|
রুশ বিপ্লব ও সাহিত্যTanmoy Bhattacharya |
গান্ধীজি "বর্তমান শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা" এবং "আমাদের জন্য একটি মহান শিক্ষা" বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এ-ও বলেছিলেন যে, ভারতও এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুশ প্রতিকারের দিকে। যদিও ম্যাডাম ভিকাজি কামা ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি ১৯০৫-এর বিপ্লবী প্রয়াসে শ্রমিক শ্রেণির ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি মার্কসবাদে আগ্রহী হয়েছিলেন এবং লেনিন ও বলশেভিকদের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন। |
প্রথম পর্ব
ইতালির কবি ফিলিপ্পো টমাস মারিওনেত্তিকে বলা হয় ফিউচারিজম এর প্রবক্তা। 'আর্ট ফর আর্ট সেক' কথাটা তখন ব্রাত্য হয়ে গেছে। ইম্প্রেশনিস্ট, পোস্ট-ইমপ্রেশনিস্ট, ফবিজম, এক্সপ্রেশনিজম পার হয়ে গত শতকের গোড়ায় ফিউচারিজম এর ধারণা শিল্পধারাকে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে। রাশিয়ার শিল্প-সাহিত্য ধারার তিন প্রধান ব্যক্তিত্ব ভ্লাদিমির মায়াকোভস্কি, ভাসেলি কাডেনেস্কি, ডেভিড বারডিউক ছিলেন ফিউচারিজম এর শিল্প চেতনায় আকৃষ্ট। ১৯১৭-র রুশ বিপ্লব তাদের মধ্যে শ্রেণি বাস্তবতাকে শিল্পকর্মের মুখ্য মানদণ্ড হিসাবে বিচারের স্বীকৃতি দেয়। বিপ্লবের চার মাসের মধ্যে ১৯১৮-র ১৮ মার্চ তাঁরা একটি ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেন। সেখানে লেখা হয় ----- "জারতন্ত্রের পতনের পরে শিল্প এবং চিন্তাকে আর প্রাসাদ, গ্যালারি, গ্রন্থাগার বা রঙ্গমঞ্চে আটকে থাকলে হবে না, মাটিতে নেমে স্বীকৃতি দিতে হবে সংস্কৃতির সমানাধিকারকে, সৃজনশীলতার স্বাধীন উচ্চারণকে। সমস্ত পথঘাট নতুন পরিচিতি পাবে সর্বসাধারণের শিল্পীত উৎসবে। শিল্প-সাহিত্য ও মানবেতিহাসের মধ্যেকার সম্পর্ককে সুস্পষ্ট করে দিয়ে রুশ বিপ্লব এভাবেই এক নতুন প্রবাহের জন্ম দিয়েছিল যা বিশ্বজুড়ে সাহিত্যের জগতে নতুন মননের চাষ করেছিল। বিপ্লবোত্তর রাশিয়াকে ঘিরে ধরেছিল দশটা দেশ। আর দেশের ভিতর সক্রিয় প্রতিক্রিয়ার শক্তি। পিতৃভূমি রক্ষার যুদ্ধের অংশীদার হয়ে মায়াকোভস্কি লিখলেন ----- " যা কিছু পুরনো, যা কিছু চার্চ সংক্রান্ত, যা কিছু শ্লাভনিক তাকে গভীরভাবে ঘৃণা করতে শিখেছিলাম। আমার নাস্তিকতা, আন্তর্জাতিকতাবোধ এবং ফিউচারিজমই তার উৎস"। আমরা, যারা জানি কোনো শিল্প আন্দোলনই ইতিহাস বা সমাজ নিরপেক্ষ হয় না তারা রুশ বিপ্লবের প্রধান নায়ক লেনিনকে দেখেছি মার্কসবাদের প্রকৃত চিন্তার দ্বান্দ্বিক নিয়মকে প্রয়োগ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শিল্প-সাহিত্যের সৃজনশীল অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে। রুশ বিপ্লব সাফল্য অর্জন করে ১৯১৭-এ। কিন্তু ১৯০৫ এবং ১৯১২তেও বিপ্লব সংগঠিত করার প্রচেষ্টা হয়েছিল। ১৯১৭-র নভেম্বরের আগে ফেব্রুয়ারিতেও বিপ্লবের চেষ্টা হয়। রুশ বিপ্লব এবং সাহিত্যে তার প্রভাব নিয়ে আলোচনা বিশাল পরিসরের দাবি রাখে। শুধু আমাদের দেশের মধ্যে আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখলে তার শুরু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান পুরুষ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে দিয়েই করা উচিত। কারণ ১৯০৫ সালে সংগঠিত প্রথম রুশ বিপ্লবকে গান্ধীজি "বর্তমান শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা" এবং "আমাদের জন্য একটি মহান শিক্ষা" বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি এ-ও বলেছিলেন যে, ভারতও এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুশ প্রতিকারের দিকে। যদিও ম্যাডাম ভিকাজি কামা ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি ১৯০৫-এর বিপ্লবী প্রয়াসে শ্রমিক শ্রেণির ভূমিকার প্রশংসা করেছিলেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি মার্কসবাদে আগ্রহী হয়েছিলেন এবং লেনিন ও বলশেভিকদের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছিলেন। ১৯০৭-এর ২২ আগস্ট আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি বলেছিলেন, "আমি মানব ন্যায়বিচারের ট্রাইব্যুনালের সামনে দাঁড়িয়েছি কারন সমাজতন্ত্র ন্যায়বিচারের কথা বলে। এমন একদিন আসবে যেদিন ভারত জাগ্রত হবে এবং আমাদের রাশিয়ার কমরেডদের পথ অনুসরণ করবে। ১৯০৫-এর বিপ্লবের প্রস্তুতির সময়ে নরোদনায়া ভোলিয়া নামক বিপ্লবী সংগঠনের একজন অভিজ্ঞ নেত্রী ইলিয়া রুবানোভিচ 'লা ট্রিবিউন রুশ' নামে একটি গবেষণাপত্র সম্পাদনা করেছিলেন। ম্যাডাম কামা এই কাগজ থেকে অনুপ্রাণিত হন। তাঁর নিজস্ব কাগজ 'বন্দেমাতরম' তখন রাষ্ট্রদ্রোহী বিষয়বস্তু প্রকাশ করত এবং ব্রিটিশ শাসকদের বিচার এড়াতে তা জেনিভা থেকে প্রকাশিত হতো। কামার লেখা থেকেই আমরা জেনেছি, রাশিয়ানরাও তখন সুইজারল্যান্ড থেকেই সবকিছু ছাপাতো। তিনি ফেব্রুয়ারি ১৯১১-র বন্দেমাতরম পত্রিকায় রুবানোভিচকে দিয়েও একটি রাজনৈতিক লেখা লিখিয়েছিলেন। চিন্নাস্বামী সুব্রহ্মন্য ভারতী ছিলেন একজন তামিল লেখক, কবি, সাংবাদিক, স্বাধীনতা আন্দোলনের কর্মী এবং সমাজ সংস্কারক। তাঁর দেশাত্মবোধক অগ্নিপ্রজ্জ্বলিত গান ছিল ব্রিটিশ শাসকের কাছে ভয়ের। তিনি বিশ্বাস করতেন ভারতে জাতীয়তাবাদকে ছড়িয়ে দিতে হলে আন্তর্জাতিকতার স্পর্শকাতরতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। 'পুদিয়া রাশিয়া' বা 'দ্য নিউ রাশিয়া' শিরোনামে তিনি একটি গান লিখেছিলেন। গানটির ছত্রে ছত্রে বিপ্লবকে স্বাগত জানিয়ে মানুষের জয়গান ধ্বনিত হয়েছে। বলা হয়েছে, "মানুষের জীবন যেমন তাদের নিজেদের আদেশেই চলে/জীবনকে উন্নীত করার জন্য এখন একটাই আইন/দাসত্বের বন্ধন নেই/কোনো দাসত্ব নেই"। বিপ্লব ছাড়া দাসত্বের মুক্তির লাইন আসে না। সাদাত হোসেন মান্টোও ছিলেন সমাজতন্ত্র গড়ে তোলার প্রক্রিয়ার অন্যতম অনুরাগী। তাঁর রেডিও নাটক 'কার্ল মার্ক্স' বলছে, " সোভিয়েত এখন আর নিছক স্বপ্ন নয়, কোনো কাঁচা ধারণা বা আকস্মিক উন্মাদনা নয়, তা এক সুনির্দিষ্ট বাস্তবতা"। তিনি আরও বলেছেন, প্রায় দেড়শো বছর আগে মার্কস এই সমাজতন্ত্রের মানচিত্র এঁকেছিলেন তাঁর নিজের জন্য, তাঁর জাতি বা দেশের জন্য নয়, সমগ্র দুনিয়ার জন্য, মানবতার জন্য সমতা ও ভ্রাতৃত্বের উৎস সন্ধানে। মান্টোর লেখায় নভেম্বর বিপ্লবের প্রভাব স্পষ্ট। হিন্দি ভাষার বিখ্যাত লেখক মুন্সি প্রেমচাঁদও নভেম্বর বিপ্লবের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন। শ্রমিক ও কৃষকদের ক্ষমতা দখল তাঁকে কতটা আলোড়িত করেছিল তার প্রমাণ ১৯১৯-এ প্রকাশিত তাঁর প্রবন্ধ 'দাউর-ই-কাদিম: দাউর-ই-জাদিদ' (পুরাতন ও নতুন যুগ)-এ প্রকাশ পায় যেখানে তিনি পুরনো ব্যবস্হাকে এই বলে উন্মোচন করেছেন যেখানে সৎ পরিশ্রমী শ্রমিক পুঁজিপতিদের দাস হয়ে যায় আর পুঁজি নিয়ন্ত্রকরা শ্রমিক শ্রেণির রক্ত চুষে আরও ধনী হতে থাকে বলেই শ্রমিক শ্রেণির সাথে পুঁজিবাদের যুদ্ধ শুরু হয়। তাঁর এই লেখা শোষণের বিরুদ্ধে রুশ বিপ্লবের প্রতি সুগভীর শ্রদ্ধা ও আবেগের প্রতিফলন। আবার একই সাথে ভারতে বিদ্যমান সামন্ততান্ত্রিক প্রথা তথা জমিদারতন্ত্র বিলোপের একজন প্রবক্তা হিসাবে চিহ্নিত করে। যা ভূমিসংস্কার আন্দোলনের ভ্রুণ হিসাবে বিবেচিত হতে পারে। মহম্মদ ইকবাল সম্ভবত প্রথম উর্দু কবি যিনি রুশ বিপ্লবের বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মানুষের ঐক্য ও সাম্যের গঠন প্রক্রিয়ায় সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্হার অগ্রসর ভূমিকা ইকবালকে আকৃষ্ট করেছিল। তাঁর উর্দু কবিতা 'সারমায়া ওয়া মিহানাত' (পুঁজি ও শ্রম) ছিল বিপ্লবের বিজয়কে নিবেদিত শ্রদ্ধা। সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ ও সামন্তবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সোভিয়েত ইউনিয়নের পদাঙ্ক অনুসরণের জন্য তিনি গোটা পৃথিবীর শ্রমিক শ্রেণির কাছে আবেদন জানান। রুশ বিপ্লব পরবর্তী সময়ের প্রথম দিকের ভারতীয় লেখকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম আর এস অবস্হি। তিনি হিন্দিতে সাহিত্য রচনা করতেন। ১৯২০-২১ সালে রুশ বিপ্লব, লেনিনের চিন্তাধারা এবং তাঁর ভাষায় 'লাল বিপ্লব' সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেছিলেন। তাঁর লেখা ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দিভাষী মানুষের কাছে বিপ্লবের ধারণাগুলিকে পরিচিত করে। এই বিপ্লব তৎকালীন ভারতীয় বৌদ্ধিক স্তরে কি প্রতিক্রিয়া ঘটিয়েছিল তা-ও অবস্হির বিবরণে স্হান পেয়েছে। একই সময়কালে আর একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব এবং লেখক ছিলেন এস ডি বিদ্যালঙ্কার। তাঁর কাজ এবং হিন্দিতে রুশ বিপ্লব সম্পর্কে লেখা সেই সময়ের মানদণ্ডে এই বিপ্লবকে বিশেষভাবে ফোকাস করেছিল। রাজনীতিবিদ জওহরলাল নেহরু যথেষ্ট সাহিত্যগুণে আধারিত ছিলেন। তাঁর অনেকগুলি বই ভারতকে বুঝতে অবশ্যপাঠ্য। নেহরু রুশ বিপ্লব দ্বারা দারুণভাবে প্রভাবিত ছিলেন এবং সমাজতন্ত্রের প্রতি গভীর আস্হাশীল ও আগ্রহী ছিলেন। ১৯২০-২১ সালে করা তাঁর কিছু বক্তৃতায় তার প্রকাশ দেখা যায়। পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়ন পরিদর্শন করে তিনি বহু লেখায় তা তাঁকে কিভাবে প্রভাবিত করেছিল তার ব্যাখ্যা উপস্থিত করেন। ভারতে বিপ্লবী আন্দোলনের ইতিহাস যদি কোনোদিন লেখা হয় তবে তা শুরু করতে হবে ভূপেন্দ্রনাথ দত্তকে দিয়ে। রুশ বিপ্লবের প্রভাবে দারুণভাবে আপ্লুত এই বিপ্লবীই প্রথম আমাদের দেশের পরিস্থিতিতে এই বিপ্লবের পাঠ আত্মস্থ করার ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ১৯২১ সালে তিনি মস্কোতে কমিন্টার্নে যোগ দেন এবং তার পরেই "কমিউনিস্ট বিপ্লবই ভারতের সমস্যার চুড়ান্ত সমাধান" নামক ঐতিহাসিক থিসিস পাঠান ১৯২১ এর ২৩ আগস্টে। লেনিন নিজে সেই থিসিস পাঠ করেন এবং ভূপেন্দ্রনাথ সহ কমিন্টার্নে যোগ দেওয়া আরও দুই ভারতীয় এম এন রায় ও বীরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্তকে কৃষকসমাজের সমস্যা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন এবং বলেন ভারতের মুক্তির জন্য সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দত্তের এই থিসিস সাধারণ রাজনৈতিক প্রস্তাবের গন্ডী ছাড়িয়ে একটি পরিণত রাজনৈতিক সাহিত্যে উপনীত হয়। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের বীরশ্রেষ্ঠদের অন্যতম ভগৎ সিং ১৯২৮ সালে দিল্লির ফিরোজ শা কোটলা মাঠের সভা থেকে হিন্দুস্তান সোস্যালিস্ট রিপাবলিকান এ্যাসোসিয়েশন গঠন করেন। তার ঘোষণাপত্রে এবং আগে ও পরে ভগৎ সিং এর লেখায় নভেম্বর বিপ্লবের দ্বারা তিনি যে উদ্দীপিত হয়েছিলেন তা স্পষ্টই প্রতিভাত হয়। "কেন আমি নাস্তিক" সহ বিভিন্ন রচনায় তার প্রমাণ মেলে। ভগৎ সিং রুশ বিপ্লব এবং নতুন সমাজগঠনমূলক কাজকে আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য এইচ এস আর এ সদস্য পৃথ্বী সিং আজাদের রাশিয়া সফরের ব্যবস্হা করেন। ১৯৩০ এর ২১ জানুয়ারি লাহোর ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ভগৎ সিং এবং তাঁর সহযোগীরা লাল স্কার্ফ পরে আদালতে হাজির হন। ম্যাজিস্ট্রেট চেয়ারে বসার সাথে সাথে উচ্চারিত হয় শ্লোগান ---- সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক, কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল দীর্ঘজীবি হোক, লেনিনের নাম চিরজীবি হোক ইত্যাদি। ভগৎ সিং ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালকে একটি টেলিগ্রাম পাঠাতে অনুরোধ করেন যাতে লেখা ছিল "লেনিন দিবসে আমরা যারা মহান লেনিনের চিন্তাধারাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করছেন তাদের সবাইকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। রাশিয়া যে মহান পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছে তার সাফল্য কামনা করছি। ভগৎ সিং এর চিন্তা এবং লেখালেখির ওপর রুশ বিপ্লবের প্রভাব এতটাই ছিল যে যেদিন তাঁর ফাঁসি হয় সেদিনও তিনি ক্লারা জেটকিনের লেনিনকে নিয়ে লেখা একটি বই পড়ছিলেন। প্রতিবেদনটি দুটি পর্বে প্রকাশিত প্রকাশের তারিখ: ১৪-নভেম্বর-২০২৫ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|