কাজ হারাতে পারেন ১৩.৫ কোটি, কেন্দ্রকে সতর্ক করলেন রঘুরাম রাজন

Unknown

লকডাউন পরবর্তী অর্থনীতি কিভাবে চলবে, কোন পথে মোকাবিলা করা হবে আসন্ন অর্থনৈতিক মন্দা, তার জন্য এখনই পরিকল্পনা নিক কেন্দ্র, মন্তব্য রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনের। ‘পারহ্যাপস ইন্ডিয়াস গ্রেটেস্ট চ্যালেঞ্জ ইন রিসেন্ট টাইমস’ শীর্ষক ব্লগে এই অর্থনীতিবিদ লিখেছেন, “এই মুহূর্তে ভারত নজিরবিহীন জরুরি অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। লকডাউন পরবর্তীতে অর্থনীতিকে কী ভাবে স্বাভাবিক রাখা যায় এখনই তার পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।” ওই ব্লগে তিনি লিখেছেন, “স্বাধীনতার পর এই ধরনের অবস্থা কখনও তৈরি হয়নি।” সাড়ে তেরো কোটি মানুষ কাজ খোয়াতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন তিনি। তিনি বলেন করোনাভাইরাসের জেরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি সামলাতে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞদের ডেকে আনুক সরকার। সেই বিশেষজ্ঞ যদি বিরোধী দলের কেউ হন, তা হলেও যেন আপত্তি তোলা না-হয়।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০৮-০৯ সালের আর্থিক সঙ্কট বিশ্ব অর্থনীতিতে যে প্রভাব ফেলেছিল তা থেকে ভারত নিজেকে রক্ষা করতে পেরেছিল লাগামহীন বেসরকারিকরণের পথ না অনুসরণ করার জন্য। যার অন্যতম নিয়ন্ত্রণ ছিল বামপন্থীদের হাতে।  দেশের শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজ, উৎপাদনের বৃদ্ধি এবং সর্বোপরি বিরাট অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জোরে তা ঠেকানো গিয়েছিল। সরকারের অর্থনীতিও ছিল স্বাস্থ্যকর। সেই সময়ে কেন্দ্রে মনমোহন সিং-এর নেতৃত্বে দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার ক্ষমতাসীন ছিল এবং সরকারে যোগ না দিয়েও কমন মিনিমাম প্রোগ্রামের ভিত্তিতে বাইরে থেকে সরকারকে সমর্থন দেয় বামপন্থীরা

লকডাউনে ভারতের অর্থনীতির থমকে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজ়-ও। বলেছেন, লকডাউন আরও ক’দিন চললে, অবস্থা চূড়ান্ত খারাপ হবে। ভবিষ্যতে কাজ পেতে সমস্যা হবে পরিযায়ী শ্রমিকদেরও।


প্রকাশের তারিখ: ০৬-এপ্রিল-২০২০

© কপিরাইট ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি, সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) - পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
মুজফ্ফ‌র আহমদ ভবন
কলকাতা - ৭০০০১৬

ফোন: ০৩৩ - ২২১৭৬৬৩৩, ২২১৭৬৬৩৪
www.cpimwestbengal.org