|
৯ আগস্টের চেতনা, ১০ আগস্টের অঙ্গীকারGargi Chatterjee |
এই কর্পোরেটমুখী অর্থনৈতিক নীতিরই আরেকটি দিক সাম্প্রতিক ভারত–মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি। এই ধরনের চুক্তির ফলে কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, দেশীয় উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানের ওপর বহুজাতিক কর্পোরেট সংস্থার প্রভাব আরও বাড়তে পারে। দেশের বাজার ও উৎপাদন ব্যবস্থাকে বিদেশি পুঁজির স্বার্থে উন্মুক্ত করার প্রবণতা আত্মনির্ভর অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প এবং কৃষির জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। এর বোঝা শেষ পর্যন্ত বহন করতে হবে শ্রমিক, কৃষক, ক্ষুদ্র উৎপাদক এবং সাধারণ মানুষকেই। |
ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ৯ আগস্ট এক অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৪২ সালের এই দিনেই "ভারত ছাড়ো আন্দোলন"-এর সূচনা হয়েছিল। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক আন্দোলনে দেশের শ্রমিক, কৃষক, ছাত্র, যুব, নারী—সমস্ত শ্রেণির মানুষ একসঙ্গে দাঁড়িয়েছিলেন। কারাবরণ, লাঠিচার্জ, গুলি, নির্যাতন— কোনও কিছুই স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে দমিয়ে রাখতে পারেনি। সেই আন্দোলন শুধু বিদেশি শাসন উৎখাতের লড়াই ছিল না; ছিল শোষণ, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ার স্বপ্ন। ইতিহাস কখনও নিজেকে হুবহু পুনরাবৃত্তি করে না। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা প্রতিটি যুগে নতুন বাস্তবতার মধ্যে ফিরে আসে। আজ ভারত স্বাধীন, বিদেশি শাসনের অবসান ঘটেছে। কিন্তু স্বাধীনতার যে স্বপ্ন—সামাজিক ন্যায়, অর্থনৈতিক সমতা, গণতান্ত্রিক অধিকার, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা—তা কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই প্রশ্ন আজ আরও তীব্র। একদিকে কর্পোরেট স্বার্থে নীতি নির্ধারণ, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, শ্রমিক-কৃষকের অধিকার হরণ; অন্যদিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ, ভিন্নমত দমনের প্রবণতা, সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ, বুলডোজারের রাজনীতি এবং পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ—এসবই প্রমাণ করে যে স্বাধীনতার আদর্শকে রক্ষা করার লড়াই আজও শেষ হয়ে যায়নি। তাই ৯ আগস্টের ইতিহাস আজ কেবল স্মৃতিচারণ নয়; বর্তমানের গণতান্ত্রিক সংগ্রামেরও প্রেরণা। গত এক দশকে দেশের অর্থনীতির চরিত্র দ্রুত বদলেছে। রাষ্ট্রের ভূমিকা ক্রমশ সঙ্কুচিত হয়েছে, আর কর্পোরেট পুঁজির প্রভাব বেড়েছে। সরকারি সম্পদের বেসরকারিকরণ, শ্রম আইনের পরিবর্তন, কৃষিক্ষেত্রে কর্পোরেট প্রবেশের চেষ্টা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে বাজারের হাতে ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা এবং সামাজিক নিরাপত্তার ক্ষেত্র সংকুচিত হওয়া—এসব নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। একদিকে অল্প কয়েকজনের হাতে বিপুল সম্পদ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে, অন্যদিকে কোটি কোটি শ্রমজীবী মানুষের জীবন ক্রমশ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। এই কর্পোরেটমুখী অর্থনৈতিক নীতিরই আরেকটি দিক সাম্প্রতিক ভারত–মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি। এই ধরনের চুক্তির ফলে কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, দেশীয় উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানের ওপর বহুজাতিক কর্পোরেট সংস্থার প্রভাব আরও বাড়তে পারে। দেশের বাজার ও উৎপাদন ব্যবস্থাকে বিদেশি পুঁজির স্বার্থে উন্মুক্ত করার প্রবণতা আত্মনির্ভর অর্থনীতি, ক্ষুদ্র শিল্প এবং কৃষির জন্য নতুন সংকট তৈরি করতে পারে। এর বোঝা শেষ পর্যন্ত বহন করতে হবে শ্রমিক, কৃষক, ক্ষুদ্র উৎপাদক এবং সাধারণ মানুষকেই। একইভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের E20 (২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি) নীতিও যথেষ্ট বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন ও অবকাঠামো ছাড়াই এই নীতি কার্যকর করার ফলে দেশের কোটি কোটি সাধারণ যানবাহন ব্যবহারকারীর ওপর অতিরিক্ত ব্যয় চাপতে পারে। একই সঙ্গে খাদ্যশস্য, কৃষিজমি ও জলসম্পদের ওপর চাপ বাড়িয়ে কর্পোরেট ইথানল শিল্পকে সুবিধা দেওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। উন্নয়নের নামে যদি জনস্বার্থের পরিবর্তে কর্পোরেট মুনাফাই অগ্রাধিকার পায়, তবে তার বিরোধিতা গণতান্ত্রিক দায়িত্ব। আজ দেশের গণতান্ত্রিক পরিসরও সংকুচিত হচ্ছে। সংবিধান নাগরিককে মতপ্রকাশ, সংগঠন গঠন ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার দিয়েছে। অথচ প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, দমনমূলক আইন প্রয়োগ এবং বিরোধী মতকে স্তব্ধ করার প্রবণতা গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ধর্ম, জাত, ভাষা ও সংস্কৃতির নামে মানুষে মানুষে বিভাজন তৈরি করে প্রকৃত অর্থনৈতিক সংকট থেকে মানুষের নজর ঘোরানোর চেষ্টা চলছে। বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংকটের পরিবর্তে ঘৃণা ও মেরুকরণের রাজনীতি সামনে আনা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও এই বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। রাজনৈতিক সংঘাতের পাশাপাশি উচ্ছেদ আজ একটি বড় সামাজিক প্রশ্ন হয়ে উঠেছে। রেল হকার, পথ হকার, বস্তিবাসী এবং খেটে খাওয়া মানুষ পুনর্বাসনের নিশ্চয়তা ছাড়াই উচ্ছেদের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। উন্নয়নের নামে মানুষের জীবিকা কেড়ে নেওয়া কোনও সভ্য সমাজের পথ হতে পারে না। একই সঙ্গে শিল্প ও কর্মসংস্থানের প্রশ্নেও প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার মধ্যে গভীর ফারাক স্পষ্ট। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বারবার ঘোষণা করা হয়েছে—বন্ধ পাটকল খুলবে, শিল্পাঞ্চলে নতুন কর্মসংস্থান হবে, শ্রমিকদের মুখে হাসি ফিরবে। কিন্তু বাস্তবে বহু ক্ষেত্রে মিল খোলার ঘোষণা হলেও শ্রমিকদের নিয়মিত কাজ মেলেনি। কোথাও সীমিত উৎপাদন, কোথাও ঠিকাদারি বা অস্থায়ী ব্যবস্থায় কাজ চলছে, আবার কোথাও শুধুই ঘোষণা হয়েছে। হাজার হাজার স্থায়ী শ্রমিক আজও কর্মহীন বা অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন। মিল খোলা মানেই শুধু গেট খুলে দেওয়া নয়; প্রকৃত অর্থে মিল খোলা তখনই, যখন শ্রমিকরা কাজে ফিরবেন, উৎপাদন স্বাভাবিক হবে, ন্যায্য মজুরি ও শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত হবে। শ্রমিক ছাড়া মিল খোলার প্রচার শিল্প পুনরুজ্জীবন নয়, বরং মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে রাজনৈতিক প্রচারের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা। প্রকৃত শিল্পায়নের জন্য প্রয়োজন সুস্পষ্ট শিল্পনীতি, আধুনিকীকরণ, বিনিয়োগ এবং শ্রমিক-কেন্দ্রিক পুনরুজ্জীবন পরিকল্পনা। দেশের নানা প্রান্তে যে বুলডোজার সংস্কৃতি দেখা যাচ্ছে, তা আইনের শাসন ও সংবিধানের চেতনাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছে। আদালতের বিচার প্রক্রিয়াকে পাশ কাটিয়ে প্রশাসনিক শক্তিকে শাস্তির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। আইনের শাসনের পরিবর্তে যদি বুলডোজার শাসনের প্রতীক হয়ে ওঠে, তবে তা স্বাধীন ভারতের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকেই দুর্বল করবে। অন্যদিকে শ্রমিকদের ক্ষেত্রে চারটি শ্রম কোড দীর্ঘদিনের সংগ্রামে অর্জিত অধিকারকে খর্ব করেছে বলে ট্রেড ইউনিয়নগুলির অভিযোগ। ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের অধিকার, ধর্মঘটের অধিকার, ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস, সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মস্থলের সুরক্ষা—সবই আজ আক্রমণের মুখে। কৃষকরাও উৎপাদনের ন্যায্য মূল্য, ঋণমুক্তি এবং কৃষিকে কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের বাইরে রাখার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ না হওয়া, নারী নিরাপত্তাহীনতা, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, স্বাস্থ্য পরিষেবার সংকোচন এবং সামাজিক নিরাপত্তার অভাব—এই সমস্ত সমস্যাই আজ সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে ২৯ জুলাই দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় শ্রমিক-কৃষক কনভেনশন ১০ আগস্ট দেশব্যাপী আইন অমান্য ও জেল ভরো আন্দোলনের আহ্বান জানিয়েছে। ৯ আগস্টের ভারত ছাড়ো আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করেই এই কর্মসূচি পালিত হবে। এই আন্দোলনের দাবিগুলি স্পষ্ট ও সময়োপযোগী— চারটি শ্রম কোড ও সংশ্লিষ্ট বিধি বাতিল করতে হবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ৮ ঘণ্টার কর্মদিবস, ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার, ধর্মঘটের অধিকার, স্থায়ী কাজ, সামাজিক নিরাপত্তা ও শ্রমিকের সমস্ত আইনগত অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। সকল শ্রমিকের জন্য মহার্ঘ ভাতাসহ মাসিক ৪২ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। গিগ, প্ল্যাটফর্ম, নির্মাণ, হকার, গৃহভিত্তিক ও অন্যান্য অসংগঠিত শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আনতে হবে। সমস্ত ফসলের জন্য C2+50% সূত্রে আইনি গ্যারান্টিসহ এমএসপি নিশ্চিত করতে হবে, কৃষিঋণ মকুব করতে হবে এবং সারের, বীজ, কীটনাশক, সেচ ও বিদ্যুতের দাম কমাতে হবে। কৃষি ও ক্ষুদ্র শিল্পের ক্ষতিকর বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে হবে এবং কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণের নীতি প্রত্যাহার করতে হবে। মনরেগা পুনর্বহাল করে ২০০ দিনের কাজ ও দৈনিক ৭০০ টাকা মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। রেল, ব্যাংক, বীমা, বিদ্যুৎ, কয়লা, বন্দর, বিমানবন্দর, টেলিকম-সহ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ ও জাতীয় সম্পদ বিক্রি বন্ধ করতে হবে। বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল প্রত্যাহার এবং স্মার্ট মিটারের নামে বিদ্যুৎ পরিষেবার বেসরকারিকরণ বন্ধ করতে হবে। পুনর্বাসন ছাড়া রেল হকার, পথ হকার, বস্তিবাসী বা অন্য কোনও গরিব মানুষকে উচ্ছেদ করা চলবে না। সরকারি শূন্যপদে অবিলম্বে নিয়োগ এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। পুরনো পেনশন ব্যবস্থা (OPS) পুনর্বহাল, EPS-95 বৃদ্ধি এবং সর্বজনীন পেনশন চালু করতে হবে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ এবং সকলের জন্য মানসম্মত শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করতে হবে। মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ, সর্বজনীন রেশন ব্যবস্থা, নিরাপদ পানীয় জল, বাসস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সংবিধানপ্রদত্ত গণতান্ত্রিক অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার রক্ষা করতে হবে। ১০ আগস্টের জেল ভরো আন্দোলন তাই কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। এটি শ্রমিক, কৃষক, খেতমজুর, হকার, বস্তিবাসী, ছাত্র, যুব, নারী এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াই। এটি সংবিধান, গণতন্ত্র, জীবিকা, সামাজিক ন্যায় এবং ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের পক্ষে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার। ১৯৪২ সালে ভারতবাসী বলেছিলেন—"ভারত ছাড়ো"। আজ স্বাধীন ভারতের মানুষ বলছেন—শ্রমিক-কৃষক বিরোধী নীতি ছাড়ো, কর্পোরেট লুটের নীতি ছাড়ো, জনবিরোধী ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ছাড়ো, E20-এর মতো জনস্বার্থবিরোধী নীতি প্রত্যাহার করো, বেকারত্ব ও বৈষম্যের রাজনীতি ছাড়ো, বন্ধ মিল নিয়ে মিথ্যাচার বন্ধ করো, পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ বন্ধ করো, বুলডোজার সংস্কৃতি বন্ধ করো, গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর আক্রমণ বন্ধ করো। ৯ আগস্ট আমাদের ইতিহাসের গৌরব। ১০ আগস্ট সেই ইতিহাসকে বর্তমানের সংগ্রামে রূপ দেওয়ার অঙ্গীকার। দেশ বাঁচাতে, সংবিধান বাঁচাতে, গণতন্ত্র বাঁচাতে, শিল্প বাঁচাতে, কৃষি বাঁচাতে এবং শ্রমিক-কৃষক-খেটে খাওয়া মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলনই আজ সময়ের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন। ১০ আগস্টের আইন অমান্য ও জেল ভরো আন্দোলন তাই শুধু একটি কর্মসূচি নয়—এটি স্বাধীনতার অসমাপ্ত অঙ্গীকার পূরণের পথে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। প্রকাশের তারিখ: ০৮-আগস্ট-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|