|
মার্কসবাদের আলোয় সংস্কৃতি (দ্বিতীয় পর্ব)Chandan Mukhopadhyay |
লেনিনের সেই বিখ্যাত উক্তি: "সর্বহারার সংস্কৃতি আকাশ থেকে পড়েনি" মাথায় রেখে তাই বলতে হয়, লড়াই করতে গিয়ে আমাদের অতীত থেকে বর্তমানের সব মহান শিক্ষাকে আত্মস্থ করেই নিজেদের পথ খুঁজতে হবে। আগে সময়কে সঠিকভাবে না জানলে সেই পথ ভুল হতে বাধ্য। তাই আমাদের লড়াইটা একাধারে সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিকও। |
এই ব্যবস্থাকে স্থায়ী করতে আমাদের সব কিছু নিয়ন্ত্রিত করার চেষ্টা হচ্ছে পুঁজির মালিকদের স্বার্থে। যা একান্ত আমার নিজের ছিল ,যেমন আমি কি পোশাক পরবো, কিভাবে পরবো , আমার খাদ্য কি হবে,কিভাবে চুল কাটবো, কেমন জুতো পরবো এমনকি আমার স্বাভাবিক যে বহিঃপ্রকাশ আনন্দ,কষ্ট ,ব্যাথা প্রকাশের ভাষা,ভঙ্গিও নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ব্যবসায়ীদের বিজ্ঞাপনের অনুকরণে। এমন অসংখ্য উদাহরণ দেওয়া যায়।সবই অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ফল।এর প্রভাব সমগ্র জাতির মধ্যে ছড়িয়ে পরে। তাহলে কি পোশাক,খাদ্য নিয়ে আমরা নজরদারি করবো? এও আরেক ভয়ংকর প্রবণতা।কখনো কখনো শাসক শ্রেণীর অনুসারী দল বা সরকার মানুষকে অন্ধ করে অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে চোখ সরিয়ে উগ্র জাতীয়তাবাদের শ্লোগান দিয়ে মানুষের বিরুদ্ধ্যেই যুদ্ধ ঘোষনা করতে বাধ্য করে সেই সংস্কৃতিক ঐতিহ্যের নাম করেই। এই সবের কারণ খুঁজে খুঁজেই আমাদের জীবনের লড়াই কিভাবে লড়বো এবং কিভাবে প্রলেতারিয়েত সংস্কৃতির শেকড় ধরে মানব মুক্তির পথকে প্রশস্ত করবো সেটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হবে।এমন মানুষ তৈরী করার উদ্যোগ নেবো যাতে আজ মানুষ সমষ্টি-চেতনায় দীক্ষিত হয়ে নিজেকে এই প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে সমাজটাকে জানতে ও তাকে বদলানোর কাজে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। তার মানে অবশ্যই ব্যক্তিত্বকে গ্রাস করা নয়,বরং সমষ্টির সঙ্গে যুক্ত হয়ে গোটা সমাজটাকে নতুন সমাজের দিকে উত্তরণের পথে নিয়ে যাবার জন্যে এই কঠিন সময়ে তাই আমাদের লড়াই হবে, প্রলেতারীয় সংস্কৃতিকে উর্ধে তুলে ধরার। যদিও প্রলেতারীয় সংস্কৃতির এগোনোর পথে যে বাধাগুলো আসে সেগুলো অতিক্রম করার কাজটাও খুব কঠিন একটা কাজ। এই সংস্কৃতির লড়াই তাই এক যুদ্ধের নাম, বলা ভালো যুদ্ধ-প্রস্তুতির নাম।মানুষের মনুষ্যত্বের একটি বড় প্রমাণ হল তার সংস্কৃতি-চেতনা। তাই সংস্কৃতি দিয়েই মানুষের অবমূল্যায়ন রোধ করতে হয়।এই লড়াই প্রথমত যেহেতু নিজের সঙ্গে বলে,সচেতন ভাবেই আগে নিজের মধ্যে লড়াই জারি রাখতে হয়। লেনিনের সেই বিখ্যাত উক্তি: "সর্বহারার সংস্কৃতি আকাশ থেকে পড়েনি" মাথায় রেখে তাই বলতে হয়, লড়াই করতে গিয়ে আমাদের অতীত থেকে বর্তমানের সব মহান শিক্ষাকে আত্মস্থ করেই নিজেদের পথ খুঁজতে হবে। আগে সময়কে সঠিকভাবে না জানলে সেই পথ ভুল হতে বাধ্য। তাই আমাদের লড়াইটা একাধারে সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিকও। মার্কস যে "অর্থনীতির বুনিয়াদের উপর এই সংস্কৃতি নির্ভর করে" বলেছিলেন সেটা সরলরেখায় সেভাবে হয় না। কিন্তু এটা সত্য যে, অর্থনীতি ও সমাজের বনিয়াদ যেমন ধীরে ধীরে বদল হতে হতে এসেছে, তেমনই শিল্পী, সাহিত্যিকের জীবনবীক্ষণের পদ্ধতি ও তার রূপায়ণও পরিবর্তনের ধাপ বেয়ে এগিয়ে গেছে। কৌম-জীবন,দাসপ্রথা, সামন্তপ্রথা ও ধনতন্ত্র কখনোই একই ধরণের সাহিত্য বা শিল্পের জন্ম দেয়নি। একই সমাজব্যবস্থায় গুহার গায়ে ছবিআঁকা আর তাজমহল সৃষ্টি সম্ভব হতে পারেনা। বাল্মীকি,কালিদাস,রবীন্দ্রনাথ যেমন একই অর্থনৈতিক অবস্থার মানুষ নন,তেমনই নন হোমার,সেক্সকপিয়র বানার্ড শও।ভাববাদীরা এর বিরোধিতা করলেও বিখ্যাত মার্ক্সবাদী লেখক ভাসকুয়েজ একে ব্যাখ্যা করেন,"Art is an autonomous sphere, but its autonomy exists only by,in and through it social conditioning." । তিনি এই "social conditioning" বলেছেন মার্কসের সেই প্রবাদ প্রতিম উক্তিকে সামনে রেখে।"Art is a form of social consciousness"। এই সত্যকে আর একটু বিস্তারিতভাবে এঙ্গেলস ব্যাখ্যা করেন, "রাজনীতি,আইন,দর্শন, ধর্ম,সাহিত্য, নন্দনতত্ব ইত্যাদি ক্ষেত্রের বিকাশধারা অর্থনৈতিক বিকাশ ধারার ওপরই নির্ভরশীল।কিন্তু এরা সকলেই পরস্পরের ওপরে এবং সেই সঙ্গে অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপরেও প্রতিক্রিয়া বিস্তার করে। একথা ঠিক নয় যে অর্থনৈতিক কারণই একমাত্র কারণ বা একাই সক্রিয়,আর বাকি সব কিছুতেই রয়েছে কেবল নিষ্ক্রিয় প্রভাব।বরং বলা উচিত অর্থনৈতিক প্রয়োজনকে ভিত্তি করে নানান ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া চলে,আর এই অর্থনৈতিক প্রয়োজনই শেষ পর্যন্ত নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে।"(এঙ্গেলস : লেটার টু স্টর্কেনবুর্গ)। যদিও "প্রগতি" ব্যাপারটা সর্বদাই আপেক্ষিক।আজকের দিনে বুর্জোয়াতন্ত্র, প্রগতিশীল বা বৈপ্লবিক নয়। কেননা সমাজ এবং উৎপাদনের সামনে, বুর্জোয়ারা আর তাদের বুর্জোয়াতন্ত্র নিজেই বাধাস্বরূপ,নিজেই আজ অবক্ষয়ী বার্ধক্যে মৃত্যুশয্যায়।কিন্তু একদিন এই বুর্জোয়ারাই বিপ্লবী এবং প্রগতিশীল ছিল,তার কারণ সেদিন উৎপাদন ও সমাজের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল অতিবৃদ্ধ সামন্ততন্ত্র।তখন এই সামন্ততন্ত্র অপেক্ষা বুর্জোয়াতন্ত্র ছিল প্রগতিশীল। আর এই জন্যেই মার্কস বলেছিলেন , "The,bourgeois, historically, has pleyed a most revolutionary part" ।আমরা যদি ইতিহাসের দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো কিভাবে এর পরিবর্তন ঘটে চলেছে,এবং যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথেই সেই সমাজের সংস্কৃতির অর্থাৎ উপরিতলের পরিবর্তনও চলেছে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায়, তাই প্রত্যেক যুগের নিজস্ব ভাষা,ভঙ্গি বা বিষয়ের জন্ম হচ্ছে। মার্কস-এঙ্গেলস উল্লেখ করেছেন, "প্রাচীন গ্রিসের পরিবেশে রচিত মহাকাব্য বা পুরনো কাহিনী ঊনবিংশ শতাব্দিতে রচিত হওয়া সম্ভব নয়। যে প্রাকৃতিক ধ্যানধারণা ও সামাজিক সম্পর্ক গ্রিক কল্পনার জগৎ সৃষ্টি করেছে, তা স্বয়ংক্রিয় তাঁতকল, রেল, বাষ্পচালিত গাড়ি ও বৈদ্যুতিক তারের যুগে সম্ভব নয়।" যেমন রবীন্দ্রনাথ এক বিরল প্রতিভার মানুষ হয়েও ,"শেক্সপিয়রের মতো একখানি নাটক লিখিতে পারেন নাই" কারণ "বিংশশতাব্দীতে ইতিহাস টানিয়া ধরিয়েছিল তাঁর প্রতিভার রাশ"অর্থাৎ যুগের নিজের কিছু চলন আছে। প্রতি যুগেই প্রগতির তাই এক বিপ্লবী ভূমিকা আছে। উপনিষদে পাই "চলত্বেকেন পাদেন তিষ্ঠত্তেকেন", অর্থাৎ এক পা যখন চলে তখন আর এক পা থেমে থাকে,আবার এগিয়ে যাওয়া পা থেমে যায় আর এক পা তখন সামনের দিকে এগোয়,সেই দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ায় আমরা এগিয়ে চলি। এখানেই লেনিনের শিক্ষা হচ্ছে, অতীতের শিল্প-সাহিত্যের মধ্যে পরস্পর জড়িত থাকা বিপ্লবী উপাদান ও স্থিতাবস্থার অনুকূল উপাদানকে আলাদা করতে শিখতে হবে। জীর্ণ জরাগ্রস্ত উপাদানগুলোকে চিহ্নিত করে জীবন্ত ও গণতান্ত্রিক উপাদানগুলোর গতিমুখ আগামী দিনের ঐতিহাসিক বিকাশের পক্ষে সঞ্চালিত করতে হবে। লেনিনের মতে, শুধুমাত্র এভাবেই ইতিহাসের দ্বন্দ্বমূলক বিবর্তনে শিল্প-সাহিত্য মহৎ ও বিপ্লবী ভূমিকা রাখতে পারে। লেনিন শিক্ষা দিয়েছেন—কেমন করে শিল্প সৃষ্টিতে তার ঐতিহাসিক মর্ম খুঁজে বের করতে হয়, কেমন করে পৃথক করতে হয় তার মধ্যে মৃত থেকে জীবন্তকে, কেমন করে স্থির করতে হয় কোন অংশ ভবিষ্যতের অভিমুখী এবং কোন অংশ অতীতের দাসত্বে চিহ্নিত। সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারকে যেমন নির্বিচারে গ্রহণ করা যায় না, আবার নির্বিচারে বর্জন করাও যায় না। মহান শিল্প-সাহিত্যের ঐতিহ্য থেকে বা মহৎ শিল্পী-সাহিত্যিকদের সৃষ্টির মর্মবস্তুকে বিচার সাপেক্ষে গ্রহণ করতে না পারার মনোভাবকে ‘সাংস্কৃতিক নেতিবাদ’ বলে অভিহিত করেছেন লেনিন। লেনিন একাধিকবার জোর দিয়ে বলেছেন যে, সংস্কৃতি গড়ে তোলা সফল হতে পারে কেবল বৈপ্লবিক নূতনত্বের সঙ্গে অতীতের শ্রেষ্ঠ ঐতিহ্যের মিলনের ভিত্তিতে। ভাববাদী চিন্তায় আচ্ছন্ন বুর্জোয়া তাত্ত্বিকরা শিল্প-সাহিত্যে সমাজ বাস্তবতার গুরুত্ব দেন না। তাঁদের মতে, সমাজ বাস্তবতার সঙ্গে শিল্পের কোনো সম্পর্ক আছে কি নেই, সেটা বড় কথা নয়। শিল্পী-সাহিত্যিকের আত্মগত ভাবনার পটে ফুটে ওঠা ছবিই আসল কথা। আমাদের প্রাচীনকালে রসবাদী অলঙ্কারিকরা বলতেন "রসসৃষ্টি" ছাড়া কাব্য বা শিল্পের আর কোনো উদ্দেশ্য নেই।আর "রসকে" বলতেন "ব্রহ্মস্বাদসহদর:"।এর ফলে কি হয় ? বলতেন,"আত্মলাভান্ন পরং বিদ্যতে", অর্থাৎ আত্মলাভের পর আর কিছু নেই। মার্কস-এঙ্গেলসের তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে লেনিন শিল্প-সাহিত্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়ে গড়ে তোলেন ‘পার্টিজান ও প্রতিফলন তত্ত্ব।’ বুর্জোয়া তাত্ত্বিকরা, কিছু সমাজতন্ত্রীও, অনেক সময় মর্মবস্তু না বুঝেই লেনিনের ‘পার্টিজান তত্ত্বের’ সমালোচনা করেন। লেনিন একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক যুগে শিল্প-সাহিত্যে কোনো না কোনো শ্রেণির পক্ষে শৈল্পিকভাবে নির্দিষ্ট ও প্রকাশ্য ভূমিকা রাখাকে পার্টিজান হিসেবে আখ্যায়িত করেন। কিন্তু লেনিন সতর্ক করেছেন, পার্টি রাজনীতির কমিটমেন্ট আর শিল্প-সাহিত্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা এক জিনিস নয়। লেনিন বলেছিলেন, শিল্প-সাহিত্যের যদি শৈল্পিক গুণ না থাকে, তবে তা রাজনীতির উপাদানে যতই বৈপ্লবিক হোক না কেন, জনগণ তা গ্রহণ করেন না। লেনিন মনে করতেন—‘কোনো শিল্পী যদি প্রকৃতই মহৎ হন, তা হলে তাঁর রচনায় বিপ্লবের কোনো না কোনো মর্মগত অংশ প্রতিফলিত না হয়ে পারে না।’ তার উদাহরণ হিসাবে লেনিন গোর্কি ও মায়াকোভ্স্কির র সাথে পুশকিনকে পড়তে বলতেন, আর টলস্টয়কে তো অনেক ওপরে জায়গা দিতেন। আরো বলতেন, ‘যতদিন পর্যন্ত মানুষের দ্বারা মানুষকে শোষণ করার ব্যবস্থাবলির উচ্ছেদ না হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত সাধারণভাবে মানবীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও নৈতিকতাকে সর্বজনীনতার ওপরে দাঁড় করানো যাবে না।’ আজকের সময়ে তাই আমাদের প্রতিযুগের সৃষ্টিকে আর তার যাবতীয় প্রগতিশীল ভাবনাকে সামনে এনে চলতে হবে সামনের দিকে। আমাদের জানতে হবে আমাদের মহাকাব্যের মধ্যে যে প্রগতিশীল শিক্ষা আছে তাকে ।জানতে হবে রামমোহন থেকে আধুনিক কালের সব সৃষ্টিকে।রামমোহন ঊনবিংশ শতাব্দীতে শুধুমাত্র সতীদাহ প্রথা রদ করেছিলেন এমন তো নয়,তিনি সেদিন উদীয়মান ধনতন্ত্রের পক্ষ্যে সামন্ততন্ত্রের বিরুদ্ধে লাগাতার লড়াই চালিয়ে গেছিলেন। সেদিন চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে রায়ত দের হয়ে দাবি. নিয়ে ব্রিটিশ পার্লিয়ামেন্টে পর্যন্ত চলে গেছিলেন। এর সাথে বিচারবিভাগের বিল,রিফর্ম বিল নিয়ে একাই লড়াই করেছিলেন। ধনতন্ত্রের উত্থানের যুগে,সেদিন ব্রিটিশরা অস্ত্রশক্তি দিয়ে তাদের নতুন বৈষয়িক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রকে সুগঠিত ভিতের ওপর শুধু দাঁড় করিয়েছিল এমন নয়, তারা এর সাথে এনেছিল শিক্ষা,সাহিত্য, বিজ্ঞানকে।তারা ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেছিল তাদের নতুন রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার স্বার্থে কিছু কেরানি তৈরী করার জন্য।কিন্তু বস্তুগত ব্যবস্থা সব সময় মানুষের ইচ্ছায় চলেনা। সব ব্যবস্থার নিজস্ব একটা গতি আছে, মানুষের ইচ্ছে নিরপেক্ষ সে গতি স্বকীয় নিয়মেই চলে। তাই কান টানলে যেমন মাথা আসে তেমনি ইংরেজি শিক্ষার হাত ধরে আমাদের ঘরে শেলী,কিট্স্ থেকে শেক্সপিয়ার প্রমূখরাও এসে হাজির হলেন।উদীয়মান বুর্জোয়ার যে বিপ্লবী গুণগুলো ব্রিটিশদের সঙ্গে এদেশে এসেছিলো,তা এদেশের আলোকপ্রাপ্ত রামমোহন, বিদ্যাসাগর, মাইকেল,রামনারায়ন প্রমুখকে প্রভাবিত করেছিল,আর এদেশে মধ্যযুগীয় সামন্ততান্ত্রিক ধ্যান-ধারণার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে তাঁদের প্রেরণা জুগিয়েছিল। আর তার ফলেই, এদেশে এসেছিল রেনেসাঁস। আগামীকাল তৃতীয় বা শেষপর্ব প্রকাশের তারিখ: ২৬-মে-২০২৬ |
© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
|