন করে এসেছে, তিনি উত্তর দিলেন, “আমি জানি না, কিন্তু মানুষ অসন্তুষ্ট”।

ঝান্ডেওয়ালান মন্দির তত্ত্বাবধানে একটি ক্লিনিকও রয়েছে, যা এখনও নির্মাণাধীন। এটি স্বামী বিবেকানন্দ স্বাস্থ্য মিশন দ্বারা পরিচালিত হয়। প্রবেশ করলে, বাম দিকের একটি কক্ষের কাচের দরজা দিয়ে দেওয়ালে হেডগেওয়ারের একটি ছবি দেখা যায়। ডান দিকে, করিডোরের সামনে, হেডগেওয়ার, গোলওয়ালকর এবং ভারত মাতার বড় প্রতিকৃতি টাঙানো আছে। তাদের বিপরীতে একটি ছোট মন্দির রয়েছে। ম্যানেজার সমীর পাত্র আমাকে হাসপাতাল সংক্রান্ত সব প্রশ্ন বি.বি.জে.টি.এস-এর কাছে নিয়ে যেতে বললেন। তিনি বললেন, “এটা তাদের বিল্ডিং, তাদের সেটআপ, আমরা শুধু সহায়তা দিই - ডাক্তার, কর্মচারী, স্টাফ। আমাদের সিস্টেম আলাদা”। যেটা তিনি বললেন, তাতে দাঁড়ায় এস.ভি.এইচ.এম হচ্ছে আর.এস.এসের অংশ, তারাই সব খরচ বহন করে, কিন্তু ‘মন্দির ট্রাস্ট’ বিল্ডিং এবং এর সব সুবিধার মালিক। “তারা যেভাবে বলে, আমরা সেভাবে পরিচালনা করি”। দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের একজন নিউরোলজিস্ট, শরদ পাণ্ডে, ক্লিনিকটি তদারকি করছেন। ম্যানেজারের মন্তব্য এবং অন্যান্য ইঙ্গিত সত্ত্বেও, পাণ্ডে বললেন, “এটা নয় যে তারা চালায়, কিন্তু এটি তাদের চিন্তাধারার। এটা একটি অনুরূপ সংগঠন”।

অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও এই এলাকায় সঙ্ঘের কাজ চালিয়ে যায়। আর.এস.এস-সম্পর্কিত থিংক ট্যাঙ্ক দীনদয়াল গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা সঙ্ঘের মতাদর্শিক নানাজী দেশমুখ ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেমিনার ও আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে ‘সামাজিক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায়’, এবং এটি মন্দির ও কেশব কুঞ্জ থেকে এক কিলোমিটারেরও কম দূরে অবস্থিত। 

ঝান্ডেওয়ালানে সঙ্ঘের উপস্থিতি একদিনে গড়ে ওঠেনি। দেশভাগের আগে, এই এলাকায় উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনসংখ্যা ছিল। দেশভাগের পরের বছরগুলোতে, পাঞ্জাবী হিন্দু শরণার্থীদের আগমন এবং একটি ক্রমবর্ধমান দলিত কলোনির পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি, এবং ছোট ছোট প্রেস ও প্রকাশনা সংস্থা গড়ে ওঠার সাথে সাথে এর জনসংখ্যার গঠন বদলে যায়। 

নাগপুর থেকে নেতাদের (যারা পরে প্রচারক হয়েছিলেন) আগমনের সাথে, একত্রীকরণের জোয়ার শুরু হয়। এই এলাকায় সঙ্ঘের প্রথম অফিস, বিড়লা মন্দিরের কাছে, জাতীয় রাজধানীতে এর রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়। এদিকে, গান্ধীও এই এলাকায় প্রায়ই আসতেন, দলিত কলোনির বাল্মীকি মন্দিরে থাকতেন। করোল বাগ ও সংলগ্ন দরিয়াগঞ্জের বিকাশমান মুদ্রণ শিল্পের অবস্থানের ফলে এটা পাবলিক ন্যারেটিভ গঠনের ক্ষেত্র একটি মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে পরিণত হয়, যার মধ্যে আর.এস.এস-সংক্রান্ত বিষয়ও ছিল। এই ক্যারাভান ম্যাগাজিনের মালিক ‘দিল্লি প্রেস’ এখনও একই এলাকা থেকে কাজ করছে। আমাদের অফিস থেকে, আমরা গত দশকে আর.এস.এস-এর নতুন সদর দপ্তর গড়ে উঠতে দেখেছি। 

১৯৩৬ সালে, বসন্তরাও ওকে(OKE) রাজধানীতে আসেন। তিনি ছিলেন নাগপুর থেকে বিভিন্ন শহরে পাঠানো বেশ কয়েকজন নেতার মধ্যে একজন, যাদের কাজ ছিল সারা দেশে আর.এস.এস-এর ভিত্তি প্রসারিত করা। তাদের কাজের একটি মূল ফোকাস ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহরগুলো, যেখানে শিক্ষিত যুবকদের প্রধান টার্গেট হিসেবে দেখা হত, পাশাপাশি ছিল উচ্চবর্ণের ব্যবসায়ী ও পণ্যব্যবসায়ীরা। ওকে, একজন চিত্পাবন ব্রাহ্মণ যিনি আগে হেডগেওয়ারের সেক্রেটারি ছিলেন, তাকে কংগ্রেস, হিন্দু মহাসভা এবং এমনকি মুসলিম লিগের সদস্যদের সাথেও সংযোগ স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, একটু প্রতিষ্ঠা অর্জনের জন্য। তিনি স্থানীয় প্রভাবশালী ও ধনীদের সাথে যোগাযোগ করলেন। তার প্রাথমিক মিত্রদের মধ্যে ছিলেন জুগল কিশোর বিড়লা, একজন শিল্পপতি যার পরিবার মন্দির ও হিন্দু কার্যক্রমে পৃষ্ঠপোষকতার দীর্ঘ ঐতিহ্য ছিল। বিড়লা OKE-কে তার প্রথম সফল নিয়োগ করতে সাহায্য করলেন। ‘ওকে’ আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে সক্ষম হন, যেটা হচ্ছে সঙ্ঘের প্রাথমিক কার্যক্রমের জন্য জায়গা পেতে। এই জায়গাটা হিন্দু মহাসভার সদর দপ্তরে, বিড়লা মন্দিরের (এখন মন্দির মার্গে ‘লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দির’ নামে পরিচিত) কাছে। এটা আজকের ‘কেশব কুঞ্জ’ থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।


বাংলা ভাষান্তরঃ অঞ্জন মুখোপাধ্যায়

প্রকাশের তারিখ: ২২-আগস্ট-২০২৫

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org