|
শ্মশানের ক্যাকাফোনি: সতীদাহ থেকে নিয়ন্ত্রণের আধুনিক ব্যাকরণSamik Lahiri |
গণতন্ত্রে নাগরিকত্ব কোনো দান নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। যখন রাষ্ট্র বা রাজনৈতিক শক্তিগুলো নাগরিককে কেবল একটি ‘ভোট ব্যাংক’বা ‘নথির স্তূপ’ হিসেবে দেখে এবং গুটিকয়েক অতি-ধনীর হাতে দেশের সম্পদ সঁপে দেওয়ার দুর্নীতি ঢাকতে উন্মাদনার বাদ্যযন্ত্র বাজায়, তখন বুঝে নিতে হবে — কাঠগড়ায় কেবল সাধারণ মানুষ নেই, বিপন্ন আজ দেশের সংবিধানও। |
| অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগের বাংলার সেই ভয়াবহ চিত্র আজও আমাদের শিহরিত করে। গঙ্গার পশ্চিম পাড়ে এক বিষণ্ণ গোধূলি। শ্মশানঘাটে চিতা সাজানো হয়েছে এক জীবন্ত কিশোরীকে দাহ করার জন্য। পরনে তার লাল টুকটুকে শাড়ি, কিন্তু মনের জানলা তখন রুদ্ধ। কারণ, তাকে প্রচুর পরিমাণে আফিম খাইয়ে রাখা হয়েছে, যাতে আগুনের লেলিহান শিখার ১২০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় তীব্র দহনজ্বালা তৈরি হওয়ার আগেই তার স্নায়ুতন্ত্র অসাড় হয়ে যায়। এই আফিম ছিল তৎকালীন সমাজব্যবস্থার প্রথম ধাপের নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু আসল পৈশাচিক নাটক শুরু হতো চিতার আগুন জ্বলে ওঠার পর। আর্তনাদ চাপা দেওয়ার কৌশল: চিতা থেকে স্টুডিও সতীদাহের চিতা থেকে যখন যন্ত্রণার চরম আর্তনাদ আকাশে উঠতে চাইত, তখনই শুরু হতো ঢাক, ঢোল, করতাল আর কাঁসরের প্রচণ্ড শব্দ। শ্মশানের সেই ‘ক্যাকাফোনি’ বা কর্কশ কোলাহল কোনো ভক্তির বহিঃপ্রকাশ ছিল না; তা ছিল এক পরিকল্পিত বর্বরতাকে আড়াল করার প্রয়াস। কিশোরীর জীবন্ত আগুনে পোড়ার আর্তনাদের চেয়ে ঢাক-ঢোল-করতালের আওয়াজ যাতে তীব্রতর হয়, তা নিশ্চিত করা হতো। চিতার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একদল লাঠিয়াল নিশ্চিত করত যে, যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা ওই কিশোরী যেন কোনোভাবেই আগুনের বেষ্টনী থেকে বেরিয়ে আসতে না পারে। কার্ল মার্কস তাঁর ‘দ্য এইটিন্থ ব্রুমেয়ার অফ লুই বোনাপার্ট’(The Eighteenth Brumaire of Louis Bonaparte) প্রবন্ধের শুরুতেই একটা কথা লিখেছিলেন। ‘হেগেল এক জায়গায় বলেছিলেন যে, জগতের সমস্ত বড় বড় ঐতিহাসিক ঘটনা এবং চরিত্র যেন দু’বার করে ফিরে আসে। তিনি বলতে ভুলে গেছেন — প্রথমবার ট্র্যাজেডি হিসেবে, দ্বিতীয়বার প্রহসন (Farce) হিসেবে।’ প্রথম ট্র্যাজেডি - সতীদাহ অষ্টাদশ শতাব্দীতে সতীদাহ ছিল একটি চরম ‘ট্র্যাজেডি’। সেখানে ধর্মীয় অন্ধত্ব আর সামাজিক নিষ্ঠুরতার বলি হতো জীবন্ত মানুষ। সেই আগুনের লেলিহান শিখা আর ঢাকের আওয়াজ ছিল এক পৈশাচিক ট্র্যাজেডি, যা একটি সমাজকে ভেতর থেকে কুরে কুরে খেয়েছিল। দ্বিতীয়বার প্রহসন: আধুনিক রাজনীতি আজ যখন সেই একই ‘আর্তনাদ চাপা দেওয়ার কৌশল’ রাজনীতিতে ফিরে আসে, মার্কসের ভাষায় তা হয়ে দাঁড়ায় একটি ‘প্রহসন’ বা Farce। কেন প্রহসন? কারণ আজ রাষ্ট্র আর রাজনীতির কারবারিরা ‘গণতন্ত্র’ আর ‘উন্নয়ন’-এর নামাবলী গায়ে দিয়ে আসলে সেই পুরনো শোষণের নাটকই মঞ্চস্থ করছে। যখন বেকার যুবকের চাকরির দাবি বা কৃষকের ফসলের দামের হাহাকারকে আড়াল করতে হিন্দু-মুসলিম বাইনারি বা ‘দেশপ্রেম বনাম দেশদ্রোহী’র গগনভেদী চিৎকার তোলা হয়, তখন ইতিহাসের সেই পুনরাবৃত্তি আর কেবল ট্র্যাজেডি থাকে না — তা এক নিষ্ঠুর প্রহসনে পরিণত হয়। ইতিহাসের শিক্ষা মার্কস বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, শাসক শ্রেণি যখনই সংকটে পড়ে, তখন তারা ইতিহাসের পুরনো মৃত চরিত্র বা ইস্যুগুলোকে কবর থেকে খুঁড়ে বের করে আনে। সতীদাহের সেই ‘ঢাক-ঢোল’-এর আওয়াজের মতোই আজ ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ আর ‘আইটি সেলের’ চিল চিৎকার প্রচার হিসেবে ফিরে এসেছে। উদ্দেশ্য একটাই —মানুষের জীবনযন্ত্রণার আসল লড়াইটাকে ধামাচাপা দেওয়া। আজকের ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে এই ঐতিহাসিক দৃশ্যের এক অদ্ভুত সাদৃশ্য রয়েছে। আজ আর চিতা নেই, কিন্তু আছে এক অদৃশ্য নিয়ন্ত্রণকক্ষ। ধর্মের সুড়সুড়ি আর সাম্প্রদায়িকতার যে নেশা আজ সাধারণ মানুষকে গেলানো হচ্ছে, তা অষ্টাদশ শতাব্দীর ‘আফিম’-এর চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। মানুষ যখনই নিজের জীবনযন্ত্রণার কথা বলতে চায়, তখন সেই আর্তনাদ চাপা দেওয়ার জন্য রাজনীতির মঞ্চ থেকে মিডিয়ার স্টুডিও - এক বিরামহীন উচ্চগ্রামের ক্যাকাফোনি তৈরি করা হয়। স্টুডিওর সেই চিল চিৎকার আসলে সেকালের শ্মশানের ঢাক-ঢোল, যার কাজ হলো সত্যকে কোলাহলের নিচে কবর দেওয়া। লুণ্ঠনের মহোৎসব ও ক্যাকাফোনির আড়াল সতীদাহের সেই চিতার আগুনের মতোই আজ দাউদাউ করে জ্বলছে সাধারণ মানুষের জীবন। অথচ সেই আগুনের উত্তাপ যাতে সাধারণ মানুষ বুঝতে না পারে, তার জন্য চলছে একে আড়াল করার এক বিশাল কারবার। দেশের সম্পদ লুট দিল্লির সরকারের নীতি আজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড অর্থাৎ — এয়ারপোর্ট, পোর্ট বা বন্দর, কয়লা খনি, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেল থেকে শুরু করে দেশের জল জঙ্গল জমি - সবকিছুই গুটিকয়েক অতি-ধনীর হাতে প্রায় বিনা অর্থে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আদানি-আম্বানিদের মতো কর্পোরেট বন্ধুদের স্বার্থে যখন জাতীয় সম্পদ ‘জলের দরে’বিক্রি করে দেওয়া হয়, তখন সেই মহাদুর্নীতির খবর চাপা দিতে দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের বিকট শব্দ তৈরি করা হয়। আপনি যখনই প্রশ্ন তুলবেন কেন দেশের সম্পদ ব্যক্তিবিশেষের কুক্ষিগত হচ্ছে, ঠিক তখনই সীমান্তের উত্তেজনা বা কোনো ধর্মীয় বিবাদের ক্যাকাফোনি আপনার প্রশ্নকে চাপা দিয়ে দেবে। রাজ্যের সম্পদ লুট কেন্দ্রের লুটেরা পুঁজিবাদের ছোট তবে আরও কুৎসিত সংস্করণ হলো আমাদের রাজ্যে বালি-পাথর-কয়লা আর গরু পাচারের এক সুশৃঙ্খল সিন্ডিকেট। গ্রামের নদী থেকে বালি চুরি হচ্ছে, পাহাড়ের পাথর লুঠ হচ্ছে, কয়লা পাচার হচ্ছে — আর এই লুণ্ঠনের টাকা পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে পাড়ার সিন্ডিকেট বাহিনীর হাতে। এই পাচার ও দুর্নীতির পাহাড় যখনই জনসমক্ষে আসে, তখনই শুরু হয় শাসক-বিরোধী ‘নটুয়া নাচ’। একদল অন্য দলকে আক্রমণ করে এমন এক ক্যাকাফোনি তৈরি করে, যাতে সাধারণ মানুষ আদানি-আম্বানি-কয়লা-বালির লুটের হিসাব ভুলে গিয়ে কেবল টিভি স্টুডিও-এর তর্জায় বুঁদ হয়ে থাকে। যুবকের জীবনযন্ত্রণা ও ছাত্রদের অধিকার হরণ সতীদাহের চিতা যেমন প্রাণ কেড়ে নিত, আজকের এই ব্যবস্থা কেড়ে নিচ্ছে একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ। যুবকের কর্মসংস্থান - হাড়ভাঙা পরিশ্রম আর লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পড়াশোনার পর যুবক যখন কাজের সন্ধানে দ্বারে দ্বারে ঘোরে, তখন তাকে কাজ দেওয়ার বদলে দেওয়া হয় ‘ধর্মীয় নেশা’। বেকারত্বের জ্বালা যখন তাকে অস্থির করে তোলে, তখন তাকে এই দু’দলের মধ্যে কোনো এক দলের রাজনৈতিক মিছিলে লাঠি-গদা-তরোয়াল-পিস্তল হাতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কর্মহীন যুবকের জীবনের হাহাকার আজ সেই শ্মশানের আর্তনাদের মতোই চাপা পড়ে যাচ্ছে রাজনৈতিক ক্যাকাফোনির নিচে। ছাত্রদের শিক্ষার অধিকার - শিক্ষার অধিকার আজ পণ্যে রূপান্তরিত। শূন্যপদে নিয়োগ নেই, স্বচ্ছ পরীক্ষা নেই, কেবল আছে দুর্নীতির দীর্ঘ তালিকা। ছাত্ররা যখন শিক্ষার অধিকার আর নিয়োগের দাবিতে রাস্তায় নামে, তখন তাদের ওপর নেমে আসে পুলিশের লাঠি, আর মিডিয়ার স্টুডিওতে প্রচার করা হয় যে এরা আসলে ‘বিশৃঙ্খলা’ সৃষ্টি করছে। নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকা যখন উদ্ধার হয়, তখন সেই লজ্জাজনক সত্য ঢাকতে আবার নতুন কোনো সাম্প্রদায়িক সুড়সুড়ি বাজারে ছাড়া হয়। কৃষকের হাহাকার ও শ্রমিকের মজুরি লুট রোদে পুড়ে ঘাম ঝরিয়ে কৃষক যখন ফসলের ন্যায্য দাম না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন, তখন সেই হাহাকার চাপা দিতে হিন্দু-মুসলিম বা মন্দির-মসজিদ বিতর্কের ঢাক-ঢোল বাজানো হয়। সারের কালোবাজারি আর বীজের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে যখন কৃষক সংগঠিত হতে চায়, ঠিক তখনই পরিকল্পিতভাবে কোনো ধর্মীয় উন্মাদনাকে সামনে আনা হয়। একইভাবে জুটমিল বা কলকারখানা বন্ধ হয়ে শ্রমিকের যে পিএফ-গ্র্যাচুইটির টাকা লুট হচ্ছে, তাকে আড়াল করতে রাজনীতির কারবারিরা বিকৃত ‘পরিচয় সত্তা’-এর নেশা ছড়িয়ে দেয়। শ্রমিক যখন নিজের মজুরি আর অধিকারের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে চায়, তখন তাকে জাতপাত আর আঞ্চলিকতার বিদ্বেষের আফিম খাইয়ে বিভক্ত করে দেওয়া হয়। সুপরিকল্পিত পুতুল নাচ পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনীতিতে এই ‘বাইনারি’ খেলাটি হলো সেই চূড়ান্ত ঢাক-ঢোল যা আসল ইস্যুগুলোকে পিষে ফেলে। বিজেপি ও তৃণমূল — এই দুই মেরু একে অপরের পরিপূরক। একজন সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বাললে অন্যজন তাকে ব্যবহার করে নিজের গদি পোক্ত করে। এই দু’দলের অর্থে চলা সংবাদমাধ্যমগুলো এমন এক পরিবেশ তৈরি করে, যেন সাধারণ মানুষের কাছে এই দুইয়ের বাইরে আর কোনো বিকল্প পথ বা শক্তি নেই। এই ক্যাকাফোনির মূল কাজ তিনটি: ১. দুর্নীতি আড়াল করা: আম্বানী-আদানি সহ হাতে গোনা কর্পোরেটদের জন্য কেন্দ্রীয় ছাড় বা রাজ্যের বালি-কয়লা-গরু-পাথর পাচার কাণ্ড অথবা পঞ্চায়েত, পৌরসভা, সরকারের টাকা লুট — সবই এই চিৎকার চেঁচামেচির আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। ২. অস্তিত্বের ভয়: এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে তৈরি করা অনিশ্চয়তা আর আতঙ্ক মানুষকে নথির পেছনে দৌড়াতে বাধ্য করে, যাতে সে নিজের ফসলের দাম বা মজুরি বৃদ্ধির কথা ভুলে যায়। ৩. আসল লড়াইকে অদৃশ্য করা: যুবক যখন চাকরি চায় বা কৃষক যখন ঋণমুক্তি চায়, তখন তাদের ‘দেশপ্রেম’বনাম ‘বাংলা বিরোধী’তকমা দিয়ে চিতার আগুনের মতো পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়। যখন সংবিধান কাঠগড়ায় অষ্টাদশ শতাব্দীতে সমাজ সতীদাহকে ‘ধর্মীয় মহিমা’হিসেবে দেখেছে কারণ তৎকালীন ‘ক্যাকাফোনি’তাদের সত্য দেখতে দেয়নি। আজ আমরাও যদি এই রাজনৈতিক বাইনারির নেশায় বুঁদ হয়ে থাকি, তবে আমরাও আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের মৃত্যুঘণ্টা বাজিয়ে দেবো। মনে রাখা প্রয়োজন, গণতন্ত্রে নাগরিকত্ব কোনো দান নয়, এটি একটি মৌলিক অধিকার। যখন রাষ্ট্র বা রাজনৈতিক শক্তিগুলো নাগরিককে কেবল একটি ‘ভোট ব্যাংক’বা ‘নথির স্তূপ’ হিসেবে দেখে এবং গুটিকয়েক অতি-ধনীর হাতে দেশের সম্পদ সঁপে দেওয়ার দুর্নীতি ঢাকতে উন্মাদনার বাদ্যযন্ত্র বাজায়, তখন বুঝে নিতে হবে — কাঠগড়ায় কেবল সাধারণ মানুষ নেই, বিপন্ন আজ দেশের সংবিধানও। শ্মশানের সেই ঢাক-ঢোলের আওয়াজকে পাশ কাটিয়ে এখন বাংলার মানুষের চাপা পড়া দীর্ঘশ্বাস শুনতে হবে। ধর্ম আর বাইনারি রাজনীতির আফিম ঝেড়ে ফেলে মানুষ ফসলের দাম, মজুরি, কাজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিয়ন্ত্রিত দ্রব্যমূল্যের অধিকার নিয়ে যেদিন সোজাসুজি প্রশ্ন তুলবে — সেদিন এই আধুনিক সতীদাহের অবসান ঘটবে। সেই সুযোগ আছে। এই চুরি, জোচ্চুরি, লুটপাট বন্ধ করার পথ আছে। বেকারের হাতে কাজ, শিক্ষার্থীর জন্য বিনা বেতনে সরকারি শিক্ষা, মানুষের জন্য স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা, কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য, বছরে ২০০ দিন দরিদ্র মানুষের কাজ – এসবই করা সম্ভব। সেই বিকল্প সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। শান্তি-সম্প্রীতির বাংলাকে আবার ফিরিয়ে আনা সম্ভব। দুর্বৃত্ত, তোলাবাজ, লুটেরা মুক্ত বাংলা তৈরি করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিকল্প বাম গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। বাংলার মানুষকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে – বাংলা কি এই অন্ধকারেই ডুবে থাকবে নাকি আলোর পথে যাত্রা শুরু করবে! দেশহিতৈষী পত্রিকায় প্রকাশিত প্রকাশের তারিখ: ০৫-এপ্রিল-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|