আরএসএস বলে কিছু নেই! (১ম পর্ব)

Amrita Singha
বিল্ডিংটির নির্মাণ খরচ হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা, যা স্বয়ংসেবকদের দ্বারা সংগৃহীত। বিল্ডিংটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, সর্বোচ্চ নেতা সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এর জাঁকজমককে স্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “সমৃদ্ধির প্রয়োজন আছে, কিন্তু তাকে শৃঙ্খলা ও সীমার মধ্যে থাকতে হবে। আমাদের কাজ এই নতুন বিল্ডিংয়ের মহিমাকে সমুন্নত রাখতে হবে”।

জবাবদিহি-বিহীন এক সংগঠনের গোপন কাঠামোর মানচিত্র (১ম পর্ব)


 ‘দ্য ক্যারাভান’ ওয়েবজিনে ১ জুলাই, ২০২৫ সংখ্যায় প্রকাশিত


দিল্লির ঝান্ডেওয়ালা, দেশবন্ধু গুপ্ত রোডের ওপরের ফুটব্রিজটি সাধারণত নোংরা ও ধুলোয় ঢাকা, এক প্রান্তের সিঁড়িগুলো প্রায়ই প্লাস্টিকের প্লেট, খাবার ও ছেঁড়া কাপড়ে আবর্জনায় ভরা। রাতে এই পথ ব্যবহার করতে গেলে সতর্ক থাকতে হয়, যাতে ফুটব্রিজের নিচে মাঝে মাঝে ঘুমিয়ে থাকা গৃহহীন মানুষদের উপর হোঁচট খেতে  না হয়। সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠলে একটি বিশাল টাওয়ার চোখে পড়ে - বিল্ডিংয়ের ১২টি তলার প্রতিটির সারিবদ্ধ জানালা দিয়ে উজ্জ্বল আলো দেখা যায়। ঝান্ডেওয়ালার অন্যান্য সব বিল্ডিং, যতই উঁচু হোক না কেন, রাতে অন্ধকারে ঢাকা পড়ে, কিন্তু এটা কখনই অন্ধকারে ঢাকা পড়ে না। এই বিশাল টাওয়ার এবং এর পিছনের দুটি অনুরূপ কাঠামো ‘কেশব কুঞ্জ’-এর অংশ, যা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের দিল্লি সদর দপ্তর। এটা বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির মধ্যে একটি, যা কয়েক দশক ধরে হিন্দু রাষ্ট্রের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। 

এই বছর শতবর্ষ পূরণ করছে আর.এস.এস, এমন একটি সংগঠন যেটা পুরো সংঘ পরিবারের আদর্শিক উৎস - একটি বিশাল নক্ষত্রপুঞ্জের মতো সংগঠন, যার মধ্যে রয়েছে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তার রাজনৈতিক শাখা হিসাবে; বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) ও বজরং দল তার সাংস্কৃতিক-ধর্মীয় সংগঠন হিসাবে; অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) - তার ছাত্র শাখা হিসাবে; অখিল ভারতীয় অধিবক্তা পরিষদ (এবিএভিপি) - তার আইনি শাখা হিসাবে; এবং হিন্দু স্বয়ংসেবক সংঘ (এইচএসএস) ও সেবা ইন্টারন্যাশনালের মতো এন.জি.ও.-গুলি বিদেশে কাজ করে। সংগঠনটি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে মিতব্যয়ী ও সুশৃঙ্খল কঠোর সংগঠন হিসাবে উপস্থাপন করেছে, কিন্তু ২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এটি তার সম্পদ ও প্রভাব প্রদর্শনে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। ‘কেশব কুঞ্জ’ তার একটি উদাহরণ। 

১৯,০০০ বর্গগজ জুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্সে রয়েছে তিনটি টাওয়ার, যেখানে রয়েছে অডিটোরিয়াম, একটি হনুমান মন্দির, আর.এস.এস-এর সহযোগী সংগঠনগুলির অফিস, সম্মেলন কক্ষ, বাসস্থান, একটি লাইব্রেরি এবং এমনকি একটি হাসপাতালও। আর.এস.এস দাবি করেছে যে বিল্ডিংটির নির্মাণ খরচ হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা, যা স্বয়ংসেবকদের দ্বারা সংগৃহীত। বিল্ডিংটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে, সর্বোচ্চ নেতা সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এর জাঁকজমককে স্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “সমৃদ্ধির প্রয়োজন আছে, কিন্তু তাকে শৃঙ্খলা ও সীমার মধ্যে থাকতে হবে। আমাদের কাজ এই নতুন বিল্ডিংয়ের মহিমাকে সমুন্নত রাখতে হবে”। ‘কেশব কুঞ্জ’ হল সংঘের আদর্শিক শক্তির ব্যাপক একত্রীকরণ এবং রাজধানীর লৌকিক হৃদয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার অনুপ্রবেশের একটি স্মারক। দিল্লিতে এর প্রথম অফিস স্থাপিত হয়েছিল ১৯৩৬ সালে, বিড়লা মন্দিরের কাছে, কয়েকটি রাস্তা পরেই। এর উদ্দেশ্য ও বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্নগুলি, যা সংগঠনের বিতর্কিত ইতিহাস জুড়ে বারবার উঠেছে, আজ আলোচনার বিষয় নয়।

মূলত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক উত্থানের জন্য ধন্যবাদ, যিনি নিজেও একজন প্রাক্তন প্রচারক (পূর্ণকালীন কর্মী)। আজ, আর.এস.এস সর্বত্র বিদ্যমান। এর সদস্যরা বিভিন্ন নাগরিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে অন্তর্ভুক্ত এবং সম্বন্ধযুক্ত ট্রাস্ট ও সংগঠনগুলির একটি বিস্তৃত ও ঘনসংবদ্ধ জালের মাধ্যমে কাজ করে।  ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাতে - যেটা ঘটনাক্রমে মোদির জন্মদিন ছিল - আমি একজন সহকর্মীর সাথে কেশব কুঞ্জের গেটে গিয়েছিলাম। মোহন ভাগবত কমপ্লেক্সটি পরিদর্শন করতে যাচ্ছিলেন (যেটা তখনও নির্মাণাধীন অবস্থায় ছিল)। কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (সি.আই.এস.এফ)-এর কর্মীরা, যারা দুই বছর ধরে আর.এস.এস অফিস পাহারা দিচ্ছিল, আমাদের তাড়িয়ে দেয়। তাদের একজন, এ.কে. সিং, বিল্ডিংয়ের বাইরের ছবি তোলা থেকে আমাদের বিরত রাখেন। তিনি বলেছিলেন, “আপনি কি প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির চারপাশে ছবি তোলেন”? শ্রী সিং জানালেন, শুধুমাত্র অনুমতি থাকলেই আমাদের ভিতরে যেতে দেবেন। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, ‘কার কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে’? তিনি বলেছিলেন, “আরএসএসের লোকেরা নিজেরাই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে যদি তাদের আপনার প্রয়োজন হয়। আপনার তাদের সাথে যোগাযোগ করার কথা নয়”।

‘কেশব কুঞ্জ’ আজ আর.এস.এস কী তার জন্য একটা নিখুঁত রূপক। আকার ও উচ্চাকাঙ্ক্ষায় বিশাল, কিন্তু সর্বদাই তদন্ত এড়াতে তৎপর। বিভিন্ন সংঘ কর্মকর্তা, এর সহযোগী সংগঠনের সদস্য, স্থানীয় বাসিন্দা ও পণ্ডিতদের সাথে সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি আদালতের রায় ও আর্কাইভাল নথি পর্যালোচনা করে আমি একটি চমকপ্রদ চিত্র পেয়েছি, কীভাবে আর.এস.এস, মন্দির ট্রাস্ট এবং এর সুদূরবিস্তৃত অর্থদাতাদের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জমি অধিগ্রহণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু প্রকল্পের অর্থদাতাদের বিস্তারিত বিবরণ, ভিতরে ঠিক কী ঘটে এবং এটি কোন আইনের অধীনে জবাবদিহি করতে পারে তা নির্ধারণ করা আরও কঠিন ছিল। এটি আর.এস.এস সম্পর্কিত তদন্তের একটি বৈশিষ্ট্য, ত্রুটি নয়, এইটা হচ্ছে এমন একটি সংগঠন যা তার নিজস্ব সুবিধামতো নিজের রূপ পরিবর্তন করতে পারে এবং করেও। 

‘কেশব কুঞ্জ’ যে জমিতে দাঁড়িয়ে আছে তা একসময় মালিকানা বিরোধের কেন্দ্রে ছিল। ১৯৪৭ সালে ‘বদ্রি ভগত ঝান্ডেওয়ালা মন্দির সোসাইটি’, দ্বিতীয় সরসংঘচালক এম.এস. গোলওয়ালকরের কাছে এটা লিজে দিয়েছিল, পরে সম্পত্তিটি শ্রী কেশব স্মারক সমিতির কাছে হস্তান্তর করা হয়, যেটা আবার আর.এস.এস.-এরই একটি বৈকল্পিক সংগঠন। দিল্লি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ডিডিএ) এই লিজকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, দাবি করে যে ‘জমিটি সরকারের মালিকানাধীন’; তবে, ১৯৯০ সালের আদালতের রায় - যেটা একতরফা ভাবে দেওয়া হয়েছিল, কারণ ডিডিএ কোনও অজ্ঞাত কারণে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়! ফলে ঐ একতরফা রায়টি মন্দির ট্রাস্টের পক্ষেই যায়। তারপর থেকে, কমপ্লেক্সের কাছাকাছি বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে ট্রাস্ট তাদের বাড়ি খালি করতে বাধ্য করছে। তাদের অনেকেই আমাকে বলেছেন যে তারা আর. এস. এস এবং এর সহযোগী সংগঠনগুলির হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন কিন্তু প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন। “ওরা মন্দিরের নামে, জমির মাফিয়া”, উচ্ছেদের বিরোধিতাকারী একজন বাসিন্দা, ওম প্রকাশ নামক এক ব্যক্তি জানান।

সংঘের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত স্বল্প পরিচিত ঠিকাদারদের দ্বারা এই স্থানটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছিল, যেখানে জনসাধারণের তহবিল সংগ্রহ সম্পর্কিত বা আর্থিক স্বচ্ছতার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল না। আজ, কমপ্লেক্সটি বন্ধ দরজার পিছনে কাজ করে, প্রবেশপথটি কঠোর পাহারায়। আমি তিনবার গিয়েছিলাম - একবার গাইডেড ট্যুরে, একবার একজন ঊর্ধ্বতন আর.এস.এস কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে, এবং একবার একটি বই প্রকাশের জন্য। সংঘের কর্মীরা কেবলমাত্র তাদের নিয়মকানুন সম্পর্কেই তথ্য প্রদান করে, এবং সেটা এমনভাবে করা হয়, যাতে আপনি তাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পড়েন। ইন্ডিয়া নিউজের সাংবাদিক এবং সংঘের সদস্য হর্ষ জিতেন্দ্র রাঠোড় একবার আমাকে বলেছিলেন, “আপনি যদি সংঘকে বুঝতে চান, তাহলে আমার মনে হয়, আপনার বাইরে থেকে বোঝা উচিত নয়, বরং এর ভিতরে প্রবেশ করা উচিত”।

১৯২৫ সালে নাগপুরে তার প্রতিষ্ঠার পর থেকে, আর.এস.এস, ইউরোপীয় ফ্যাসিবাদ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছে। সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কে. বি হেডগেওয়ারের পরামর্শদাতা, বি.এস. মুঞ্জে, ইতালীয় স্বৈরশাসক বেনিটো মুসোলিনির সাথে দেখা করেছিলেন এবং হিন্দু নেতাদের দেশের ফ্যাসিবাদী যুব আন্দোলনকে অনুকরণ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। গোলওয়ালকর নাৎসি জার্মানির ‘জাতিগত গর্ব’-এর প্রশংসা করেছিলেন। ‘উই, অর আওয়ার ন্যাশনহুড ডিফাইন্ড’-এ তিনি লিখেছেন, “জার্মানি আরও দেখিয়েছে যে জাতি এবং সংস্কৃতির স্বার্থে, যাদের মূলে পার্থক্য রয়েছে, তাদের একটি ঐক্যবদ্ধ সমগ্র হিসাবে একীভূত হওয়া কতটা অসম্ভব - হিন্দুস্তানে আমাদের জন্য এই ধরণের শিক্ষা এবং এর থেকে লাভবান হওয়ার জন্য একটি অনুকরণীয় ভালো দৃষ্টান্ত হওয়া উচিত”।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শামসুল ইসলাম, যিনি সংঘের উপর বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন, আমাকে বলেছিলেন, “আর.এস.এস-এর আদর্শগত সূত্র হল এটি এমন একটি সাংগঠনিক সূত্র যা সম্পূর্ণরূপে ষড়যন্ত্রমূলক বা গোপন চক্রান্তের মতো কাজ করে”। তিনি আমাকে ‘পরম বৈভব কে পথ পর’ বইটির দিকে ইঙ্গিত করেছিলেন, যেটা আর.এস.এস-এর প্রকাশনা সংস্থা ‘সুরুচি প্রকাশন’ দ্বারা প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এতে বলা হয়েছে যে, দেশভাগের সময়, স্বয়ংসেবকরা (সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা) মুসলিম লীগে অনুপ্রবেশ করে কৌশলগত তথ্য অর্জনের জন্য মুসলমান হওয়ার ভান করেছিলেন। ১৯৪৮ সালের ১৪ মার্চ, ভারতের ভবিষ্যত রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেলকে চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছিল যে আর.এস.এস সদস্যরা হিন্দুদের উপর আক্রমণ এবং সহিংসতা উস্কে দেওয়ার জন্য মুসলমানদের ছদ্মবেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।

আজ, আর.এস.এস তার অন্ধকার ইতিহাসকে আড়াল করে নিজেকে নিরীহ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছে। তাদের ওয়েবসাইটে তারা ঐতিহ্য, ‘জাতির সাংস্কৃতিক শিকড়’ এবং ‘ভারতের জাতীয় গৌরব’-এর কথা বলে। এরা নিজেদেরকে ‘জাতীয় পুনর্গঠনের আন্দোলন’ বলে দাবি করে, যেখানে তারা ‘একটি জাতীয় চরিত্র, মাতৃভূমির প্রতি অটুট নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা, আত্মসংযম, সাহস ও বীরত্ব’ গড়ে তুলবে। এবং এই কাজটি করা হবে ‘হিন্দু সমাজের ভিত্তি’-কে শক্তিশালী করার মাধ্যমে। মোদির অধীনে, বিজেপি তাদের বেশ কয়েকটি লক্ষ্য অর্জনে সাহায্য করেছে, যার মধ্যে রয়েছে বাবরি মসজিদের ধ্বংসাবশেষের উপর রাম মন্দির নির্মাণ – যে প্রাচীন মসজিদটি ১৯৯২ সালে একদল উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতা ধ্বংস করেছিল; নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন পাস, যা দেশের মুসলমানদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য একটি সুবিধাজনক হাতিয়ার হিসেবে কাজ করতে পারে, অন্যদিকে নথিবিহীন হিন্দুদের রক্ষা করে; এবং ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরের ভারতীয় ইউনিয়নে যোগদানের ক্ষেত্রে করা শর্তসাপেক্ষ চুক্তিকে সম্পূর্ণভাবে ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।

 

বাংলা ভাষান্তরঃ অঞ্জন মুখোপাধ্যায়

প্রকাশের তারিখ: ১৮-আগস্ট-২০২৫

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org