|
আরএসএস বলে কিছু নেই! (৪র্থ পর্ব)Amrita Singha |
গুপ্তা বললেন, “আমাদের সংগ্রহ করার জন্য একটি কেন্দ্র ছিল, একদিনে একটি শাখা যত টাকা সংগ্রহ করত, পরের দিন তা সেই কেন্দ্রে জমা দেওয়া হত। জেলা স্তরে যে পরিমাণ সংগ্রহ করা হত - সেটাও আমরা জানি না। ওটা সরাসরি ব্যাংকে জমা দেওয়া হত”। |
একটি জবাবদিহি-বিহীন সংগঠনের গোপন কাঠামোর মানচিত্র (৪র্থ পর্ব) ‘দ্য ক্যারাভান’ ওয়েবজিনে ১ জুলাই, ২০২৫ সংখ্যায় প্রকাশিত ‘এসকেএসএস’ নামক সংস্থাটি, জুলাই ২০১৭ সালে ‘অস্থাবর সম্পত্তি ভাড়া দেওয়ার’ জন্য জিএসটি শাসনের অধীনে নিবন্ধিত হয়েছিল, কিন্তু মার্চ ২০১৯ সালে কোনও অজ্ঞাত কারণে এর জিএসটি নম্বর বাতিল করা হয়েছিল। নির্মাণ তত্ত্বাবধানকারী আর.এস.এস কর্মকর্তা রবিন্দর গোয়েল এ সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছিলেন, বলেছিলেন যে তিনি এখন তৃতীয় টাওয়ার নিয়ে ব্যস্ত আছেন (যার বাহ্যিক অংশ এখন বেশিরভাগই সম্পূর্ণ বলে মনে হয়)। এটা স্পষ্ট নয় যে বর্তমানে জিএসটি দেওয়া হয় কিনা এবং যদি দেওয়া হয়, তাহলে কে দেয়? যখন আমি কুমারকে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি শুধু মাথা নেড়ে ইঙ্গিত করলেন যে তিনি জানেন না। এস.কে.এস.এস-এর কোনও ওয়েবসাইট বা অনলাইন দান পোর্টাল নেই, এবং এর তহবিল সংগ্রহ অভিযান কখনই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। কুমার আমাকে বলেছিলেন যে অর্থ সংগ্রহের জন্য দুটি অভিযান হয়েছিল, এবং ‘বাকিটা ধারাবাহিকভাবে চলছিল’। এর দ্বারা তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, “বিভিন্ন পর্যায়ে, বিভিন্ন লোক ভাববে ‘আমাদের এত টাকা দরকার। আমরা এটা কোথা থেকে জোগাড় করব’”? তারা সংঘের সাথে যুক্ত লোকজনদের কাছেই যেত। এসকেএসএস-এর এত প্রচার বিমুখতা সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, “আমরা অপরিচিতদের কাছে যাইনি, আমরা প্রচারে আগ্রহী নই”। গুপ্তাও আমাকে বলেছিলেন যে ২০১৬ সালের পরে দুটি পর্যায়ে অবদান সংগ্রহ করা হয়েছিল। তিনি তার ইউনিট কত টাকা সংগ্রহ করেছে তা জানাতে করতে অস্বীকার করেছিলেন। সচদেব অনুমান করেছিলেন যে শুধুমাত্র করোল বাগ ইউনিটই ৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল। গুপ্তা বললেন, “আমাদের সংগ্রহ করার জন্য একটি কেন্দ্র ছিল, একদিনে একটি শাখা যত টাকা সংগ্রহ করত, পরের দিন তা সেই কেন্দ্রে জমা দেওয়া হত। জেলা স্তরে যে পরিমাণ সংগ্রহ করা হত - সেটাও আমরা জানি না। ওটা সরাসরি ব্যাংকে জমা দেওয়া হত”। আরএসএস বিশ্বাস করে না যে তার আর্থিক বিষয়ে জনসাধারণকে কোনও ব্যাখ্যা দেয়া বাধ্যতামূলক। অযোধ্যায় ভিএইচপি-এর মিডিয়া ম্যানেজার শরদ শর্মা আমাকে বললেন, “আমরা কেন জনসাধারণকে বলব যে এই ব্যক্তি আমাদের ১ লাখ টাকা দিয়েছেন, এই ব্যক্তি ২ লাখ টাকা দিয়েছেন? আমাদের কাছে কত টাকা আছে তা আমরা কেন প্রকাশ করব”? তিনি বলেছিলেন যে এটি দানকারী এবং আর.এস.এস-এর মধ্যে একটি ব্যক্তিগত বিষয়, “তাই, আমাদের অন্য কারো কাছে নিজেদের ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন নেই”। আমি প্রথমবার কেশব কুঞ্জের ভিতরে যাই (৪ ফেব্রুয়ারি), এর উদ্বোধনের কয়েক সপ্তাহ আগে। প্রবেশাধিকার শুধুমাত্র সম্ভব ছিল, যদি কোনও আর.এস.এস কর্মকর্তা আপনার নাম, নিরাপত্তা প্রহরীদের আগে থেকে জানিয়ে রাখতেন। প্রথম টাওয়ার, যার নাম ‘সাধনা’, এর নিচতলায় ছিল ‘সুরুচি প্রকাশন’-এর একটি বইয়ের দোকান। সেখানে ছিল অশোক সিংহালের নামে একটি হল, যিনি রাম জন্মভূমি আন্দোলনের অগ্রণী নেতা হিসেবে পরিচিত। উপরের তলাগুলোতে ছিল সংঘের বিভিন্ন শাখার জন্য নির্ধারিত স্থান - সম্মেলন কক্ষ, একটি অফিস, ‘অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন যোজনা’-র জন্য কিছু কক্ষ, একটি গ্রন্থাগার, একটি আর্কাইভ বিভাগ, এবং সংঘের মুখপত্র পঞ্চজন্য ও অর্গানাইজারের স্টুডিও। দ্বিতীয় টাওয়ার, ‘প্রেরণা’ – এতে সীমিত প্রবেশাধিকারে ছিল। এর নিচতলায় একটি মন্দির ছিল, এবং উপরের তলাগুলোতে প্রচারকদের জন্য কক্ষ ছিল। দ্বিতীয় টাওয়ার পেরিয়ে, ছিল হেডগেওয়ারের একটি মূর্তি সহ একটি বাগান, যেখানে সংঘ শাখা পরিচালনা করতে পারে। এর পরে একটি লোহার গেট রয়েছে, যা এখনও নির্মাণাধীন, তৃতীয় টাওয়ারে নিয়ে যায়, যার নাম হবে ‘অর্চনা’, এবং এতে সংঘের সহায়ক কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা হবে। আমি অখিল ভারতীয় ইতিহাস সংকলন যোজনা (এ.বি.আই.এস.ওয়াই)-এর জাতীয় সংগঠন সম্পাদক বালমুকুন্দ পান্ডেকে দেখতে গিয়েছিলাম। তিনি আমাকে বাইরের নিরাপত্তা কর্মীদের কাছে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে বারণ করেছিলেন। পান্ডে এ.বি.আই.এস.ওয়াই অফিসের পাশের একটি কক্ষে ছিলেন। এতে একটি ছোট পূজার বেদী, একটি সিঙ্গেল বেড, একটি ছোট টেবিল এবং একটি আলমারি ছিল, সাথে একটি ছোট বারান্দা। এটি বাকি ভবনের মতোই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ছিল, সাদা টাইলস ও উজ্জ্বল আলো সহ। আরেকজন লোকও আমাদের সাথে ঘরে বসেছিলেন। পান্ডে বললেন, “আমিই ওনাকে এখানে ডেকেছি, আপনি একজন মহিলা, আমি একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ, কিন্তু সংবিধানে কোথাও লেখা আছে যে একজন পুরুষের কোনও মেয়ে বা নারীর সাথে একাকী ঘরে কথা বলা উচিত নয়”। তিনি ভারতীয় সংবিধানের কথা বলছিলেন না, বরং এমন একটি সংবিধানের কথা বলছিলেন যেটা ‘হাজার বছর আগের হতে পারে’, যার কারণে ‘সমাজ এখনও চলছে। তিনি জোর দিয়ে বললেন যে “ভীম রাও আম্বেদকর যে সংবিধান তৈরি করেছেন সেটাই চূড়ান্ত সংবিধান নয়। বরং আরও একটি বিমূর্ত সংবিধান আছে (যদিও লিখিত নয়) এটাই আমাদের সংবিধান, যা বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে, এটা মনু স্মৃতিতে আছে, মহাভারতে আছে, আপনি এটা সর্বত্র পাবেন”। পান্ডে বললেন, এ.বি.আই.এস.ওয়াই ‘ইতিহাস পুনর্লিখন’ করার কাজ করে। ২০১৭ সালে, কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক সংস্থাটিকে ‘ভারতীয় ইতিহাসের স্রোত ও ইতিহাস লিখন’ (ইতিহাস রচনাশাস্ত্র) এর জন্য ২০ লক্ষ টাকা অনুদান দেয়। পরের বছর, মন্ত্রক এ.বি.আই.এস.ওয়াই-কে গুয়াহাটিতে ‘পুরুষার্থ চতুষ্টয়’ (হিন্দু শাস্ত্রে মানুষের জীবনের চারটি লক্ষ্য) বিষয়ে একটি জাতীয় কর্মশালা আয়োজনের জন্য ৪০ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা দেয়। পান্ডে মনে করেন যে ভারতে ইতিহাস লেখনী, রোমিলা থাপার এবং ডি.এন. ঝার মতো মানুষদের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে, যাদের তিনি ‘এই বিদেশি চিন্তাধারার ইতিহাসবিদ, নতুন ইতিহাসবিদ, যাদের ভারতের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি নতুন সাহিত্য এবং ‘ভারতীয় উৎস’ তৈরি করার গুরুত্বের কথা বললেন। তিনি ‘নেতিবাচক ইতিহাস’ যা ‘আমাদের হেয় করে’ এবং ‘ইতিবাচক ইতিহাস’ যা পথপ্রদর্শক হবে, তার মধ্যে পার্থক্য করলেন। “আমাদের শাস্ত্র, সংস্কৃত এবং লোকগ্রন্থ থেকে ইতিহাসের সংজ্ঞা আহরণ করতে হবে। এর জন্য, ইতিহাস রচনাশাস্ত্রের পাশাপাশি আমরা গবেষণা পদ্ধতিও প্রতিষ্ঠা করছি। এই গবেষণা পদ্ধতি উদ্ভাবন করার পদ্ধতিতে কিছু সৃজনশীলতা জড়িত”। পান্ডে জোর দিয়ে বললেন, “আমরা শুধুমাত্র ব্রিটিশদের রেফারেন্স নিয়ে এগোব না, সুতরাং, আমরা ভারতীয় উৎস থেকে আসল ইতিহাস পাব যেটা আমরা তৈরি করব”। তিনি বললেন যে ইতিহাসবিদদের জন্য আর্কাইভাল সোর্স হওয়া উচিত ‘মহাভারত, বেদ, রাম গ্রন্থ, উপনিষদ, গীতা এবং গুরু গ্রন্থ সাহিব, সর্বত্র’। তিনি বললেন যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মেনে নিয়েছে যে আর্যরা ভারতের বাইরে থেকে আসেনি - এটি একটি ঐতিহাসিকভাবে ভুল বক্তব্য যেটা সংঘের মতাদর্শের সাথেও মেলে - এবং এটি শীঘ্রই স্কুল পাঠ্যপুস্তকে প্রতিফলিত হবে। বছরের পর বছর ধরে, সংঘ, শিক্ষা সংস্থাগুলিকে ভারতীয় ইতিহাসের মূল দিকগুলি বাদ দিতে বাধ্য করতে পেরেছে। ২০২৩ সালে, এন.সি.ই.আর.টি স্কুল পাঠ্যপুস্তক থেকে আর.এস.এস-এর নিষেধাজ্ঞার উল্লেখ মুছে দেয় এবং হিন্দু চরমপন্থা ও গডসে সম্পর্কে তার ভাষ্যকে নরম করে। তার আগের বছর, গুজরাটের ২০০২ সালের মুসলিমবিরোধী দাঙ্গার (যেটা মোদীর মুখ্যমন্ত্রীত্বের সময় ঘটেছিল), মুঘল দরবার এবং ওমপ্রকাশ বাল্মীকির মতো দলিত লেখকদের উল্লেখও বাদ দিয়েছিল। সমগ্র টাওয়ারটি সংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টার জন্য নিবেদিত বলে মনে হয়েছিল। কুমার আমাকে বলেছিলেন যে সম্পত্তিটি অনেক সংস্থাকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে যারা আর.এস.এস-এর সহযোগী নয় কিন্তু ‘দেশের জন্য উপকারী কাজ’ করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি ‘অর্গানাইজার’ ও ‘পাঞ্চজন্য’-র পাশাপাশি ‘সুরুচি প্রকাশন’-এর কথা উল্লেখ করলেন, যেটিকে তিনি ‘একটি সংস্থা যা জাতীয়তাবাদী বই প্রকাশ করে’ বলে বর্ণনা করলেন। এগুলি আর.এস.এস-এর অন্তর্গত কিনা সে সম্পর্কে আমার প্রশ্ন তিনি উড়িয়ে দিলেন। ব্যাখ্যা স্বরূপ তিনি বললেন যে ‘সুরুচি প্রকাশন’ একটি ট্রাস্ট, ‘সুরুচি’ সাহিত্য দ্বারা পরিচালিত হয়, যেমন ‘প্রজ্ঞা প্রবাহ’ও, যা তিনি বললেন, এরা ‘জাতীয়তাবাদী হিন্দুদের গবেষণা ও প্রচার’ করে এবং ‘মন থেকে উপনিবেশবাদ দূর করতে’, ‘দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক পুনর্জাগরণের জন্য’ কাজ করে। ‘প্রজ্ঞা প্রবাহ’ বর্তমানে সংঘের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জে নন্দকুমারের নেতৃত্বে রয়েছে। আমার দ্বিতীয়বার যাত্রা ছিল একটি নিম্নপ্রোফাইল সংঘ অনুষ্ঠানের পর - যা সংঘের কম পরিচিত শাখা ‘ভারত ভারতী’ দ্বারা আয়োজিত হয়েছিল - দিল্লির রাজৌরি গার্ডেনের গুজরাটি সম্প্রদায়ের জন্য। দিল্লি প্রান্ত কার্যবাহী অনিল গুপ্ত (ইনি সদ্য কুম্ভ মেলা থেকে ফিরে এসেছিলেন) ইভেন্টে বললেন, “আমাদের দেশে, মন্দির শহর চালায়, আপনি কোনও দেশে যান; জনগণ গীর্জা চালায়। যদি জনগণ গীর্জায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়, ওটা কাজ করা বন্ধ করে দেবে। জনগণ মসজিদ চালায়। যদি জনগণ মসজিদে যাওয়া বন্ধ করে দেয়, মসজিদ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু ভারতে এটা হয় না। সোমনাথ পুরো শহর চালাচ্ছে। মহাকাল পুরো শহর চালাচ্ছে। রাম মন্দির সমগ্র অযোধ্যাকে রূপান্তরিত করেছে”। সংঘ, ভারত ভারতী ইভেন্টের প্রায় ষাট জন উপস্থিতির নামের একটি লিস্ট রেখেছিল। আয়োজকরা কোনও না কোনও অজুহাতে প্রায় সবাইকে মঞ্চে ডাকলেন, সম্ভবত তাদের গুরুত্বপূর্ণ বোধ করানোর জন্য। পরে তাদের ‘কেশব কুঞ্জ’ দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। রাজৌরির গুজরাটি সম্প্রদায়ের প্রায় বিশজন মধ্যবয়সী পুরুষ ও মহিলা উপস্থিত হয়েছিলেন। আমাদের সাথে কথা বললেন দুই জ্যেষ্ঠ আর.এস.এস নেতা: বিজয় প্যাটেল এবং ভি ভেনুগোপাল, যিনি কেশব কুঞ্জের ব্যবস্থাপনা দল (ব্যবস্থা তোলি)-এর সদস্য। উপস্থিতরা আর.এস.এস-এর আদর্শ নিয়ে বিশেষ আগ্রহী বলে মনে হয়নি, কিন্তু সংঘের নতুন কাঠামো ঘুরে দেখতে এবং এর মধ্যমস্তরের নেতাদের সাথে দেখা করতে উৎসাহিত বলে মনে হয়েছিল। কেউ কেউ ফোন নম্বর বিনিময় করলেন। ‘কেশব কুঞ্জ’ সফরের শেষের দিকে, ভেনুগোপাল ওনাদের বললেন, “পরবর্তীকালে, আমরা আপনাদের সংসদ দেখার ব্যবস্থা করতে পারি”। নেতারা হিন্দু রাষ্ট্রের কোনও উল্লেখ করেননি, শুধুমাত্র সংঘের শাখা এবং এর নতুন অফিসের কথা বললেন। পরে, আমাদের পিছনের একটি আলাদা প্রবেশপথ দিয়ে ঝান্ডেওয়ালা মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যেটা সংঘের জন্যই খোলা ছিল।
প্রকাশের তারিখ: ২১-আগস্ট-২০২৫ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|