|
তথ্য প্রযুক্তি এ আই আমাদের রাজ্যে সম্ভাবনাNandini Mukherjee |
স্বাধীনতার সময় বঙ্গভঙ্গ, ষাটের দশক ও সত্তরের দশকের উত্তাল রাজনীতি, পুর্ববঙ্গ থেকে আসা মানুষের স্রোত পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র পরিকাঠামোর উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল – তাই নয়। বাংলার শিক্ষাব্যবস্থাকেও প্রায় খাদের কিনারায় পৌঁছে দিয়েছিল। সত্তরের দশকের ভেঙ্গে পড়া সেই শিক্ষাব্যবস্থাকে মেরামত করে সুস্থিত করে তোলা ছিল একটা বড় চ্যালেঞ্জ। |
| The City That Never Sleeps: সময়টা ১৯৮৯ সাল। বাংলার ইলেকট্রনিক্স শিল্পের উন্নয়নের জন্য রাজ্য সরকারী সংস্থা ওয়েবেল-এর উদ্যোগে তৈরি হল সল্ট লেক ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স – যাকে আমরা এখন সেক্টর ফাইভ বলে জানি। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তার চেহারা পাল্টে হল কলকাতা মহানগরীর সর্ববৃহৎ শিল্পকেন্দ্র – ইনফর্মেশন টেকনোলজি এবং বিপিও হাব – শুধু এই বাংলার নয় – দেশের অন্যান্য রাজ্য থেকে আগত নাগরিকদের কর্মক্ষেত্র। পড়ে থাকা ফাঁকা জমিতে গড়ে উঠল নতুন এক শিল্পনগরী। ২০০০ সালের মধ্যে এই সেক্টর ফাইভে নিজ নিজ অফিস তৈরি করল ২০০টির বেশি ইনফর্মেশন টেকনোলজি ও ইনফর্মেশন টেকনোলজি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা। এর মধ্যে যেমন আছে TCS, IBM, Cognizant এর মত বড় সংস্থা, তেমনি অসংখ্য ছোট ছোট সংস্থা, স্টার্ট আপ কোম্পানী বেছে নিল এই শিল্পনগরীকে তাদের কাজের কেন্দ্র হিসাবে। পূর্ব ভারতের তথ্যপ্রযুক্তির হৃৎপিণ্ড হিসাবে সেক্টর ফাইভ হয়ে উঠল "City That Never Sleeps"। নিউ টাউন গড়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ইনফর্মেশন টেকনোলজি হাব সম্প্রসারিত হয় কলকাতা মহানগরীর আরও পূর্বদিকে। পশ্চিমবঙ্গে কম্পিউটার ইঞ্জিনীয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রশিক্ষণ – বাংলায় যে মেধার কমতি ছিল না তা বাংলার নবজাগরণের সময় থেকেই বোঝা গিয়েছিল। স্বাধীনতার সময় বঙ্গভঙ্গ, ষাটের দশক ও সত্তরের দশকের উত্তাল রাজনীতি, পুর্ববঙ্গ থেকে আসা মানুষের স্রোত পশ্চিমবঙ্গে শুধুমাত্র পরিকাঠামোর উপর চাপ সৃষ্টি করেছিল – তাই নয়। বাংলার শিক্ষাব্যবস্থাকেও প্রায় খাদের কিনারায় পৌঁছে দিয়েছিল। সত্তরের দশকের ভেঙ্গে পড়া সেই শিক্ষাব্যবস্থাকে মেরামত করে সুস্থিত করে তোলা ছিল একটা বড় চ্যালেঞ্জ। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সেই ভেঙ্গে পড়া শিক্ষাব্যবস্থার মেরামতি ছিল প্রথম দায়িত্ব। সেই বিষয়ে কয়েকটি বুনিয়াদি পদক্ষেপ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করেছিল বামফ্রন্ট সরকার। ১৯৮০ সালে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে তৈরি হয় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনীয়ারিং বিভাগ এবং চালু হয় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনীয়ারিং-এর স্নাতকোত্তর পড়াশোনা। ১৯৮১ সালে স্নাতক স্তরের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনীয়ারিং পাঠক্রম চালু হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। একবছরের মধ্যে আর এক সরকারী কলেজ – ভারতের দ্বিতীয় প্রাচীনতম বেঙ্গল ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজে শুরু হয় কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনীয়ারিং বিষয়ে স্নাতক স্তরের পড়াশোনা। অর্থাৎ বাংলার মেধাকে ব্যবহার করে দেশের তথ্যপ্রযুক্তির মানচিত্রে জায়গা করে নেওয়ার সবরকম ক্ষেত্র প্রস্তুত হয় সেই আশির দশক থেকেই। মাস্টার ইন কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন এবং কম্পিউটার সায়েন্সে ডিপ্লোমা কোর্সও চালু হয় আশির দশক থেকে। নব্বই-এর দশকে অনেকগুলি বেসরকারী ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজ তৈরি হওয়ার সাথে সাথে গড়ে ওঠে পশ্চিমবঙ্গ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যার বর্তমান নাম মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। নব্বই-এর দশকেই অনেকগুলি বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয় ইনফর্মেশন টেকনোলজি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পাঠক্রম। একই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে তরুণরা যাতে অত্যন্ত কম খরচে দক্ষতা অর্জন করতে পারে তার জন্য রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দপ্তরের উদ্যোগে মৌলালি যুবকেন্দ্রে তৈরি হয় যুব কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। শুধুমাত্র কলকাতা নয়, যুবকল্যাণ দপ্তর উদ্যোগ নেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়ার। সেইমত বোলপুর, রামপুরহাট, বালুরঘাট, ইসলামপুর ইত্যাদি জায়গায় সরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে সম্ভাবনা ও বর্তমান অবস্থা – পশ্চিমবঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির যে বিপুল সম্ভাবনা এই শতাব্দীর সূচনায় দেখা গিয়েছিল তার একদিকে যেমন ছিল বাংলার তরুণ তরুণীদের মেধা সম্পদ, অন্যদিকে সেক্টর ফাইভ ও তার থেকে প্রসারিত হয়ে নিউটাউন, রাজারহাট অঞ্চলে গড়ে ওঠা অসংখ্য ছোট-বড় তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় এই সমস্ত তরুণ তরুণীর কাজের সুযোগ। বামফ্রন্টের সম্পর্কে যে ভুল ধারণা ছড়ানোর চেষ্টা করা হয় যে তাঁরা কম্পিউটার ব্যবহারকে আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন, বাস্তবে ঘটেছিল ঠিক তার উল্টোটাই। কম্পিউটার শিক্ষা থেকে শুরু করে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের প্রসার এবং বিপুল কর্মসংস্থান – সমস্তটাই ঘটেছিল বামফ্রন্ট সরকারের উদ্যোগে। অবশ্যই ২০১১ সালের পরবর্তীতে এই ধারা সম্পূর্ণ উলটো দিকে চলে যায়। একে একে বহু ইঞ্জিনীয়ারিং সংস্থা কলকাতা থেকে পাততাড়ি গোটাতে থাকে। তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলির মধ্যে ইনফোসিস, উইপ্রো ইত্যাদি বড় কোম্পানীগুলি ২০০৮-০৯ সালে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কলকাতায় নতুন বড় ক্যাম্পাস গড়ে তোলার। সেইমত জমি অধিগ্রহণের কাজও শুরু হয়। কিন্তু ২০১১ সালে ক্ষমতায় তৃণমূল কংগ্রেস সরকার আসার পরেই এই সংস্থাগুলি তাদের নতুন ক্যাম্পাস তৈরির পরিকল্পনাকে খারিজ করে। সাম্প্রতিক কালে রাজ্যসভায় একটি প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ২০১১-১২ সাল থেকে ২০২৪-২৫ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ ছেড়েছে ৬৬৮৮টি কোম্পানী। এর মধ্যে অনেকগুলি ইঞ্জিনীয়ারিং কোম্পানী এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা। তবে অন্যান্য উৎপাদনকারী সংস্থা, যেমন সিমেন্ট কোম্পানী ইত্যাদিও আছে। এর জন্য তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের নীতি যেমন দায়ী, তেমনি দায়ী দুর্নীতি ও তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্বৃত্তদের আধিপত্য। যেভাবে কলকাতার পূর্বপ্রান্তে এই তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পাঞ্চল একসময়ে দেশের অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছিল, আর সাথে সাথে হয়ে উঠেছিল দেশের পূর্বপ্রান্তের শিল্পের নাভিস্থল, লক্ষ লক্ষ তরুণ তরুণীর কর্মসংস্থানের আশা-ভরসা – সেই জায়গা থেকে একটা পিছিয়ে পড়া শিল্পাঞ্চলে পরিণত হওয়ার পেছনে অবশ্যই আছে এই রাজ্য সরকারের ভ্রান্ত নীতি এবং দুর্নীতি। বর্তমানে সেক্টর ফাইভ এবং নিউ টাউনের তথ্য প্রযুক্তি শিল্পাঞ্চলে দক্ষ প্রযুক্তিবিদের চাহিদা খুব কম। সামান্য কিছু উচ্চ বেতনের চাকরী থাকলেও, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বেতন এবং সুযোগ সুবিধা দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের তুলনায় খুবই কম। ফলে শহর এবং রাজ্য ছেড়েছে শিক্ষিত যুবসমাজের একটা বিরাট অংশ। পশ্চিমবঙ্গের ইঞ্জিনীয়ারিং কলেজগুলি থেকে পাশ করা বা অন্যান্য বিষয়ে স্নাতকদের এখন খুঁজে পাওয়া যায় ব্যাঙ্গালোর, হায়দ্রাবাদ, পুনে, নয়ডা – এইসমস্ত অঞ্চলে। আগামী সম্ভাবনা – একথা সহজেই বোধগম্য যে একটি আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দল দ্বারা পরিচালিত সরকারের পক্ষে তথ্যপ্রযুক্তি এবং অন্যান্য শিল্পের অগ্রগতি ঘটানো, নতুন বিনিয়োগ নিয়ে আসা, এবং যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান কোনভাবেই সম্ভব নয়। বিশেষ করে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিশাল অগ্রগতির দরুণ একদিকে যেমন বিভিন্ন শিল্প ও পরিষেবার ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির গবেষণা ও প্রয়োগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনকে উন্নততর করে তোলা সম্ভব, তেমনি আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তির অবাঞ্ছিত ব্যবহার অনেকেরই কর্মসংস্থানের সুযোগ কেড়ে নিতে পারে। বিশেষ করে কেন্দ্রে বিজেপি পরিচালিত সরকারও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি ভারতবর্ষের আর্থসামাজিক কাঠামোর মধ্যে কিভাবে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে সেই বিষয়ে কোনরকম দিশা দেখাতে পারছে না। আগামী দিনে এই রাজ্যে বামফ্রন্ট পরিচালিত সরকার গঠিত হলে এই দিকগুলিতেই প্রধানতঃ মনোযোগ দেওয়া হবে। প্রথম দায়িত্ব হল কলকাতা মহানগরীর পূর্বাঞ্চলে যে সম্ভাবনাময় বিরাট শিল্পাঞ্চল আছে তাকে অনেক বেশি সমৃদ্ধ করে তোলা, নতুন নতুন সংস্থাকে নিয়ে এসে কর্মসংস্থানের অনেক বেশি সুযোগ তৈরি করা যাতে দেশের অন্যান্য প্রথম সারির তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পাঞ্চলের সমপর্যায়ে চলে আসে। মেধার বিচারে পশ্চিমবঙ্গের যুবসমাজ যেহেতু অনেকটাই এগিয়ে আছে, তাই এই রাজ্যে অন্যান্য জায়গাতেও সমপর্যায়ের তথ্যপ্রযুক্তি এবং তথ্যপ্রযুক্তি পরিষেবার হাব তৈরি করা সম্ভব। এই বিষয়ে বামফ্রন্ট সরকার বিবেচনা করবে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে এবং দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে তথ্যপ্রযুক্তি ও আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি নির্ভর নতুন নতুন শিল্পসংস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনীয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষার মান আরও প্রসারিত করার দিকে মনোযোগ দেওয়া হবে। বর্তমানে সরকারী ও বেসরকারী মিলিয়ে প্রায় ২০০ কলেজে এই বিষয়গুলি পড়ানো হয়। উন্নতমানের প্রশিক্ষণের সুযোগ আরও বেশি ছাত্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং আর্থিক দিক দিয়ে এই শিক্ষার সুযোগ সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখা – এই দুইই হবে আগামীদিনের লক্ষ্য। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির কারণে এবং নানাধরনের পরিষেবায় আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রয়োগের ফলে যুব সমাজের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে নিয়মিত নিজস্ব দক্ষতাকে বৃদ্ধি করা এবং বিভিন্ন নতুন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন (upskilling and reskilling)। কর্পোরেট দুনিয়া প্রতি মুহূর্তে যুবসমাজের কাছে প্রত্যাশা করছে যে তারা নিজেদের upskilling এবং reskilling করবে। অন্যদিকে শিক্ষা বর্তমানে বাণিজ্যিক পণ্য। গরীব, প্রান্তিক পরিবার তো বটেই, মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষেও নিয়মিতভাবে নিজেদের upskilling এবং reskilling করা সম্ভব নয়। ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং কর্মচ্যূতির আশংকা থেকেই যাচ্ছে। বামফ্রন্ট ক্ষমতায় এলে যুবসমাজের (২০ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত নারী এবং পুরুষের) জন্য নিয়মিত কর্মমুখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। সরকারী উদ্যোগে হলে এই প্রশিক্ষণের জন্য ব্যয় হবে অনেকটাই কম। একই সাথে শিক্ষাবিদ এবং বিভিন্ন সংস্থায় কর্মরত অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সহায়তায় একজন কি ধরনের প্রশিক্ষণ পেতে পারে এবং কর্মসংস্থানের কি সুযোগ আছে সে বিষয়ে কাউন্সেলিং করা হবে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তি ইতিমধ্যেই আমাদের জীবনযাত্রায় অনেকটাই পরিবর্তন এনেছে এবং আগামী দিনে আরও বেশি পরিবর্তন নিয়ে আসতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতবর্ষের আর্থসামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রযুক্তির গবেষণায় অনেক বেশি জোর দেওয়া এবং সরকারী উদ্যোগে এই গবেষণার প্রসার প্রয়োজন। একই সাথে কোন কোন ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে সেই বিষয়ে এবং এই প্রযুক্তির নৈতিক ও আইনমাফিক প্রয়োগ নিয়েও যথাযথ অভিমুখ নির্ধারিত করা হবে এবং সেই অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে। প্রকাশের তারিখ: ২০-এপ্রিল-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|