|
কেরালা স্টোরি - রাজ্যে দারিদ্রসীমার নিচে একজন মানুষ ও নেইWebdesk |
কেরালা দেশের মধ্যে একমাত্র এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারল তার পিছনে উন্নয়নের 'বিকল্প 'কেরালা মডেল'-ই বিশেষভাবে কাজ করেছে, আর এই উন্নয়নের বিকল্প মডেলের রচয়িতা ও মূল কারিগর হলেন কমিউনিস্টরা এবং বামপন্থীরা। |
কেরালায় চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে আর একজনও নেই। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর গত ৭৮ বছরের ইতিহাসে এমন নজির এই প্রথম। সিপিআই(এম) নেতৃত্বাধীন কেরালার বাম গণতান্ত্রিক জোট (এলডিএফ) সরকারের দীর্ঘ পরিশ্রম, জনজীবন নিয়ে গভীর সমীক্ষা, সামাজিক সংস্কার, একাধিক জনমুখী প্রকল্প এবং অবশ্যই সমানাধিকার ও সমমর্যাদার প্রতি অঙ্গীকার — এমন এক ‘নয়া ভারতের’ দিশা তুলে ধরতে পেরেছে। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতি ফুলিয়ে যে ‘আচ্ছে দিন’, ‘নতুন ভারত’, ‘বিকশিত ভারত’, ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’-র দাবি করে থাকেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, তা যে আসলে ভুয়ো সেকথা আরও একবার দিনের আলোর মতো স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কেরালার এই সাফল্যে। সাক্ষরতার হার হোক বা বিনামূল্যে চিকিৎসা, মহিলা কো-অপারেটিভ বা এখন দারিদ্র্য ঘোচানো, কেরালা বারবার আলোর দিশা দেখিয়েছে এভাবেই। প্রসঙ্গত, প্রতিদিন ২.১৫ মার্কিন ডলারের কম আয়ে (১৮১ টাকা) জীবনযাপন করা মানুষের হার আন্তর্জাতিকভাবে ‘চরম দারিদ্র্যের’ মানদণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৫৭ সালে কেরালায় কমিউনিস্টদের নেতৃত্বে তৈরি প্রথম সরকারই প্রশাসনের এই বিকেন্দ্রীকরণের কাজ শুরু করেছিল, পরে একাজ আরও প্রসারিত করা হয়েছে, ধাপে ধাপে তৃণমূলস্তরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে পরিকল্পনা-রচনাকেও। দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত এই ব্যবস্থাকে যথাযথ ব্যবহার করে এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করল কেরালা। ২০২৫ সালেরমাঝামাঝি পর্বেই কোট্টায়াম সহ অনেকগুলি জেলা নিজেদের চরম দারিদ্র্য মুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করে, আগামী ১ নভেম্বর পুরো রাজ্যের মাথায় সেই মুকুট বসবে। কেরালা দেশের মধ্যে একমাত্র এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পারল তার পিছনে উন্নয়নের 'বিকল্প 'কেরালা মডেল'-ই বিশেষভাবে কাজ করেছে, আর এই উন্নয়নের বিকল্প মডেলের রচয়িতা ও মূল কারিগর হলেন কমিউনিস্টরা এবং বামপন্থীরা। ১৯৫৭ সালে কমিউনিস্টদের প্রথম সরকারের ভূমিসংস্কারের যে কর্মসূচি, তা ছিল কেরালায় আর্থিক বৈষম্য হ্রাস করতে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের ক্ষমতায়নে প্রথম পদক্ষেপ। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যকে সর্বজনীন করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা রূপায়ণের মাধ্যমে দেশের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক অগ্রগতি ঘটায় কেরালা। গত শতকের সত্তরের দশকেই সর্বজনীন স্বাস্থ্যের কর্মসূচি শুরু হয়, নব্বইয়ের দশকে কেরালায় ৯০ শতাংশেরও বেশি মানুষ সাক্ষর হয়ে যায়। বর্তমানে কেরালায় প্রসবকালীন মৃত্যু প্রতি হাজারে ৬ এবং জনগণের গড় আয়ু ৭৫ বছরেরও বেশি। ২০২১ সালে ফের রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং তাঁর মন্ত্রীসভা প্রথম বৈঠকেই ‘এক্সট্রিম পভার্টি এরাডিকেশন প্রোগ্রাম’ (ইপিএপি) বা ‘চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ প্রকল্প’-র উদ্যোগ নেয়। সেই প্রকল্প অনুযায়ীই চার বছর পর কেরালা গোটা বিশ্বের সামনে বলতে পারল, সে রাজ্যে চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে আর একজনও নেই। যদিও আগামী ১ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হবে। সম্প্রতি নীতি আয়োগ কেরালার এই নজিরবিহীন উন্নয়নকে স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, গোটা দেশের মধ্যে কেরালায় বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের স্তর সবচেয়ে কম। রাজ্যে চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলিকে আর্থিক দিক থেকে উন্নত করতে যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল তা শুরু হয়েছিল চরম দারিদ্র্যের মধ্যে থাকা নাগরিকদের চিহ্নিত করে। যে সমস্ত পরিবার সরকারি বিভিন্ন সমাজ কল্যাণ মূলক প্রকল্পের বাইরে থাকার কারণে চূড়ান্ত আর্থিক দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাতেন, তাঁদের বিশেষ সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচী নেয় এলডিএফ সরকার। পাঁচ বছরের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছিল প্রকল্পের শুরুতে। তবে সময়ের আগেই কাজের কাজ করে দেখিয়ে দিল কেরালা। কোনওরকম বাগাড়ম্বর না করে, ধর্ম-জাতপাতের মোহে মানুষকে আচ্ছন্ন করে না রেখে, বিভাজনের পথে না হেঁটে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে কেরালা সরকার চরম দারিদ্র্যের কবল থেকে সাধারণ মানুষকে মুক্ত করেছে। সবার প্রথমেই নির্দিষ্ট পরিবারগুলিকে বেছে নেওয়া হয়। দারিদ্র্যের স্তর বিশ্লেষণ করতে একাধিক সমীক্ষা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। পঞ্চায়েত, পৌরসভাগুলির নেতৃত্বে তিন-চার মাস ধরে একেকটি এলাকায় সমীক্ষা চলেছে। কুদুম্বশ্রী, আশা-অঙ্গনওয়ারি প্রকল্পের কর্মীদের যুক্ত করা হয় এই কাজে। কারণ, তাঁরা এমনিতেই বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে কাজ করেন। ফলে কোনও একটি এলাকার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে এঁদের ভূমিকা অনন্য। এছাড়াও বহু সংগঠনকে যুক্ত করা হয়। গ্রামে-গ্রামে ঘুরে বিভিন্ন মহল্লায় গিয়ে, শহর-শহরতলির ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে এই সমীক্ষা চলেছে। রাজ্যজুড়ে ১৪ লক্ষেরও বেশি এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই সমীক্ষা থেকেই ৬৪,০০৬টি পরিবার এবং ১,৩০,০০৯ জন ব্যক্তিকে ‘চরম দরিদ্র’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন প্রতিটি পরিবারের প্রয়োজন অনুযায়ী সাহায্য করতে ‘মাইক্রো-প্ল্যান’ তৈরি করে। এই ৬৪,০০৬টি পরিবারের মধ্যে ৪,৪২১টি পরিবার ছিল মূলত এক সদস্যবিশিষ্ট পরিবার। সেই সদস্যদের মৃত্যু হয়েছে। ২৬১টি যাযাবর পরিবারকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ৪৭টি ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, একই পরিবারের ভিন্ন সদস্যদের নাম বিভিন্ন স্থানীয় স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ওই ৪,৭২৯টি পরিবার বাদ দিলে বর্তমানে তালিকায় ‘চরম দরিদ্র’ হিসেবে রয়ে যায় মোট ৫৯,২৭৭টি পরিবার। যাঁরা খাদ্য, স্বাস্থ্য, কাজ এবং বাসস্থানের মতো মৌলিক অধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত রয়েছেন এবং এর পিছনে কারণ সন্ধানের মধ্য দিয়েই এই পরিবারগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এভাবে চরম দারিদ্র্য থেকে পরিবারগুলিকে বের করে আনার জন্য, প্রতিটি পরিবারের পরিস্থিতি বোঝা সম্ভব হয়েছিল এবং তাঁদের মতামত বিবেচনা করে তৃণমূল স্তর গিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল। আধার নম্বর, রেশন কার্ড, প্রতিবন্ধীদের জন্য ইউডিআইডি কার্ড, নির্বাচনী পরিচয়পত্র ইত্যাদির মতো সরকারি নথি এবং স্বাস্থ্য বিমা ও সামাজিক সুরক্ষা পেনশনের মতো জরুরি পরিষেবাগুলি ২১,২৬৩টি পরিবারের কাজে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সরকার প্রথম পর্যায়ে অগ্রাধিকার হিসাবে বিবেচনা করেছে একটি পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং চিকিৎসা পরিসেবা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে। পরিবারের চাহিদাগুলি একটি এমআইএস-এ তালিকাভুক্ত করা হয় এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতেই সমস্ত কাজ হয়েছে। এভাবেই কেরালা ভারতবর্ষের প্রথম ‘চরম দারিদ্র্যমুক্ত’ রাজ্য হয়ে উঠেছে। রাজ্য সরকার ২০২৩–২৪ অর্থবর্ষে ৮০ কোটি টাকা এবং ২০২৪–২৫ অর্থবর্ষে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে স্বাস্থ্য, আবাসন ও জীবিকা সহায়তার জন্য। ২০২৩ সালের নীতি আয়োগের বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক অনুযায়ী, কেরালায় ভারতের মধ্যে সর্বনিম্ন সংখ্যক মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যের শিকার। সে রাজ্যের মাত্র ০.৫৫ শতাংশ মানুষকে ‘বহুমাত্রিকভাবে দরিদ্র’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সূচক স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মান — এই তিনটি ক্ষেত্রে মোট ১২টি মানদণ্ডে দারিদ্র্যকে চিহ্নিত করে থাকে। কেরালার সরকারি আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের পরামর্শ ছিল রাজ্যজুড়ে সামগ্রিকভাবে একই পদক্ষেপ না নিয়ে প্রতিটি পরিবারের প্রয়োজন যেন মেটানো হয় তাদের চাহিদা অনুযায়ী। যেমন কারো দরকার ওষুধ, কারো দরকার জীবিকা। সেভাবেই সাহায্য করা হয়েছে। প্রকৃত অর্থে নাগরিক জীবনকে বিকশিত পর্যায়ে নিয়ে যেতে গেলে যে কাজগুলি করা দরকার কেরালা তা করেছে এবং এই সাফল্য কোনও একদিন হঠাৎ করে ধরা দেয়নি। ধাপে ধাপে কেরালাকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে গিয়েছে এলডিএফ সরকার। যেমন ২০২৫ সালের হিসাবে কেরালার সাক্ষরতার হার ৯৬.২%, যা ভারতের সব রাজ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর ৯২ হাজার নাগরিক সাক্ষর নাগরিক হলেই কেরালা পূর্ণ সাক্ষরতা অর্জন করবে। বামপন্থা পারে - আর এস এস পারে না বিজেপি-আরএসএস রামরাজ্যের কথা বলে, আমাদের জানা নেই সেই রাজ্য কেমন ছিল। নিশ্চয় সেই রাজ্যে ক্ষুধা, কর্মহীনতা, আশ্রয়হীনতার ব্যাপার থাকবে না। কিন্তু বিজেপি-শাসিত কেন্দ্র কিংবা তাদের পরিচালিত রাজ্য সরকারগুলি সেই ভাবনার দ্বারা পরিচালিত হয়- তা অন্তত বাস্তবে দেখা যায় না। যদি দেশের কথাই ধরা হয় তাহলে দেখা যাবে, এই বিজেপি শাসনেই দেশে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বেশি মানুষ কর্মহীন থেকেছে। এই সময়ে ভারত বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ক্রমাগত নেমেই চলেছে, তার লড়াই এখন সাব-সাহারান দেশ, আফগানিস্তান, যুদ্ধবিধ্বস্ত প্যালেস্তাইনের সঙ্গে। ২০২৫ সালে ১২৩টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান হয়েছে এই ক্ষুধা সূচকে ১০২। আর বিশ্বব্যাঙ্কের হিসেবে দেশে বর্তমানে চরম দারিদ্র্যে রয়েছে প্রায় ২৩ কোটি মানুষ। অন্যদিকে ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ বলছে দেশে ঘর নেই এমন মানুষের সংখ্য প্রায় ১৮ লক্ষ। যদিও দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা বলে, এই দুটি ক্ষেত্রেই বাস্তবে দেশে সংখ্যাটা আরও বেশি ২০২৫ সালে ১২৩টি দেশের মধ্যে ভারতের স্থান হয়েছে এই ক্ষুধা সূচকে ১০২। আর বিশ্বব্যাঙ্কের হিসেবে দেশে বর্তমানে চরম দারিদ্র্যে রয়েছে প্রায় ২৩ কোটি মানুষ। অন্যদিকে ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ বলছে দেশে ঘর নেই এমন মানুষের সংখ্য প্রায় ১৮ লক্ষ। যদিও দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা বলে, এই দুটি ক্ষেত্রেই বাস্তবে দেশে সংখ্যাটা আরও বেশি। ক্ষুধা নিবারণ, দারিদ্র্য মুক্তি, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি কিংবা মাথায় ছাদের ব্যবস্থা করা আসলে বিজেপি-আরএসএস'র অ্যাজেন্ডায় কখনই ছিল না, যতই তারা মুখে রামরাজত্ব প্রতিষ্ঠার কথা বলুক না কেন। তাদের একটাই লক্ষ্য- দেশের শ্রমজীবী, গরিব মানুষের ওপর মালিকশ্রেণির শোষণ-নির্যাতনকে যাতে স্থায়ী ও বৃদ্ধি করা যায় সেই অভিমুখে নীতি প্রণয়ন করা, এবং জনগণের সম্পত্তি, রাষ্ট্রের সম্পদকে কীভাবে নিবিড় ও নিরবচ্ছিন্নভাবে লুঠ করা যায় তার একটা পাকাপোক্ত ব্যবস্থা কায়েম করা। সেই লক্ষ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকারগুলি চলছে। আর দেশে বেড়েই চলেছে ক্ষুধা, দারিদ্র্য। দেশের এই পরিস্থিতিতে কমিউনিস্ট-বামপন্থী কর্মীদের সামনে বড়ো দায়িত্ব হাজির হয়েছে। তাদের সারা দেশের জনগণের কাছে উন্নয়নের 'কেরালা মডেল', বামপন্থীদের বিকল্প উন্নয়নের ধারণা তুলে ধরতে হবে। তা যেমন বিজেপি-আরএসএস'র শূন্যগর্ভতাকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসবে, একইভাবে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও উদার অর্থনীতির বিরুদ্ধে দেশজোড়া শ্রমজীবী মানুষের লড়াইকেও শক্তিশালী করবে। আর একটি দায়িত্বের কথা তাদের ভুলে গেলে চলবে না, তা'হলো কেরালার এলডিএফ সরকার যাতে কেরালায় ফের প্রতিষ্ঠা না হতে পারে তার জন্য বিজেপি-আরএসএস সহ শাসকদলগুলি অতি সক্রিয়। তাই এই সরকারের বিরুদ্ধে সমস্ত আক্রমণের প্রতিরোধে বামপন্থীদের রাজ্যে রাজ্যে সংহতি আন্দোলনকেও শক্তিশালী করতে হবে। প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করতে কেন্দ্রিয় সরকারী তথ্য , পার্টির পত্র পত্রিকা , কেরালা সরকারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকাশের তারিখ: ০১-নভেম্বর-২০২৫ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|